Alexa

থাইল্যান্ড নির্বাচনে এগিয়ে সামরিক জান্তা সরকার

থাইল্যান্ড নির্বাচনে এগিয়ে সামরিক জান্তা সরকার

ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা, ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম

থাইল্যান্ডের বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচনে এগিয়ে রয়েছে সেনা সমর্থিত রাজনৈতিক দল পালাং প্রাচারাত পার্টি (পিপিআরপি)। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হয়নি।

তবে প্রাথমিক ফলাফল অনুসারে, দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতা পেতে যাচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচা।

রোববার (২৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের ৯০ শতাংশ ভোট গণনা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে জান্তা সমর্থক পালাং প্রাচা রাথ পার্টি পেয়েছে ৭৬ লাখ ভোট। তাদের চেয়ে প্রায় পাঁচ লাখ ভোট কম পেয়েছে বিরোধী দল থাই রাকসা চার্ট পার্টি।

এরই মধ্যে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন পিটিপির সাধারণ সম্পাদক ফুমথাম ওয়েচায়াচাই। তিনি জানিয়েছেন, তার দল পূর্ণাঙ্গ ফলাফলের অপেক্ষা করবে। তারা বাতিল করা ও নষ্ট হওয়া ব্যালট যাচাই করতে চায়।

সামরিক শাসনের অধীনে পাঁচ বছর থাকার পর এটাই প্রথম সাধারণ নির্বাচন। ২০১৪ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর হওয়া এই নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ৫ কোটি ভোটার। তবে এবারের নির্বাচন যে জান্তা সরকারের মেয়াদ বাড়ানোর একটি প্রচেষ্টা মাত্র সেই ইঙ্গিত আগেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৬৮ জন। তাদের মধ্যে নারী রয়েছেন ৮ জন। প্রায় পাঁচ কোটি ১৪ লাখ ভোটারের জন্য দেশজুড়ে ৯৩টি পোলিং স্টেশনে ভোটগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার সমর্থিত পিয়ু থাই পার্টি ২০০১ সালের পর অনুষ্ঠিত দেশটির সবকটি নির্বাচনে জয়লাভ করেছিল। এবারের নির্বাচনকে মূলত বর্তমান জান্তা সরকার ও সামরিক শাসনবিরোধী গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছিল।

থাইল্যান্ডের পার্লামেন্ট ৭৫০ সদস্যের এবং দুই কক্ষ বিশিষ্ট। ক্ষমতা দখলের পর সেনাবাহিনীর শাসন ব্যবস্থায় কিছু মৌলিক পরিবর্তন এনেছে। ২০১৬ সালে জারি করা নিয়মে ২৫০ আসনের উচ্চ কক্ষ সিনেটের সদস্যরা সেনাবাহিনীর নিয়োগকৃত। অপরদিকে ৫০০ আসনের নিম্ন পরিষদের সদস্যরা ভোটে নির্বাচিত।

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতে হলে পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের মিলিতভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন পাওয়ার নিয়ম। সুতরাং সামরিক সমর্থিত প্রার্থী নিম্ন পরিষদে মাত্র ১২৬ জন সদস্যের সমর্থন পেলেই নির্বাচিত হতে পারবেন।

থাকসিন সিনাওয়াত্রা ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০০৬ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে স্বেচ্ছা নির্বাসনে আছেন।

তার বোন ইংলাক সিনাওয়াত্রা পরে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হন। ২০১৪ সালে ইংলাককেও ক্ষমতাচ্যুত করে সামরিক বাহিনী। এরপর জান্তা সরকারের প্রধানমন্ত্রী হন প্রায়ুথ চ্যান ওচা।

থাকসিন নির্বাসনে থাকা অবস্থাতেই দলটিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

এই নির্বাচনকে ইতোমধ্যে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে মনে করছেন দেশটির বিশ্লেষকরা। এতে করে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আরও বাড়বে বলে মত দিয়েছেন তারা।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

লোক নেই, ভরসা গাধা

লোক নেই, ভরসা গাধা

ভারতের মেরেকেটে ভোটারের সংখ্যা মাত্র ৭০০। আর এই ৭০০ লোকের ভোট দেয়া নির্ভর করে ৪টি গাধার উপর। পেন্নাগারামের ধর্মপ...