Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

রয়টার্সের ২ সাংবাদিকের আপিল খারিজ

রয়টার্সের ২ সাংবাদিকের আপিল খারিজ
মিয়ানমারে সাজাপ্রাপ্ত রয়টার্সের দুই সাংবাদিক/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের আপিল খারিজ করেছেন মিয়ানমারের একটি আদালত। আন্তুর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে আপিল খারিজের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দুই রিপোর্টার ওয়া লোন (৩২) ও কিয়া সু (২৮)-কে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন মিয়ানমারের একটি আদালত।

রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার এই  বিচারে যথেষ্ট স্বচ্ছতা না থাকায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

কিন্তু এই মামলার রায় প্রদানকারী বিচারক অং নিয়াং কারাদণ্ডের সাজাকে যথাযথ উল্লেখ করেছেন। রায়ে তিনি বলেছেন, ‘দুই সাংবাদিককে নির্দোষ প্রমাণে আসামিপক্ষ যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ দিতে পারেনি।’

দাফতরিক কিছু কাগজপত্র বহনের দায়ে দুই রিপোর্টারকে গ্রেফতার করা হয়, যা তাদেরকে পুলিশের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা হয়েছিল।

ওয়া লোন ও কিয়া সু’কে এমন সময় গ্রেফতার করা হয় যখন উত্তর মিয়ানমারের রাখাইনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং নিপীড়নের মাধ্যমে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছিল।

শুক্রবার আদালতের আপিল খারিজের আদেশের পর রয়টার্সের এডিটর ইন চিফ স্টিফেন জে এডলার এই আদেশকে আরেকটি অবিচার বলে উল্লেখ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘রিপোর্টিং কোনো অপরাধ নয়। যতক্ষণ মিয়ানমার এই ভুল না শোধরাবে ততক্ষণ মিয়ানমারের গণমাধ্যম মুক্ত হবে না।’

আদালতের এ আদেশের পর মিয়ানমারের আইন অনুযায়ী এই দুই সাংবাদিক এখন বিচারিক আদালতের বিরুদ্ধে দেশটির সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে পারবেন। তবে এই আপিলও ছয় মাসের মধ্যে শেষ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। গ্রেফতারের পর থেকে এক বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে রয়েছেন ওয়া লোন ও কিয়া সু।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে রাখাইনের ইন দীন গ্রামে সেনাবাহিনী কর্তৃক ১০ রোহিঙ্গা নাগরিককে হত্যার ঘটনা তদন্ত করছিলেন রয়টার্সের এই দুই রিপোর্টার।

কিন্তু এ রিপোর্ট প্রকাশের আগেই তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। যে কাগজপত্র সাথে বহনের দায়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়, তা তাদেরকে সরবরাহ করেন পুলিশের একজন সদস্য। একটি রেস্তোঁরায় ডেকে নিয়ে তাদেরকে এই কাগজপত্র সরবরাহ করার আগে ঐ পুলিশ সদস্যকে তারা চিনতেন না।

আপনার মতামত লিখুন :

৯০ কেজি ওজনের ব্যক্তির নিচে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

৯০ কেজি ওজনের ব্যক্তির নিচে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত

নিজের বাড়ির সামনে ঘুমিয়ে ছিলেন ষাটোর্ধ্ব মদন লাল। হঠাৎ পাশের ভবন থেকে তার ওপর পড়েন ৯০ কেজি ওজনের এক ব্যক্তি। আর এতেই মৃত্যু হয় মদন লালের। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দক্ষিণ দিল্লিতে।

দেশটির সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গত শনিবার (২২ জুন) দক্ষিণ দিল্লির ললিতা কলোনির বাসিন্দা মদন লাল তার বাড়ির সামনে একটি রিকশা ভ্যানে ঘুমিয়ে ছিলেন। পাশের বাড়ির তিনতলা থেকে তার উপর পড়ে যান ৯০ কেজি ওজনের রবিন্দর। এতে মৃত্যু ঘটে মদন লালের।

দিল্লি পুলিশের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মদন লাল ঘুমিয়ে থাকায় তার শরীরে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে। তার ঘাড় ভেঙে গেছে। এছাড়া শরীরের ভেতরেও আঘাত লেগেছে তার।

এ ঘটনায় রবিন্দর নিজেও আঘাত পেয়েছেন। তিনতলা থেকে নিচে পড়ায় তার শরীরের কিছু স্থানেও আঘাত লেগেছে। এছাড়া তার চোখের আশেপাশে কেটে গেছে।

এ ঘটনার পর রবিন্দর পালিয়ে যান। তবে পুলিশের কাছে ধরা পড়ার পর তিনি জানান, ঐ রাতে ছাদের উপর তিনি মোবাইলে কথা বলছিলেন। ছাদের দেয়ালে বসে কথা বলতে বলতে হঠাৎ দুর্ঘটনাবশত তিনি নিচে পড়ে যান।

ঘটনার কিছুক্ষণ আগে মদন লাল তার নাতনির সঙ্গে খেলা করছিলেন। পরে শিশুটি ঘুমিয়ে পড়ায় তিনি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে বাইরে যান। রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে তিনি তার রিকশা ভ্যানে ঘুমিয়ে পড়েন।

মদন লালের প্রতিবেশী নিখাত টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানান, তিনি অনেক জোরে শব্দ শুনতে পান। মনে করেছিলেন মদন লালের উপর কোনো দেয়াল ভেঙে পড়েছে। কিন্তু তিনি দেখতে পান, একটা মোটা মানুষ, যিনি হয়তো মদ্যপ ছিলেন। তিনি নড়াচড়া করতে পারছিলেন না।

তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো রকম মদন লালকে সেখান থেকে বের করে পাশের হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

ইউরোপে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছাড়াতে পারে

ইউরোপে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছাড়াতে পারে
ছবি: সংগৃহীত

জুন মাস থেকে ইউরোপজুড়ে গ্রীষ্মের শুরু হয়। ইউরোপে গ্রীষ্মে তাপমাত্রা মোটামুটি স্বাভাবিক থাকে। ঝড় কিংবা বন্যা ইউরোপবাসীকে ভোগালেও তাপমাত্রার সহনীয়তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখে। তবে এবারের গ্রীষ্ম বেশ ভয়ানক বার্তা নিয়ে আসছে এই মহাদেশের মানুষদের জন্য। তাপমাত্রা ছাড়াতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি বিশ্ব জুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের নমুনা।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার (২০ জুন) প্যারিসে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। প্রতিবারের মতো গোটা ইউরোপে গ্রীষ্মের দিনগুলোতে হালকা ঝড়, বন্যা কিংবা শিলাবৃষ্টি হতে দেখা যায়। কিন্তু তাপমাত্রার এমন নাটকীয় পরিবর্তনে ফলে ইউরোপ বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়তে পারে।

রোববার (২৩ জুন) থেকে স্পেন জুড়ে হলুদ সতর্কতা সংকেত দেখানো হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, আটলান্টিক মহাসাগরের বৃহৎ অংশজুড়ে সৃষ্ট ঝড় গ্রাস করতে পারে মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপকে।

ইউরোপে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছাড়াতে পারে

এই সপ্তাহ ধরে মাদ্রিদ, প্যারিস, বেলজিয়াম, ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং বার্লিনে সর্বনিম্ন ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পড়তে পারে। রাতে ও তাপমাত্রার বিশেষ কোনো পরিবর্তন হবে না।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, জার্মানিতে বুধ ও বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করার সম্ভাবনা আছে।

একই সঙ্গে ফ্রান্সের আবহাওয়া অধিদফতর সতর্ক করে বলেন, আগামীকাল থেকেই ৩৫ থেকে ৪৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা পড়তে পারে।

গত বছর জুলাই এবং আগস্টে ফ্রান্সে অস্বাভাবিক তাপমাত্রার কারণে এক হাজার ৫০০ মানুষের মৃত্যু হয়। এরই ধারাবাহিকতাই ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যাগনেস বুজিন হাসপাতাল এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র