টিএমএসএসসহ ৩ প্রতিষ্ঠানকে এলপিজির ছাড়পত্র দেওয়ার নির্দেশ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
হাইকোর্ট

হাইকোর্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

মংলা শিল্পাঞ্চল এলাকায় ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘসহ (টিএমএমএস) তিনটি প্রতিষ্ঠানের এলপিজি কারখানাকে পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অন্য দুই প্রতিষ্ঠান হলো—বারাকা লিমিটেড ও ডেল্টা এলপিজি লিমিটেড।

আদেশে আদালত বলেছেন, সুন্দরবন সংলগ্ন প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকায় কতগুলো শিল্প কারখানা হবে সেটা নির্ধারণ করবে সরকার। ভবিষ্যতে সঙ্কটাপন্ন এলাকায় নতুন শিল্প স্থাপন বন্ধে কোন সিদ্ধান্ত নিতে এ রায় বাধা হবে না।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেন।

টিএমএমএস ২০১৬ সালে এলপিজি কারখানা স্থাপনে পরিবেশগত ছাড়পত্র পেতে আবেদন করে। সরকারের অপরাপর প্রতিষ্ঠানের অনুমতি পেলেও পরিবেশগত ছাড়পত্র পাচ্ছিল না। ২০১৮ সালের অক্টোবরে এলপিজি কারখানা স্থাপনে পরিবেশগত ছাড়পত্র না পাওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করে টিএমএমএস। এ রিটে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

শুনানিতে ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, টিএমএমএস একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। তারা পরিবেশগত ছাড়পত্র নিয়ে বোতলজাত এলপিজি কারখানা করতে চায়। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়পত্র দিচ্ছে না।

অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এর বিরোধিতা করে বলেন, এভাবে কারখানা করার ছাড়পত্র দেওয়া হলে সুন্দরবন থাকবে না। তিনি পরিবেশগত অবস্থা খতিয়ে দেখতে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে কমিটি গঠনের আদেশ চান। আদালত তাতে সাড়া না দিয়ে রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।

আপনার মতামত লিখুন :