Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ধর্নায় বসেছেন মমতা

ধর্নায় বসেছেন মমতা
ধর্মঘটে বসেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় / ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সারদা কেলেঙ্কারির ঘটনায় কলকাতার পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই’র তল্লাশির চেষ্টার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেছেন (ধর্মঘট) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ঘটনায় তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ বিরুদ্ধে সাংবিধানিক অভ্যুত্থানের অভিযোগ তোলেন।

কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার সংবাদে জানানো হয়েছে, কলকাতা পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে সিবিআইয়ের তল্লাশি অভিযানের প্রেক্ষিতে এ ধর্মঘটে বসেছেন তিনি। রোববার বিকেলে হঠাৎ কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যায় সিবিআই। এসময় কমিশনারের বাড়িতে মোতায়েন পুলিশ সদস্যরা তাদেরকে বাধা দেন।

শুধু বাধা দেয়াই নয় কলকাতা পুলিশের সঙ্গে রীতিমত ধাক্কাধাক্কি শুরু হয় সিবিআই কর্মকর্তাদের। এমন সময় কলকাতা পুলিশ জোরপূর্বক সিবিআই কর্মকর্তাদের গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনা শোনার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে যান। তিনি সেখানে গিয়ে মোদি আর অমিত শাহের বিরুদ্ধে বাংলায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে অবস্থান ধর্মঘটে বসে পড়েন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্যে করে মমতা বলেন, ‘মোদি পাগল হয়ে গিয়েছেন৷ ওরা জানে আর ক্ষমতায় ফিরবে না৷ ক্ষমতা হারানোর ভয়ে এ সব করছে৷ সর্বত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারির চেষ্টা করছে৷ কেউ মাথা নত করবেন না৷ ওরা বিভেদের রাজনীতি করছে৷ প্রতিহিংসার রাজনীতি৷ রাজনৈতিক ভাবেই এর মোকাবিলা হবে৷ কেউ অবরোধ করবেন না৷ মানুষের সমস্যা হবে৷ প্ররোচনায় পা দেবেন না৷'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/04/1549247554462.jpg

ধর্মঘট থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য তৃণমূলকে পথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নরেন্দ্র মোদী ও শাসক বিজেপির হাত থেকে দেশ ও সংবিধান বাঁচাতে সোমবার দুপুর ২ টা থেকে বিকেলে ৪ টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মিছিল করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন অনেক নেতা। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু টুইটারে লিখেছেন, ‘এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সংবিধান ও যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থাকে রক্ষা করতে নেমেছেন। আমরা তার পাশে আছি।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া টুইটারে লিখেছেন, ‘পুলিশ কমিশনারকে গ্রেফতার করতে সিবিআই হানা বাংলায়! এই মুহূর্তে সেখানে যা হচ্ছে, তাতে হতবাক আমি। জরুরি অবস্থার সময় এরকম অসাংবিধানিক আচরণ ঘটত। এই মুহূর্তে বাংলার পরিস্থিতি সেরকমই।’

অপরদিকে ওই ঘটনায় রোববার রাতে কলকাতার নিজাম প্যালেসে অফিসারদের নিয়ে বৈঠক করেন সিবিআইয়ের যুগ্ম অধিকর্তা পঙ্কজ শ্রীবাস্তব। সিবিআইয়ের পরবর্তী অধিকর্তা ঋষিকুমার শুক্লা সোমবার দায়িত্ব নেওয়ার পরেই সংস্থার আধিকারিকদের হেনস্থার কথা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চীন ও জাপানের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পেরে এখন বিপাকে মিয়ানমার। এই দুই দেশ ছাড়াও আরও প্রায় ২০টি দেশ ও সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে দেশটি।

যৌথ পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রতিবেদনে এসব উল্লেখ করেছে।

কমিটি বলেছে স্বরাষ্ট্র, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচ; পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও শিল্প এসব খাতে ১০.২ বিলিয়ন ডলারের বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার।

এর আগের অর্থ বছরের চেয়ে এ বছর ঋণ নেওয়ার হার বেড়েছে ১১.৫ শতাংশ যা প্রায় এক বিলিয়ন ডলার সমমূল্য অর্থ।

২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চীন থেকে সর্বোচ্চ ৪ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে যা দেশটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, শিল্প, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচখাতে ব্যয় হয়েছে।

এদিকে, মিয়ানমার জাপানের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে। অন্যান্য ঋণদাতাদের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ভারত, থাইল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের মতো বহুপক্ষীয় সংস্থার যোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ও শিল্পখাতে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার। এ সুদের হার ২.৫ থেকে ৪.৫ শতাংশ। উচ্চতর সুদের হার ও মিয়ানমারে নিম্নমূল্যের মুদ্রা দেশের উপর একটি ভারী বোঝা সৃষ্টি করেছে। এই জাতীয় ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত বলে কমিটি সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে উচ্চতর সুদের হার, দুর্বল কায়াত এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের কারণে সরকারী অর্থায়নে ক্ষতি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, শিল্প মন্ত্রকের অধীনে বেশ কিছু ব্যর্থ প্রকল্প রয়েছে যারা ঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও সেচের জন্য বিতরণের পরে কর্পোরেট প্রশাসনকে শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু এটি না করার ফলে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে।

'ভারতের যুদ্ধ বিমান মিগ-এর মতো পুরনো গাড়িও চালানো হয় না'

'ভারতের যুদ্ধ বিমান মিগ-এর মতো পুরনো গাড়িও চালানো হয় না'
ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল বিএস ধানোয়া, ছবি: সংগৃহীত

ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল বিএস ধানোয়া বলেন, 'ভারতীয় বিমানবাহিনী এখনও ৪৪ বছরের পুরনো মিগ-২১ (MiG-21 fighter jets) যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে, যখন কেউ এমন পুরনো গাড়িও চালাচ্ছে না। যেখানে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানও উন্নত এফ-১৬ জেট ব্যবহার করছে, সেখানে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে মূল হাতিয়ার হিসেবে চার দশকের পুরনো যুদ্ধবিমানগুলি এখনও ব্যবহার করে চলেছে ভারত।' 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানায়, মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ভারতীয় বিমানবাহিনীর আধুনিকীকরণ ও দেশীয়করণ সম্পর্কিত এক সেমিনারে বক্তব্য রাখার সময় এসব কথা বলেন তিনি।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের পাশে বসেই এমন মন্তব্য করেন দেশটির এয়ার চিফ মার্শাল  বিএস ধানোয়া।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566308577608.jpg
 মিগ-২১ যুদ্ধ বিমান

 

তিনি আরও বলেন, 'এ বছরেই রাশিয়ান ফাইটার জেটের প্রাথমিক সংস্করণটি পর্যায়ক্রমে বাতিল করা শুরু হবে। আশা করি, আগামী সেপ্টেম্বরেই শেষবারের মতো ওড়ানো হবে এ রাশিয়ান যুদ্ধবিমান।' 

ভারতের তৈরি উপাদান ব্যবহার করে সংস্কারের কারণে বিমানটি গত কয়েক দশক ধরে ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছিল। যেখানে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ৯৫ শতাংশেরও বেশি উপাদান ভারতে তৈরি হয়। রাশিয়ানরাও যেখানে মিগ ওড়াচ্ছে না, কিন্তু আমরা ওড়াতে পারছি কারণ আমাদের নিজেদের সংস্কারের সুবিধা রয়েছে।' 

এদিকে সম্প্রতি ভারতের সংসদে মিগ-২১ যুদ্ধবিমান গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার ভেঙে পড়ে বলে মন্তব্য করা হয়। ভারত তার সংগ্রহে থাকা ৮৭২টি মিগ বিমানের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি হারিয়েছে বলেও সংসদে তথ্য দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র