Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা নিয়ে ভারতে বাংলাদেশি অভিনেতা গাজী নুর

মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা নিয়ে ভারতে বাংলাদেশি অভিনেতা গাজী নুর
বাংলাদেশি অভিনেতা গাজী আবদুন নুর/ ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
কলকাতা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

অভিনয় করার ভিসা (ওয়ার্কিং ভিসা) নিয়ে ভারতে গিয়ে রাজনৈতিক প্রচারে সম্পৃক্ত হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের নজরে ছিলেন জি-বাংলার 'করুণাময়ী রাণী রাসমণি' সিরিয়ালের অভিনেতা বাংলাদেশি গাজী আবদুন নুর। অভিনেতা ফেরদৌসের পাশাপাশি একই ধরণের ভিসা নিয়ে ভারতে এসেছিলেন নুর। সেই তথ্য জমা পড়েছিল ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

এরপর বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানা গেছে, শুধু রাজনৈতিক প্রচার নয়, অভিনেতা গাজী নুরের বৈধ ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও তিনি বেআইনিভাবে ভারতে অবস্থান করছেন।

এর আগে কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতার সঙ্গে প্রচার মিছিলে দেখা গিয়েছিল নুরকে। জি-বাংলার রাণী রাসমণির স্বামীর ভূমিকায় অভিনয় করে ইতোমধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন গাজী আবদুন নুর। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, দমদমে তৃণমূলে প্রার্থী সৌগত রায়ের হয়ে প্রচারণায় অংশ নেন এই বাংলাদেশি অভিনেতা।

যদিও নুর জানিয়েছিলেন তিনি তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী মদন মিত্রকে একটি জিনিস দিতে গিয়েছিলেন। তিনি জানতেন না সেখানে ভোটের প্রচার হচ্ছে। মদন মিত্র সেই একই কথা জানিয়েছিলেন।

এর আগে রাজনৈতিক প্রচারে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ায় ভারত ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল নায়ক ফেরদৌসকে।

নুরের ভিসা কতো দিন আগে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে সেই তথ্য জানা যায়নি। ভারতের নিয়ম অনুসারে অবৈধভাবে বসবাস করলে সেই ব্যক্তিকে জরিমানা দিয়ে দেশ ছাড়তে হয়। বিষয়টি বাংলাদেশ হাইকমিশনকে জানিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

গাজী নুরের কোনো জরিমানা হবে কিনা তা জানা যায়নি। ফেরদৌসের পর গাজী নুরকে নিয়ে ভারতের সংবাদ মাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ফলে আলোচনা শুরু হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারনা, এই বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করতে চলছে। এর জন্য বাড়তি সুযোগ পেতে পারে বিজেপি। 

ভারতীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খুব স্বাভাবিকভাবে বিদেশি সেলিব্রেটিদের এই ধরণের প্রবণতা তৃণমূলের বিরোধীদলগুলোকে রসদ জোগাবে। শুধু তাই নয়, বেআইনিভাবে পূর্ব ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গে বসবাস ও অনুপ্রবেশের যে বিষয়টি বিজেপি প্রায়ই অভিযোগ করে থাকে, সেই অভিযোগের পালেও নতুনভাবে হাওয়া যোগাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি ঋণের ভারে মিয়ানমারের অর্থনীতি নুয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চীন ও জাপানের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পেরে এখন বিপাকে মিয়ানমার। এই দুই দেশ ছাড়াও আরও প্রায় ২০টি দেশ ও সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছে দেশটি।

যৌথ পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রতিবেদনে এসব উল্লেখ করেছে।

কমিটি বলেছে স্বরাষ্ট্র, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচ; পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও শিল্প এসব খাতে ১০.২ বিলিয়ন ডলারের বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার।

এর আগের অর্থ বছরের চেয়ে এ বছর ঋণ নেওয়ার হার বেড়েছে ১১.৫ শতাংশ যা প্রায় এক বিলিয়ন ডলার সমমূল্য অর্থ।

২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চীন থেকে সর্বোচ্চ ৪ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে যা দেশটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, শিল্প, কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং সেচখাতে ব্যয় হয়েছে।

এদিকে, মিয়ানমার জাপানের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়েছে। অন্যান্য ঋণদাতাদের মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, ভারত, থাইল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের মতো বহুপক্ষীয় সংস্থার যোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ ও শিল্পখাতে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়েছে মিয়ানমার। এ সুদের হার ২.৫ থেকে ৪.৫ শতাংশ। উচ্চতর সুদের হার ও মিয়ানমারে নিম্নমূল্যের মুদ্রা দেশের উপর একটি ভারী বোঝা সৃষ্টি করেছে। এই জাতীয় ঋণ গ্রহণের সিদ্ধান্ত সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত বলে কমিটি সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে উচ্চতর সুদের হার, দুর্বল কায়াত এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের কারণে সরকারী অর্থায়নে ক্ষতি হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, শিল্প মন্ত্রকের অধীনে বেশ কিছু ব্যর্থ প্রকল্প রয়েছে যারা ঠিক সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও সেচের জন্য বিতরণের পরে কর্পোরেট প্রশাসনকে শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু এটি না করার ফলে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে।

'ভারতের যুদ্ধ বিমান মিগ-এর মতো পুরনো গাড়িও চালানো হয় না'

'ভারতের যুদ্ধ বিমান মিগ-এর মতো পুরনো গাড়িও চালানো হয় না'
ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল বিএস ধানোয়া, ছবি: সংগৃহীত

ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল বিএস ধানোয়া বলেন, 'ভারতীয় বিমানবাহিনী এখনও ৪৪ বছরের পুরনো মিগ-২১ (MiG-21 fighter jets) যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে, যখন কেউ এমন পুরনো গাড়িও চালাচ্ছে না। যেখানে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানও উন্নত এফ-১৬ জেট ব্যবহার করছে, সেখানে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে মূল হাতিয়ার হিসেবে চার দশকের পুরনো যুদ্ধবিমানগুলি এখনও ব্যবহার করে চলেছে ভারত।' 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানায়, মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ভারতীয় বিমানবাহিনীর আধুনিকীকরণ ও দেশীয়করণ সম্পর্কিত এক সেমিনারে বক্তব্য রাখার সময় এসব কথা বলেন তিনি।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের পাশে বসেই এমন মন্তব্য করেন দেশটির এয়ার চিফ মার্শাল  বিএস ধানোয়া।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566308577608.jpg
 মিগ-২১ যুদ্ধ বিমান

 

তিনি আরও বলেন, 'এ বছরেই রাশিয়ান ফাইটার জেটের প্রাথমিক সংস্করণটি পর্যায়ক্রমে বাতিল করা শুরু হবে। আশা করি, আগামী সেপ্টেম্বরেই শেষবারের মতো ওড়ানো হবে এ রাশিয়ান যুদ্ধবিমান।' 

ভারতের তৈরি উপাদান ব্যবহার করে সংস্কারের কারণে বিমানটি গত কয়েক দশক ধরে ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছিল। যেখানে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ৯৫ শতাংশেরও বেশি উপাদান ভারতে তৈরি হয়। রাশিয়ানরাও যেখানে মিগ ওড়াচ্ছে না, কিন্তু আমরা ওড়াতে পারছি কারণ আমাদের নিজেদের সংস্কারের সুবিধা রয়েছে।' 

এদিকে সম্প্রতি ভারতের সংসদে মিগ-২১ যুদ্ধবিমান গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার ভেঙে পড়ে বলে মন্তব্য করা হয়। ভারত তার সংগ্রহে থাকা ৮৭২টি মিগ বিমানের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি হারিয়েছে বলেও সংসদে তথ্য দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র