Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস দুর্ঘটনা

নিহতদের ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ রিটের শুনানি ২১ জুলাই

নিহতদের ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ রিটের শুনানি ২১ জুলাই
সিরাজগঞ্জে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষ, ছবি: পুরনো
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় বর-কনেসহ ১১ জন নিহতের ঘটনায় প্রতেক্যের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে রিট দায়ের করা হয়েছে হাইকোর্টে। আহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে আগামী ২১ জুলাই (রোববার) এ রিটের শুনানি হবে।

রিটে বিবাদী করা হয়েছে রেল সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, রেলওয়ের মহাপরিচালক, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলীকে।

বুধবার (১৭ জুলাই) মানবাধিকার সংগঠন ল এন্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ ব্যাপারে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব।

নোটিশে গত ১৫ জুলাইয়ের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চাওয়াসহ নতুন করে রেলের লেভেল ক্রসিং নির্মাণ, অবৈধ লেভেল ক্রসিং বন্ধ, রেলের গেটম্যানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ট্রেনের ছাদে যাত্রী তোলা বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়। কিন্তু নোটিশে বেধে দেওয়া সময়ে জবাব না দেওয়ায় রিট আবেদনটি করেন হুমায়ুন কবির পল্লব।

গত ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে একটি বিয়ের মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর-কনেসহ ১১ জন নিহত এবং ৩ জন আহত হন।

আপনার মতামত লিখুন :

একদিনে ১৫৩ মামলার আসামির জামিন বাতিল

একদিনে ১৫৩ মামলার আসামির জামিন বাতিল
সুপ্রিম কোর্ট

হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ একদিনে ১৫৩টি ফৌজদারি বিবিধ মামলা ও আপিলে আসামিদের দেওয়া জামিন বাতিল করেছেন। এসব মামলায় আসামিরা অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নেওয়ার পর মেয়াদ বাড়ানো বা রুল শুনানির পদক্ষেপ নিচ্ছিল না। এতে ১৫৩টি মামলা দীর্ঘদিন যাবত ঝুলে ছিল।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। অন্যদিকে ওই জামিন বা আপিলের পক্ষে কোন আইনজীবী ছিলেন না।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, ২০১৭ সালের ১১৮টি ফৌজদারি বিবিধ মামলা ও ২০১৬ সালের ৩৫টি ফৌজদারি আপিলে আসামিরা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন ও রুল নেন।

বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিবিধ ও আপিল করে জামিন নেন। পরে আর রুল ও আপিল শুনানি করেননি বা জামিন বর্ধিত করেননি।

তিনি বলেন, ‘মামলার জট কমাতে এসব মামলা শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আনা হলে শুনানি শেষে আসামিদের পক্ষে করা ফৌজদারি বিবিধ মামলার রুল ও আপিল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে এসব মামলার সকল আসামির হাইকোর্ট থেকে পাওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বাতিল হয়ে গেল।’

'রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে তিন বিচারপতিকে বিরত রাখা'

'রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে তিন বিচারপতিকে বিরত রাখা'
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, পুরনো ছবি

তিন বিচারপতিকে বিরত রাখার বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, 'রাষ্ট্রপতির (আবদুল হামিদ) সম্মতিতে প্রধান বিচারপতি সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন। এখন এ বিষয়ে কীভাবে তদন্ত করবেন, অনুসন্ধান কীভাবে হবে তা প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন।'

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

কি ধরনের অভিযোগ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'অভিযোগ কী সেটা অনুসন্ধানের পরেই জানা যাবে। কী অভিযোগ তা জনসম্মুখে প্রকাশ করাটা বিচার বিভাগের জন্য শুভ হবে না। আর এটা সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির বিষয়।'

এ রকম কি নজির আছে, কোনো অভিযোগ প্রমাণ ছাড়াই বিচার কাজ থেকে বিরত রাখার? এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, 'অভিযোগ আছে কী নাই সেটা অনুসন্ধানের পরেই বোঝা যাবে'।

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে তদন্ত হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'সেটাও প্রধান বিচারপতি এবং রাষ্ট্রপতিই ঠিক করবেন। বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখার জন্য কী পদক্ষেপ নেবেন তা ওনারাই ঠিক করবেন।'

বারের পক্ষ থেকে এই তিন বিচারপতির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'বারের সাধারণ সদস্যরা সব সময়ই চান বিচার বিভাগ কলুষমুক্ত যাতে থাকে এবং ভাবমূর্তি যেন সাধারণ জনগণের কাছে উজ্জ্বল থাকে।'

পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে? অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, 'সেটা রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নেবেন'।

আজকের এই পদক্ষেপ সমস্ত বিচার বিভাগের জন্য নতুন বার্তা কিনা? জবাবে তিনি বলেন, 'নিশ্চয়ই। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ থাকতে পারে না। কোনো মন্ত্রী থাকতে পারে না, কোনো বিচারপতিও থাকতে পারে না এবং আমরা সাধারণ মানুষও থাকতে পারি না। কাজেই এটা অবশ্যই একটি ইঙ্গিত যাবে অন্যান্যদের কাছে যারা নিজেদেরকে সঠিক পথে পরিচালনা করছেন না।'

আরও পড়ুন: ‘আরও অনেক বিচারপতি দুর্নীতিতে জড়িত’

আরও পড়ুন: ছুটিতে তিন বিচারপতি

আরও পড়ুন: হাইকোর্টের ৩ বিচারপতিকে বেঞ্চ দেওয়া হয়নি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র