বিএসটিআই’র আইনজীবীকে বিভ্রান্তি না ছড়াতে হাইকোর্টের নির্দেশ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
হাইকোর্ট

হাইকোর্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

পাস্তুরিত তরল দুধ নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের (বিএসটিআই) আইনজীবীকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

‘পাস্তুরিত তরল দুধ নিয়ে আদালতের সন্তোষ’ বিএসটিআই’র আইনজীবীর বরাতে গণমাধ্যমে এমন তথ্য আসায় অসন্তোষ প্রকাশ করে এ নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী রোববার এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

আদালত বিএসটিআই-এর আইনজীবী ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসানকে উদ্দেশে করে বলেছেন, এই প্রতিবেদন নিয়ে আমরা কোন আদেশ বা মতামত প্রকাশ করিনি। অথচ আপনি গণমাধ্যমের সামনে আদালতের সন্তোষ প্রকাশের কথা বললেন। আপনার এই বক্তব্যের পর প্রাণ গ্রুপ গণমাধ্যমে হাইকোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে তাদের পণ্যের গুণগান প্রচার করছে। এই দুধ খেয়ে যদি কেউ অসুস্থ হয় তার দায় কে নেবে?

পরে আদালতের আদেশ ছাড়া কোন বক্তব্য গণমাধ্যমে না দিতে তাকে মৌখিক নির্দেশ দেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ।

এর আগে সোমবার (৮ জুলাই) পাস্তুরিত তরল দুধ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদ ও বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের দেওয়া প্রতিবেদন হলফনামা আকারে জমা দিতে বলেন আদালত।

মঙ্গলবার বিএসাটআই’র আইনজীবী একটি খামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রতিবেদন জমা দিতে চাইলে আদালত তা গ্রহণ না করে ওই নির্দেশ দেন। গত ৩০ জুন পাস্তুরিত দুধ নিয়ে ঢাবির প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল।

‘বাজারে থাকা ৭৫ শতাংশ পাস্তুরিত দুধেই ভেজাল’ আন্তর্জাতিক উদারাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) গবেষণা সূত্রে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে রিট করেন আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ।

২০১৮ সালের ২১ মে বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের নিয়ে কমিটি করে বাজারে থাকা পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। খাদ্য ও স্বাস্থ্য সচিব এবং বিএসটিআই’র মহাপরিচালককে দেওয়া ওই নির্দেশের পর গত ২৫ জুন বিএসটিআই’র আইনজীবী ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মিল্ক ভিটা, প্রাণ ও আড়ংসহ ১৪টি ব্যান্ডের ১৮টি পাস্তুরিত দুধে ক্ষতিকারক উপাদান পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন :