Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কাশী বিশ্বনাথ মন্দির উদ্ধারে মোদির বিশাল কর্মযজ্ঞ

কাশী বিশ্বনাথ মন্দির উদ্ধারে মোদির বিশাল কর্মযজ্ঞ
কাশী বিশ্বনাথের মন্দির, ছবি: বার্তা২৪
খুররম জামান
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কাশী বিশ্বনাথের মন্দির প্রাঙ্গণ, বারানসি, উত্তর প্রদেশ থেকে: কাশী বিশ্বনাথের মন্দির উদ্ধারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশাল এক কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন। গঙ্গা থেকে অর্ধ মাইল দূরে এ মন্দিরটিকে সরাসরি দর্শনে সামনে ছোট ছোট মন্দির অটু্ট রেখে সব কিছুকেই গুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

বারানসি নিয়ে এক মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নেমেছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি এই বারানসি ১৮ বারের মতো পরিদর্শন করেছেন। এর মূল কারণ হলো- বারানসিকে বিশ্বের সর্বোত্তম আধ্যাত্মিক শহর হিসেবে গড়ে তোলা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555669536101.jpg

নরেন্দ্র মোদি মনে করেন, বারানসিতে একটি অনন্য শহর হওয়ার জন্য সব উপাদান আছে। দেশটির আধ্যাত্মিক রাজধানী বলা হয় বারানসিকে। বড় একটি আদর্শ পর্যটক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে এক বিশাল পরিবর্তন দরকার। বারানসি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী এলাকা। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরকে উদ্ধার করতে তিনি ২০০ থেকে আড়াইশ’ বছর আগের সব ভবন ভেঙে ফেলছেন। শুধু পুরনো মন্দিরগুলো থাকবে সেখানে। যত আবাসিক ভবন, দোকান, ব্যাবসা বাণিজ্যের ভবন আছে, সব ভাঙা হচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই- গঙ্গা থেকে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কাশী বিশ্বনাথের মন্দির যেন সরাসরি দেখা যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555669502025.jpg

এ নিয়ে শত বছরের ব্যবসা হারাতে হয়েছে হাজার মানুষের। মোদি ও উত্তর প্রদেশের সরকার সবাইকেই ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে। ক্ষোভ থাকলেও বারানসিকে সুন্দর করতে মোদির যে প্রচেষ্টা, তাতে সবাই সাধুবাদ জানাচ্ছেন।

হিন্দু পুরাণে এই মন্দিরটির উল্লেখ পাওয়া যায় বলে কথিত আছে। মন্দিরটি শৈব ধর্মের প্রধান কেন্দ্রগুলোর অন্যতম। অতীতে বহুবার এই মন্দির ধ্বংসপ্রাপ্ত ও পুনর্নির্মিত হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555669481451.jpg

মন্দিরের পাশে জ্ঞানবাপী মসজিদ রয়েছে। আদি মন্দিরটি এই মসজিদের জায়গাটিতেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়। মন্দির ও মসজিদ পাশাপাশি থাকায় এখানে যেন কোনোও উত্তেজনা না ছড়ায়, সেজন্য সর্বক্ষণ এ এলাকায় মোতায়েন রয়েছে নিরাপত্তা কর্মী। বর্তমান মন্দিরটি ১৭৮০ সালে ইন্দোরের মহারানী অহিল্যা বাই হোলকর তৈরি করে দেন। ১৯৮৩ সাল থেকে উত্তর প্রদেশ সরকার মন্দিরটি পরিচালনা করে আসছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555669464699.jpg

বারানসিকে আদর্শ শহর হিসেবে গড়ে তুলতে কতগুলো নীতির উপর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন মোদি। এগুলো হলো- অপরূপ কাশী, প্রগতিশীল কাশী, সুরক্ষিত কাশী, সংগঠিত কাশী ও নির্মল বা বিশুদ্ধ কাশী এবং ঐক্যবদ্ধ কাশী।

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, প্রধানমন্ত্রী মোদি বারানসির কাছে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। একটি সমৃদ্ধ পর্যটন শিল্প, যা ২৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার সব উপাদানই অনন্য শহরটিতে হতে চলেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555669452152.jpg

প্রতি বছর প্রায় ৬৫ লাখ পর্যটক বারানসি শহরে আসেন। শুধু মন্দির নয়, বারানাসি সিটি প্রকল্পের পুরোটাতেই মনোযোগ দেওয়া হয়েছে- এখনকার আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধি, পরিচ্ছন্নতা, ট্র্যাফিক ব্যবস্থা।

বারানসি সিটির এই প্রস্তাবের আনুমানিক ব্যয় দুই হাজার ৫২০ কোটি টাকা, যা ঘাট, অবকাঠামো ও ই-গভর্নেন্সের আওতায় এনে পুনরায় নির্মাণে ব্যয় করা হবে। এলাকার বিকাশের জন্য আনুমানিক এক হাজার ৬৫৯ কোটি রুপি বাজেট ধরা হয়েছে। ৫০০ কোটির বেশি রুপি দেওয়া হয়েছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ঘাট করিডর নির্মাণের জন্য। প্যান সিটি জন্য ৬১৮ কোটি রুপি বাজেট ধরা হয়েছে। ২০১৫ থেকে কাজ শুরু হয়েছে, যা শেষ হবে ২০২০ সালে।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র