Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগ

মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগ
ভোট দিতে গিয়ে এভাবেই গাড়ি নিয়ে প্রচারণা চালান মোদি, ছবি: সংগৃহীত
খুররম জামান
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দিল্লি থেকে: আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রোডশোতে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগ আমলে নিয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশন। এ সম্পর্কে গুজরাটের মুখ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি প্রতিবেদন চেয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মোদির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ জানানো হয়।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গুজরাটের মুখ্য নির্বাচনী অফিসারের কাছে আহমেদাবাদে মোদির রোডশো সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন চেয়েছে কমিশন। 

এই বিষয়ে সিনিয়র কংগ্রেসের নেতা অভিষেক মনু সিংভি বলেছেন, মোদির দীর্ঘ মিছিল ও বক্তব্য নির্বাচনী আচরণ বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।' গতকালই রোডশো নিয়ে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সংশয় প্রকাশ করা হয়।

গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি ছোট রোডশো করেন। যেখানে তিনি আজ ভোট দিতে গিয়েছিলেন। ভোট দেওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী একটি খোলা জিপে আসেন। রাস্তায় নেমে যান এবং সংক্ষিপ্ত একটি বক্তব্য দেন।

বক্তব্যে তিনি বলেন, 'সন্ত্রাসবাদের অস্ত্র আইডি, গণতন্ত্রের শক্তি ভোটার আইডি। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে ভোটার আইডি অনেক বেশি শক্তিশালী। সন্ত্রাসদের আইডির চেয়েও বেশি শক্তিশালী, তাই আমাদের ভোটের শক্তি বোঝা উচিত।'

ভারতের নির্বাচন আচরণ বিধিতে ভোটের দিন রোডশো করে ভোট দিতে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মোদি যখন ভোট দিতে গিয়েছিলেন তখন বিজেপি কর্মীরা তাকে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে স্বাগত জানায়। শুধু তাই নয় তারা মোদি মোদি আওয়াজ এমনভাবে তোলে যেন, নির্বাচনী প্রচার চলছে।

৫ মার্চ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই ভারতে আদর্শ আচরণ বিধি জারি হয়ে গিয়েছে। কোনো নেতা, দল, কেন্দ্রীয় বা কোনও রাজ্য সরকার নতুন কোনো প্রকল্প ঘোষণা বা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না। ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচারণা বন্ধ থাকবে।

১৯৬০ সালে কেরালায় বিধানসভা ভ‌োটে প্রথমবার প্রয়োগ করা হয় নির্বাচনী আচরণবিধি। ১৯৭৯ সাল থেকে ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশন সব ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়।

আপনার মতামত লিখুন :

আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত ৬৩

আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত ৬৩
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৮০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

খবরে বলা হয়, শহরের পশ্চিমে পাশে শিয়া মুসলিমদের ঘন বসতিপূর্ণ একটি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566111715635.jpg

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার (১৭ আগস্ট) বিয়ের অনুষ্ঠানে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে এ আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাতে নুসরাত রাহিমি বলেন, হামলাকারী অতিথিদের মধ্যে লক্ষ্য করে বোমা হামলা করেন। তবে অনুষ্ঠানে পুরুষ এবং মহিলাদের আলাদা বসার ব্যবস্থা ছিল। পুরুষ কক্ষের দিকে লক্ষ্যে করে বোমা হামলা করা হয়। এর ফলে প্রায় সব পুরুষ নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি মহিলা ও শিশু আহতদের সংখ্যাও বাড়তে পারে। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566111770833.jpg 

 

এদিকে এ হামলার দায় অস্বীকার করেছে দেশটির তালেবান জঙ্গিগোষ্ঠী।

দেশটির জঙ্গিসংগঠক ইসলামিক স্টেট গ্রুপও এ হামলার দায় অস্বীকার করে বলেন, 'আমরা এমন কোনো বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।'

এদিকে শুক্রবার (১৫ আগস্ট) পাকিস্তানের কোয়েটা শহরের কাছে একটি মসজিদে পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে তালেবান নেতা হাইবাতুল্লাহ নিহত হন। তার একদিন পর আফগানিস্তানে এ হামলা করা হয়।

 

স্যান্ডউইচ দিতে দেরি, ওয়েটারকে গুলি করলেন ক্রেতা

স্যান্ডউইচ দিতে দেরি, ওয়েটারকে গুলি করলেন ক্রেতা
প্যারিসের উপকণ্ঠের একটি রেস্তোরাঁ/ ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের প্যারিস শহরের উপকণ্ঠে এক রেস্তোরাঁয় স্যান্ডউইচ পরিবেশন করতে দেরি করায় রেস্তোরাঁর এক কর্মীকে (ওয়েটার) গুলি করে হত্যা করেছেন এক গ্রাহক।

ঘটনার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা শনিবার (১৭ আগস্ট) বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, স্যান্ডউইচ দিতে দিতে দেরি করায় রেগে গিয়ে ঐ গ্রাহক রেস্তোরাঁর কর্মীকে গুলি করেন।

সূত্র জানায়, প্যারিসের পূর্বে শহরতলীর নয়েজি-লে-গ্রান্ডে শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত গ্রাহক ঐ ওয়েটারের কাঁধে গুলি করেন। গুলির ঘটনার পর রেস্তোরাঁর অন্য কর্মীরা পুলিশে খবর দেন।

এরই মধ্যে গুলিবিদ্ধ ওয়েটারকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তার সহকর্মীরা। কিছুক্ষণ পর ঐ রেস্তোরাঁয় মারা যান ঐ ওয়েটার।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অস্ত্রধারী ঐ ব্যক্তি ওয়েটারকে একটি স্যান্ডউইচ আনতে বলেছিলেন। কিন্তু ওয়েটার স্যান্ডউইচ পরিবেশন করতে দেরি করায় চরমভাবে ক্ষিপ্ত হন অস্ত্রধারী ব্যক্তি। এক পর্যায়ে ওয়েটারকে গুলি করে পালিয়ে যান তিনি।

স্থানীয় পুলিশ বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানায়, এই ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। যদিও শনিবার পর্যন্ত ঐ অস্ত্রধারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

গুলির ঘটনার পর আশেপাশের মানুষজন রেস্তোরাঁয় ভিড় জমান। সকলের চোখে-মুখে বিস্ময় ছিল যে, একটি স্যান্ডউইচের জন্য ওয়েটারকে কেউ গুলি করতে পারে? কেউ বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

প্রত্যক্ষদর্শী এক নারী জানান, রেস্তোরাঁটিতে সব সময় সুনশান নীরবতা বিরাজ করত। কোনো সমস্যা ছিল না। মাত্র কয়েক মাস আগে রেস্তোরাঁটি খুলেছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র