হাইকোর্টের কার্যতালিকায় খালেদার জামিন আবেদন

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, পুরনো ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, পুরনো ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন হাইকোর্টের কার্যতালিকায় এসেছে।

বুধবারের (১১ সেপ্টেম্বর) কার্যতালিকায় ৩৭৪ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে আবেদনটি।

বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চের কার্যতালিকায় রয়েছে খালেদা জিয়ার করা এ জামিন আবেদন।

এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর (রোববার) একই বেঞ্চে জামিন আবেদনটি উপস্থাপন করা হলে তা গ্রহণ করে কার্যতালিকায় রাখার আদেশ দেন আদালত। ওই আদেশের ধারাবাহিকতায় আবেদনটি কার্যতালিকায় এসেছে।

ওইদিন আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, আইনজীবী নিতাই রায় চৌধুরী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন।

পরে ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, 'জামিন আবেদনটি ওপর চলতি সপ্তাহে শুনানি হতে পারে।'

গত ৩ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি জামিন চেয়ে আবেদন করেন খালেদা জিয়া।

গত ৩১ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন।

গত ১৮ নভেম্বর এ মামলায় সাত বছরের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। আপিলে বিচারিক আদালতের দেওয়া সাজার রায় বাতিল এবং মামলা থেকে খালাস চাওয়া হয়।

এর আগে গত ২৯ অক্টোবর ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আখতারুজ্জামান এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মামলার বাকি সব আসামিকে একই সাজা দেওয়া হয় এবং ট্রাস্টের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের ঘোষণা করেন আদালত।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর সাবেক এপিএস জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার এপিএস মনিরুল ইসলাম খান।

আপনার মতামত লিখুন :