Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গৃহহীন পরিচয়ে অর্থ সংগ্রহ করে মাদক সেবন

গৃহহীন পরিচয়ে অর্থ সংগ্রহ করে মাদক সেবন
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একজন গৃহহীনের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে তার কল্যাণে ব্যয় করবে এটি তো মহৎ উদ্যোগ। এই মহৎ উদ্যোগগুলো মানুষের চোখে পড়লে অনুপ্রাণিত হয়ে সেখানে অর্থ দান করে। কিন্তু সবসময় কি সেই অর্থ যার জন্য সংগ্রহ করা হচ্ছে তার পকেটে যায়? নাকি সংগ্রহকারীরা এই অর্থ দিয়ে নিজেদের পকেট ভারি করে?

তবে কিছু সময় সংগৃহীত অর্থ দুঃস্থের কাছে পৌঁছালেও অনেক সময় এই অর্থ উত্তোলনকারীদের পকেটেও যায়। আবার অনেকে ‘ভুয়া’ দুঃস্থ মানুষ সেজেও অর্থ সংগ্রহ করে।

এমন এক ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। ২০১৭ সালের দিকে জনি ববিট নামে এক গৃহহীন মার্কিন নাগরিকের জন্য সর্বসাধারণের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় কেইট ম্যাকলুর, মার্ক ও ডি-অ্যামিকো।

২০১৭ সালের নভেম্বরের পর থেকে অর্থ সংগ্রহ করে প্রায় চার লাখ মার্কিন ডলার সংগ্রহ করে তারা। অর্থ সংগ্রহের এই ক্যাম্পেইনে বেশ উৎসাহের সাথে মানুষ দান করে। দানের পেছনে মূল কারণ জনি ববিট একজন সাবেক মার্কিন মেরিন সদস্য।

কিন্তু এই গৃহহীন মানুষটির জন্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় তিন কোটিরও বেশি টাকা সংগৃহীত হলেও নিজের পাওনাটা পায়নি ববিট। এই বিষয়ে সাবেক মেরিন সদস্য আদালতের দ্বারস্থ হন।

এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে প্রসিকিউটর স্কট কফিনা বলেন, ‘অর্থ সংগ্রহের পুরো ক্যাম্পেইনটা মিথ্যা উপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা’।

২০১৭ সালের দিকে অর্থ সংগ্রহ শুরু করলেও এটা সম্পূর্ণ মিথ্যার উপর ভিত্তি করে এই টাকা সংগ্রহ করা হয়। মূলত মাদক সেবনের জন্য ববিটকে ব্যবহার করে এই অর্থ উত্তোলন করা হয়। তিনজনের এই চক্রটিতে সবাই মারাত্মকভাবে মাদকাসক্ত।

মূলত মাদকের টাকা সংগ্রহের জন্য তিনজন মিলে টাকা সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে সেগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগ ভাটোয়ারা করে নিজেদের নেশা চালিয়ে যেতে থাকে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়। কিন্তু ববিট ভাগের টাকা যথার্থভাবে না পাওয়াতে থলের বিড়াল আস্তে আস্তে বের হওয়া শুরু করে।

তবে আদালতে বিচারের প্রার্থনা করলেও ববিট এখন কারাগারে বন্দী রয়েছেন। শেষ পর্যন্ত বিচার প্রক্রিয়া শেষে দোষী সাব্যস্ত হলে তিনজনকেই ১০ বছরের কারা ভোগ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

চীনা ছাত্রী হত্যাকারী মার্কিন যুবকের যাবজ্জীবন

চীনা ছাত্রী হত্যাকারী মার্কিন যুবকের যাবজ্জীবন
চীনা ছাত্রী জাং জিনজিয়াং/ ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক চীনা ছাত্রীকে অপহরণ ও হত্যার অপরাধে এক মার্কিন পিএইচডি শিক্ষার্থীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আদালত।

আসামি ব্রেন্ডট ক্রিস্টেনসেনকে মৃতুদণ্ড দেওয়া হবে কিনা এই সিদ্ধান্তে একমত হতে পারেনি বিচারকদের জুরি বোর্ড। পরে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালের জুনে ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চীনা শিক্ষার্থী জাং জিনজিয়াংকে অপহরণ করে ক্রিস্টেনসেন। পরে জাং জিনজিয়াংকে বেসবলের ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে ক্রিস্টেনসেন এবং জাং জিনজিয়াংয়ের মাথা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলে। শরীরের আলাদা করা অংশ আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

শিকাগোর দক্ষিণ-পশ্চিমের পিউরিয়ায় অনুষ্ঠিত পাঁচ সপ্তাহব্যাপী বিচার কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জাং জিনজিয়াংয়ের বাবা-মা ও বাগদত্তা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563537807568.gif
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মার্কিন যুবক ক্রিস্টেনসেন/ ছবি: সংগৃহীত

 

চীনা কর্মকর্তাদের সামনেই এই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। রায়ে ক্রিস্টেনসেনকে মৃতুদণ্ড না দেওয়ায় চীনজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ক্রিস্টেনসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট জজ জেমস শহিদ বলেন, ‘ক্রিস্টেনসেনের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড বর্ণনা করার মতো না।’ রায় অনুযায়ী ক্রিস্টেনসেনের কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বিচারক আরও বলেন যে, জাংয়ের শরীরের অবশিষ্ট অংশ কোথায় আছে তা হয়তো তার পরিবার আর নাও জানতে পারে।

রায় ঘোষণার সময় ক্রিস্টেনসেন কোনো কথা বলেনি। এদিকে জাংয়ের বাবা বঙ্গাও জাং গণমাধ্যমকে বলেন যে, জাংয়ের দেহাবশেষ ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত তার পরিবার শান্তি পাবে না।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক
নেতাকর্মীদের নিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তরপ্রদেশে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১০ জন খুন হওয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়ার পথে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রা গ্রামে জমি নিয়ে সংঘর্ষের জেরে ১০ জন নিহত হয়। তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে যাচ্ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু মাঝপথে তাকে আটক করা হয়। উত্তরপ্রদেশে অপরাধ বৃদ্ধি ও আইনের শাসন নেই বলে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনা করেন প্রিয়াঙ্কা।

আটকের পর মির্জাপুরে এসে রাস্তায় বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা। তার সঙ্গে থাকা অন্য কংগ্রেসের কর্মীরাও বসে পড়েন। তাদের ঘিরে থাকেন প্রিয়াঙ্কার নিরাপত্তারক্ষীরা। সেখান থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে আটক করে সরকারি গাড়িতে তোলা হয়।

এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রিয়াঙ্কা বলেন, 'যাদেরকে নির্মমভাবে মেরে ফেলা হয়েছে আমি শুধু তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম। আমার ছেলের বয়সী একটি ছেলেকেও গুলি করা হয়েছে এবং সে এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। আমাকে বলুন, কোন আইনে আমাকে এভাবে আটকে দেয়া হল।'

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রিয়াঙ্কা সেখানে যাওয়ার সোনভদ্রায় যেকোনো ধরনের সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

প্রিয়াঙ্কার দাবি, তাকে বলা হয়েছে তিনি গাড়ি করে বারানসি থেকে সোনভদ্রা যেতে পারবেন না। সরকারি গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, 'আমি জানি না তারা আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। আমরা যেকোনো জায়গায় যেতে রাজি।'

শুক্রবার সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা আসন বারানসিতে পৌঁছান প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সেখান থেকে তিনি সোনভদ্রা কাণ্ডে আহতদের দেখতে স্থানীয় হাসপাতালে যান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র