Alexa

পুলিশ হেফাজতে শিক্ষকের মৃত্যু: কাশ্মীরে বিক্ষোভ

পুলিশ হেফাজতে শিক্ষকের মৃত্যু: কাশ্মীরে বিক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ হেফাজতে শিক্ষক রিজওয়ান আসাদ পন্ডিতের (২৮) মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর। স্থানীয় পুলওয়ামা এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন কয়েক হাজার মানুষ। ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট সেবা।

পুলিশের হেফাজতে ওই শিক্ষকের মৃত্যুর প্রতিবাদে ভারত-শাস্তি কাশ্মীরে বুধবার (২০ মার্চ) অবরোধ ডেকেছেন কাশ্মীরের স্বাধীনতাপন্থী নেতারা। ইতোমধ্যে অবন্তিপুর ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। রিজওয়ান এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষোভ শুরু করেন কাশ্মীরের মানুষ। শ্রীনগরের বেশ কিছু অংশ বিক্ষোভের কারণে বন্ধ থাকে। অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়। বিক্ষোভ ঠেকাতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। তবে এতে বেশ কিছু মানুষ আহত হলেও নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/20/1553048116663.jpg
রিজওয়ান আসাদ পন্ডিত

 

এক বিবৃতির মাধ্যমে রিজওয়ানের মৃত্যুর খবর জানায় পুলিশ। তাদের দাবি, ওই শিক্ষককে সন্ত্রাসের মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আটক করা হয়েছিল। এর মধ্যে গত সোমবার (১৮ মার্চ) কারাগারে মারা যান তিনি। পরদিন তার মৃত্যুর খবর পরিবারকে জানানো হয়।

রিজওয়ানের পরিবার জানায়, গত রোববার (১৭ মার্চ) মধ্যরাতে স্থানীয় অবন্তিপুর গ্রামে তাদের বাড়ি থেকে তার রিজওয়ানকে আটক করে পুলিশ। তখন তারা বলেছিল- শিগগিরই তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তিনি স্থানীয় বেসরকারি একটি স্কুলের রসায়নের শিক্ষক ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/20/1553048145064.jpg

রিজওয়ানের ভাই মুবাশ্বির আসাদ বলেন, ঠাণ্ডা মাথায় আমার ভাইকে খুন করেছে পুলিশ। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি, যদিও জানি এতে কিছুই হবে না। আমরা এখানে ২০ বছর ধরে পুলিশের তদন্ত দেখে আসছি।

উল্লেখ্য, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ভারতীয় আধা সামরিক বাহিনী সিআরপিএফ -এর গাড়িবহরে আত্মঘাতী হামলায় বাহিনীটির অন্তত ৪০ সদস্য নিহত হন। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মোহাম্মদ হামলার দায় স্বীকার করে। এই ঘটনার জেরে ভারতীয় দেখা দেয়। পরে আন্তর্জাতিক মহল আর দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের পদক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। পুলওয়ামায় ওই হামলার তদন্ত করতেই রিজওয়ানকে আটক করা হয়েছিল।

সূত্র: আল জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন :