Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ইথিওপিয়ান বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৫৭ জনের মৃত্যু

ইথিওপিয়ান বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৫৭ জনের মৃত্যু
ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের সংগৃহীত ছবি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কেনিয়ার নাইরোবিতে যাওয়ার সময় ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স ৭৩৭ বোয়িং উড়োজাহাজটি ১৫৭ জন নিয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। প্লেনটি ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবা শহর থেকে নাইরোবির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। প্লেনটিতে ১৪৯ জন যাত্রী ও ৮ জন কেবিন ক্রু ছিলেন। উড়োজাহাজে থাকা ৩৩ দেশের ১৫৭ জনের সবাই নিহত হয়েছেন।

উড়োজাহাজটি স্থানীয় সময় সকাল ৮ টা ৩৮ মিনিটে আকাশে উড়াল দেয়। উড্ডয়নের ৬ মিনিটের মাথায় সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স জানায়, তাদের শিডিউল ফ্লাইট ইটি-৩০২ আদ্দিস আবাবা থেকে নাইরোবি যাওয়ার প্রাক্বালে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। উড়োজাহাজটিতে ১৪৯ জন যাত্রী ও ৮ জন কেবিন ক্রু ছিল। তারা ১৪৯ জনের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে।

তারা আরও জানায়, ‘উড়োজাহাজ উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে'।

এদিকে, এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র জানিয়েছে, উড়োজাহাজের যাত্রীসহ সকলেই মারা গেছে।

৩৩ দেশের মধ্যে কেনিয়ার নাগরিক ৩২ জন, কানাডার নাগরিক ১৮ জন, ইথিওপিয়ার ৯ জন নাগরিক, চিনের নাগরিক ৮ জন, ইতালীর নাগরিক ৮ জন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৮ জন নাগরিক, ব্রিটিশ নাগরিক ৭ জন, ফ্রান্সের নাগরিক ৭ জন, নেদারল্যান্ডের নাগরিক ৫ জন, ইউএন পাসপোর্ট ধারী ৪ জন, ভারতীয় নাগরিক ৪ জন, রাশিয়ার নাগরিক ৩ জন, মরোক্কোর নাগরিক ২ জন, ইজরাইলের নাগরিক ২ জন, বেলজিয়ান নাগরিক ১ জন, উগান্ডার নাগরিক ১ জন, ইয়েমেনের নাগরিক ১ জন, সুদানের নাগরিক ১ জন, তগোর নাগরিক ১ জন, মোজাম্বিক এর নাগরিক ১ জন ও নরওয়েজিয়ান নাগরিক ১ জন নিহত হয়েছেন।

এই ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের অফিস থেকে টুইট করে বলা হয়েছে, ‘ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স ৭৩৭ বোয়িং বিধ্বস্তের ঘটনায় আমরা হতাহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক জানাচ্ছি।’

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র