ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ফের প্রত্যাখান মের প্রস্তাব

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে/ ছবি: বার্তা২৪.কম

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে/ ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রিটেনের ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের চুক্তি তৃতীয় বারের মতো প্রত্যাখ্যান করেছে দেশেটির পার্লামেন্ট। ফলে এখন ব্রিটেনকে হয়তো কোনো চুক্তি ছাড়াই ১২ এপ্রিলের মধ্যে ইউরোপিয় ইউনিয়ন (ইইউ) ত্যাগ করতে হবে।

এতে ব্রিটেনের অর্থনীতির গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ ও ব্রেক্সিট-বিরোধীরা।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষ হাউজ অব কমন্সে থেরেসা মের চুক্তিটি উত্থাপন করা হয়। এতে পক্ষে ২৮৬ ও বিপক্ষে ৩৪৪ ভোট পড়ে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্রেক্সিটের জন্য এটিই ছিল একমাত্র চুক্তি, যাতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতাদের সাথে ব্রিটেনের মতৈক্য হয়েছিল।

এর আগে ব্রিটেনের সামনে সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল যে, একটা চুক্তির ভিত্তিতে যদি ইইউ ত্যাগ করতে হয় তাহলে ২৯ মার্চের মধ্যেই সেটা পার্লামেন্টে পাস করাতে হবে।

থেরেসা মের আনা চুক্তিটিই শুধু পার্লামেন্টে পাস হয়নি তা নয়, তার আগে যেসব বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তাব পার্লামেন্টে তোলা হয়েছিল সেগুলোর কোনোটাই পাস হয়নি।

এদিকে ব্রেক্সিট সমর্থকদের একাংশ বলছেন, থেরেসা মের চুক্তিতে যে ব্যাকস্টপ পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে, তাতে উত্তর আয়ারল্যান্ড ও ব্রিটেনের বাকি অংশ, এই দুইয়ের জন্য দুই নিয়ম চালু হবে।

তাদের মতে, এক দেশে দুই নিয়ম থাকতে পারে না এবং এর ফলে উত্তর আয়ারল্যান্ড কার্যত যুক্তরাজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। ব্রিটেন আইনের মারপ্যাঁচে পড়ে কখনোই ইইউ থেকে বেরুতে পারবে না।

পার্লামেন্টে থেরেসা মের প্রস্তাব হেরে যাবার পর বিরোধীদল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলছেন, ‘মিসেস মে যদি তার প্রস্তাবে পরিবর্তন আনতে না চান, তাহলে তাকে পদত্যাগ করতে হবে।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘মিসেস মের প্রস্তাবটি পার্লামেন্টে পাস না হবার পর এখন অনেক কিছুই ঘটতে পারে।’

আপনার মতামত লিখুন :