Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফিলিস্তিনে সাহায্য বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের

ফিলিস্তিনে সাহায্য বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের
সেন্ট্রাল ডেস্ক ৪


  • Font increase
  • Font Decrease
শান্তিচুক্তির আলোচনায় ‘অনিচ্ছুক’ ফিলিস্তিনিদের সাহায্য বন্ধের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, সাহায্যের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরণের ‘কৃতজ্ঞতা কিংবা সম্মান পাচ্ছে না’। মঙ্গলবার একটার টুইটার বার্তায় এসব বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ডিসেম্বরে এক বিতর্কিত ঘোষণায় জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন ট্রাম্প; তেল আবিব থেকে দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ারও ঘোষণা দেন তিনি। এ ঘোষণার পরপরই নতুন করে সহিংসতা শুরু হয় ফিলিস্তিনে। যুক্তরাষ্ট্রের এ অবস্থানে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় ফিলিস্তিন। শান্তি প্রক্রিয়ায় মার্কিনিদের আর ‘নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে না বলেও জানায় তারা। এদিকে নতুন বছরের শুরুতে পাকিস্তানেও সাহায্য বন্ধের ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প; কোটি কোটি ডলার সাহায্যের বিনিময়ে দেশটির কাছ থেকে ‘মিথ্যা ও প্রতারণা’ ছাড়া আর কিছুই মেলেনি বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ওই টুইটের ধারাবাহিকতায় ফিলিস্তিনকেও সাহায্য বন্ধের হুমকি দেন তিনি। টুইট বার্তায় তিনি জানান “কেবল পাকিস্তানই নয়, যাদেরকে কোনো কারণ ছাড়াই কোটি কোটি ডলার দিয়েছি আমরা। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, ফিলিস্তিনিদের আমরা প্রতিবছর কয়েকশ কোটি ডলার দিয়েও কোনো কৃতজ্ঞতা বা সম্মান পাচ্ছি না। তারা ইসরায়েলের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা শান্তি আলোচনায়ও আগ্রহ দেখাচ্ছে না।” জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ায় শান্তি আলোচনা শুরু হলে তেল আবিবকে ছাড় দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। “আলোচনার সবচেয়ে জটিল অংশ জেরুজালেমকে আমরা টেবিল থেকে সরিয়ে নিয়েছি; এর জন্য ইসরায়েলকে আরও ছাড় দিতে হবে। কিন্তু যেখানে ফিলিস্তিনিরা শান্তি চুক্তি নিয়ে কথা বলতেই আগ্রহী নয়, কেন আমরা তাদের পেছনে কাড়ি কাড়ি টাকা ঢালবো?,” মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেওয়া টুইটে বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।  
আপনার মতামত লিখুন :

চীনা ছাত্রী হত্যাকারী মার্কিন যুবকের যাবজ্জীবন

চীনা ছাত্রী হত্যাকারী মার্কিন যুবকের যাবজ্জীবন
চীনা ছাত্রী জাং জিনজিয়াং/ ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক চীনা ছাত্রীকে অপহরণ ও হত্যার অপরাধে এক মার্কিন পিএইচডি শিক্ষার্থীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আদালত।

আসামি ব্রেন্ডট ক্রিস্টেনসেনকে মৃতুদণ্ড দেওয়া হবে কিনা এই সিদ্ধান্তে একমত হতে পারেনি বিচারকদের জুরি বোর্ড। পরে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালের জুনে ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চীনা শিক্ষার্থী জাং জিনজিয়াংকে অপহরণ করে ক্রিস্টেনসেন। পরে জাং জিনজিয়াংকে বেসবলের ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে ক্রিস্টেনসেন এবং জাং জিনজিয়াংয়ের মাথা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলে। শরীরের আলাদা করা অংশ আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

শিকাগোর দক্ষিণ-পশ্চিমের পিউরিয়ায় অনুষ্ঠিত পাঁচ সপ্তাহব্যাপী বিচার কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জাং জিনজিয়াংয়ের বাবা-মা ও বাগদত্তা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563537807568.gif
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মার্কিন যুবক ক্রিস্টেনসেন/ ছবি: সংগৃহীত

 

চীনা কর্মকর্তাদের সামনেই এই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। রায়ে ক্রিস্টেনসেনকে মৃতুদণ্ড না দেওয়ায় চীনজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ক্রিস্টেনসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট জজ জেমস শহিদ বলেন, ‘ক্রিস্টেনসেনের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড বর্ণনা করার মতো না।’ রায় অনুযায়ী ক্রিস্টেনসেনের কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বিচারক আরও বলেন যে, জাংয়ের শরীরের অবশিষ্ট অংশ কোথায় আছে তা হয়তো তার পরিবার আর নাও জানতে পারে।

রায় ঘোষণার সময় ক্রিস্টেনসেন কোনো কথা বলেনি। এদিকে জাংয়ের বাবা বঙ্গাও জাং গণমাধ্যমকে বলেন যে, জাংয়ের দেহাবশেষ ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত তার পরিবার শান্তি পাবে না।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক
নেতাকর্মীদের নিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তরপ্রদেশে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১০ জন খুন হওয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাওয়ার পথে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রা গ্রামে জমি নিয়ে সংঘর্ষের জেরে ১০ জন নিহত হয়। তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে যাচ্ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু মাঝপথে তাকে আটক করা হয়। উত্তরপ্রদেশে অপরাধ বৃদ্ধি ও আইনের শাসন নেই বলে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনা করেন প্রিয়াঙ্কা।

আটকের পর মির্জাপুরে এসে রাস্তায় বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা। তার সঙ্গে থাকা অন্য কংগ্রেসের কর্মীরাও বসে পড়েন। তাদের ঘিরে থাকেন প্রিয়াঙ্কার নিরাপত্তারক্ষীরা। সেখান থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে আটক করে সরকারি গাড়িতে তোলা হয়।

এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রিয়াঙ্কা বলেন, 'যাদেরকে নির্মমভাবে মেরে ফেলা হয়েছে আমি শুধু তাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম। আমার ছেলের বয়সী একটি ছেলেকেও গুলি করা হয়েছে এবং সে এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। আমাকে বলুন, কোন আইনে আমাকে এভাবে আটকে দেয়া হল।'

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রিয়াঙ্কা সেখানে যাওয়ার সোনভদ্রায় যেকোনো ধরনের সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

প্রিয়াঙ্কার দাবি, তাকে বলা হয়েছে তিনি গাড়ি করে বারানসি থেকে সোনভদ্রা যেতে পারবেন না। সরকারি গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, 'আমি জানি না তারা আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। আমরা যেকোনো জায়গায় যেতে রাজি।'

শুক্রবার সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা আসন বারানসিতে পৌঁছান প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সেখান থেকে তিনি সোনভদ্রা কাণ্ডে আহতদের দেখতে স্থানীয় হাসপাতালে যান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র