বাংলাদেশি নির্যাতনের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চেয়েছেন হাইকোর্ট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি বিমান বন্দরে বাংলাদেশি নির্যাতনের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই ভিডিও ফুটেজ আদালতে দাখিলের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এছাড়াও ভিডিও ফুটেজ পাওয়ার এক মাসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়ে আগামী ৬ মার্চ মামলার পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে ভুক্তভোগী তানজীন বৃষ্টির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। এসময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান।

এর আগে ২০১১ সালের ১৪ জুলাই এক আদেশে বাংলাদেশি নির্যাতনের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তার কারণ জানতে চেয়ে পররাষ্ট্র সচিবের প্রতি রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি নির্যাতিত তানজীন বৃষ্টিকে ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তারও কারণ জানতে চান আদালত। এছাড়াও বিমানবন্দরে নির্যাতনের ঘটনা এবং ঘটনার পর কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সে বিষয় তদন্ত করে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পররাষ্ট্র সচিব ও বেসামরিক বিমান চলাচল সচিবকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।

পরবর্তীতে ইত্তেহাদ এয়ারলাইনসের পক্ষ থেকে আদালতে দাখিল করা নিজস্ব তদন্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ওই যাত্রীকে হয়রানি বা নির্যাতনের ঘটনায় তাদের কোনো দোষ নেই। বরং ওই যাত্রী দূর্ব্যবহার করেছেন। এ অবস্থায় হাইকোর্ট ওই ভিডিও ফুটেজ দাখিলের নির্দেশ দেন।

আদালতের আদেশের আগে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান আদালতকে জানান, ওই ঘটনা তদন্তে কাজ করছে তদন্ত কমিটি। তদন্ত সম্পন্ন করতে আরও সময় লাগবে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৮ জুন আবুধাবি বিমান বন্দরে বাংলাদেশি যাত্রী তানজীন বৃষ্টিকে নির্যাতন, হয়রানি ছাড়াও ৮-১০ ঘণ্টা আটকে রেখে দেশে ফেরত পাঠায় ইত্তেহাদ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। এরপর ২০১১ সালের ২ জুলাই এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে এ নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠান। কিন্তু নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় ২০১১ সালেল ১৩ জুলাই হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করা হয়।