Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভারতে লোকসভা নির্বাচন

বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ

বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ
ইভিএম-এ ভোট দিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের ভোটাররা/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
কলকাতা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শেষ হয়েছে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় দফায় পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ মিলিয়ে কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত তথা বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক।

তবে রাজ্যের তিনটি নির্বাচনী কেন্দ্রের বেশ কয়েকটি জায়গায় বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়। দার্জিলিং জেলার চোপড়ায় ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে স্থানীয় বাসিন্দারা।

অপরদিকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) বিভ্রাটের মুখে পড়তে হয় রায়গঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী দীপা দাশ মুন্সিকে। ঐ কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিমের গাড়ি ভাঙচুর করে দুষ্কৃতিকারীরা।

এছাড়া রাজ্যের একটি সাংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টার ও ক্যামেরা পারসন ভোটদানে বাধার খবর সংগ্রহ করতে গেলে তাদের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে বলেই জানা গেছে। এছাড়া শাসক দলের বিরুদ্ধে কয়েকটি বুথে ভোটদানে বাধা দেওয়ারও অভিযোগ করে বিরোধীরা।

স্থানীয় সময় বিকাল ৫টায় ভোটগ্রহণ সমাপ্ত হয়। ঐ সময় পর্যন্ত পাওয়া খবরে পশ্চিমবঙ্গে ভোট পড়েছে ৭৬ শতাংশ। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভারতের বাকি রাজ্যেগুলোতেও ভোটদানের পরিমাণ ছিল আশানুরূপ।

বিকাল ৫টা পর্যন্ত আসামে ভোট পড়েছে ৭৪ শতাংশ, বিহারে ভোট পড়েছে প্রায় ৫৮ শতাংশ, ছত্তিসগড়ে ভোট পড়েছে ৬৯ শতাংশ, জম্মু-কাশ্মীরে ৪৪ শতাংশ, কর্ণাটকে ৬১ শতাংশ ও মহারাষ্ট্রে ভোট পড়েছে প্রায় ৫৫ শতাংশ।

বাকি রাজ্যগুলোর মধ্যে মনিপুর ও উড়িষ্যায় ভোট পড়েছে যথাক্রম ৭৫ এবং ৫৮ শতাংশ। এছাড়া দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে তামিলনাড়ুতে ভোট পড়েছে ৬২ শতাংশ এবং উত্তরপ্রদেশ ও পন্ডিচারীতে ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৫৮ এবং ৭৫ শতাংশ।

তবে পশ্চিমবঙ্গ বাদে ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকে বিশৃঙ্খলার কোনো খবর সেভাবে পাওয়া যায়নি। তৃতীয় দফার ভোটদান অনুষ্ঠান হবে ২৩ এপ্রিল। ঐদিন ভারতের ১৪টি রাজ্য, ১১৫টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

হংকং ইস্যু: ইউটিউবের ২১০ চ্যানেল বন্ধ ঘোষণা

হংকং ইস্যু: ইউটিউবের ২১০ চ্যানেল বন্ধ ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

চীনের প্রস্তাবিত প্রত্যর্পণ বিলের বিরুদ্ধে হংকংয়ে গত ৯ জুন থেকে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ মিছিল। সর্বস্তরের মানুষ এ বিক্ষোভে সমবেত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষ এ বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনায় দেশটির বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। সম্প্রতি এ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউবের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে ভুল তথ্য অপপ্রচারের ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ইউটিউব ২১০টি চ্যানেল বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, ফেসবুক ও টুইটারের পরই ইউটিউব ২১০টি চ্যানেল বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। যেখানে চ্যানেলগুলো 'ভুয়া তথ্য' ও ভিডিও প্রকাশের দায়ে হংকংয়ের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে অন্যদিকে পরিচালিত করার চেষ্টা করছিল।

আরও পড়ুন: হংকংয়ে পার্লামেন্ট ভবন ভাঙচুর

গুগলের নিরাপত্তা কর্মকর্তা শেন হান্টলি একটি ব্লগ পোস্টে বলেন, ফেসবুক ও টুইটারের পর ইউটিউবের যেসব চ্যানেলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তারা সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল।

এদিকে গত মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) হংকং বিক্ষোভ নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানোর দায়ে ৯৩৬টি টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে ফেসবুকের ৭টি পেজ, ৩টি গ্রুপ ও ৫টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: হংকং বিমানবন্দরের ফ্লাইট বাতিল

এ নিয়ে টুইটার কর্তৃপক্ষ জানায়, চীনের বেশ কিছু অ্যাকাউন্ট ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে যা আন্দোলনকে অন্যদিকে ত্বরান্বিত করছে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষও এ নিয়ে দেওয়া এক বরাতে বলেন, বন্ধ করে দেওয়া গ্রুপ ও পেজ গুলো ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে আসছিল।

দু'মাসের বেশিদিন ধরে চলা হংকংয়ের এ বিক্ষোভ ক্রমশই বড় আকার ধারণ করছে। বর্তমানে এ বিক্ষোভ হংকং সরকার বিরোধী আন্দোলন হিসেবে রূপ নিয়েছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) হংকংয়ে বিক্ষোভকারীরা এক সমাবেশে র‍্যালির আয়োজন করে। সেখানে বিক্ষোভকারী সংগঠন দাবি করেন রোববারের এ সমাবেশে ১৭ লাখের বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। তবে হংকং সরকারের হিসেব অনুযায়ী এক লাখ ২৮ হাজারের মতো মানুষ এ বিক্ষোভে সমবেত হয়।

আরও পড়ুন: হংকংয়ে বিক্ষোভ: ক্যারি ল্যামের পদত্যাগ দাবি

গণবিক্ষোভের মুখে হংকংয়ে সরকারি দফতর বন্ধ ঘোষণা

চীনের প্রত্যর্পণ বিলের প্রতিবাদে নতুন ‘আমব্রেলা মুভমেন্ট’

 

ভারত-পাকিস্তান রাজি হলে কাশ্মীর ইস্যুতে আগ্রহী ট্রাম্প

ভারত-পাকিস্তান রাজি হলে কাশ্মীর ইস্যুতে আগ্রহী ট্রাম্প
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (মাঝে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

২৪ থেকে ২৬ আগস্ট ফ্রান্সের বিয়ারিৎসে অনুষ্ঠিত ৪৫ তম জি সেভেন সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মুখোমুখি হবেন। জানা গেছে, সেখানে ট্রাম্প কাশ্মীর নিয়ে যে আঞ্চলিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনে মোদির পরিকল্পনা জানতে চাইবেন।

ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে ভারত পাকিস্তানের মধ্যে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ওয়াশিংটন।

হোয়াইট হাউসের ওই বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছ থেকে জানতে চাইবেন আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাস ও কাশ্মীরে মানবাধিকার রক্ষা করতে ভারতের পরিকল্পনা। আমরা দুই দেশের মধ্যে বাকবিতণ্ডা বন্ধ করে শান্ত ও সংযমী থাকার আহ্বান জানিয়েছি। এছাড়া দুই দেশ একমত হলে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানকে "সহায়তা করতে প্রস্তুত" ট্রাম্প। কারণ ডোনাল্ড ট্রাম্প কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত আগ্রহী।

২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে অঞ্চলটিকে দুই ভাগ করে ভারত। ওই দিন থেকে কার্যত অচলাবস্থার মধ্যে নিমজ্জিত হয় কাশ্মীর উপত্যকা। এরপর কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে মধ্যস্থতা করার জন্য দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলে ডোনাল্ড ট্রাম্প।পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কাশ্মীর নিয়ে সতর্ক হয়ে কথা বলারও আহ্বান জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র