Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পরের ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘ভায়ু’

পরের ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘ভায়ু’
ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়ের নামকরণ করে আটটি এশীয় দেশ/ ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আঞ্চলিক কমিটি ঝড়ের নামকরণ করে থাকে। ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়গুলোর নামকরণ করে থাকে আটটি দেশের একটি প্যানেল। দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও ওমান। যাদের বলা হয়- World Meteorological Organisation (WMO)/ Economic and Social Cooperation for Asia and the Pacific (ESCAP). ফণীর পরে ভারত মহাসাগরে যে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্ট হবে তার নাম হবে ‘ভায়ু’।

বিশ্ব আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালে এটি যখন যাত্রা শুরু করে তখন শুরুতে এ আঞ্চলিক সংস্থার সদস্য দেশের সংখ্যা ছিল ছয়টি। সেগুলো হলো, বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে মালদ্বীপ, ১৯৯৭ সালে ওমান, ২০১৬ সালে ইয়ামেন এবং ২০১৮ সালে ইরান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এর অন্তর্ভুক্ত হয়।

২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আটটি দেশের প্যানেল ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করে। প্রত্যেকটি দেশ ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য আটটি করে মোট ৬৪টি নাম প্রস্তাব করে। এরপর থেকে ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে ঐসব নাম ব্যবহার করা হয়।

ফণীর আগে সৃষ্ট ঘুর্ণিঝড়ের নামকরণে ইতোমধ্যে ৫৬টি নাম ব্যবহৃত হয়েছে। প্রত্যেকটি দেশের একটি করে নাম বাকি ছিল। বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘুর্ণিঝড়ের ‘ফণী’ নামকরণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দেওয়া ৮টি নামই ব্যবহৃত হলো। এখনও সাতটি নাম বাকি রয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী এর পরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে ‘ভায়ু’। এটি ভারতের দেওয়া নাম। বাকি ছয়টি নাম হলো হিক্কা, কায়ার, মাহা, বুলবুল, পাউয়ান ও আম্ফান।

কোনো নিম্নচাপ প্রতিঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার গতিবেগে ধাবিত হলে ঐসব ঝড়ের নামকরণ করা হয়। এর কম গতি হলে সেগুলোর নামকরণ হয় না। আবার নামকরণ করা হলেও অধিকাংশ ঘূর্ণিঝড় সমুদ্রে সৃষ্ট হয়ে সমুদ্রেই মিলিয়ে যায়। সিডর, নার্গিস, আইলা, মহাসেনের মতো যেসব ঘূর্ণিঝড় স্থলে আঘাত হানে, সাধারণ মানুষ শুধু সেসব ঘূর্ণিঝড়ের নাম শুনে থাকেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকার আটক করেছে ইরান

ব্রিটিশ তেলের ট্যাংকার আটক করেছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ একটি তেলের ট্যাংকার আটক করেছে ইরান। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের প্রতি সম্মান না দেখানোয় তেলের ট্যাংকারটি আটক করা হয়েছে। 

শনিবার (২০ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে বলে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন লঙ্ঘন করার দায়ে ব্রিটিশ ট্যাংকার 'স্টেনা ইমরো' আটক করা হয়েছে। ট্যাংকারটিতে তল্লাশি চালানো হবে বলেও জানা গেছে।

এদিকে তেলের ট্যাংকার আটকের ঘটনায় ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট বলেন, 'তেলের ট্যাংকার ফেরত না পাঠালে ইরানকে ভয়াবহ মাশুল গুনতে হবে।'

'স্টেনা ইমরো' জাহাজের মালিক কর্তৃপক্ষ জানায়, 'তারা তাদের জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না। জাহাজে ২৩ জন সদস্য ছিলো এবং এটি ইরানের হরমুজ প্রণালির উত্তর দিকে যাচ্ছিল।' 

চীনা ছাত্রী হত্যাকারী মার্কিন যুবকের যাবজ্জীবন

চীনা ছাত্রী হত্যাকারী মার্কিন যুবকের যাবজ্জীবন
চীনা ছাত্রী জাং জিনজিয়াং/ ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক চীনা ছাত্রীকে অপহরণ ও হত্যার অপরাধে এক মার্কিন পিএইচডি শিক্ষার্থীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আদালত।

আসামি ব্রেন্ডট ক্রিস্টেনসেনকে মৃতুদণ্ড দেওয়া হবে কিনা এই সিদ্ধান্তে একমত হতে পারেনি বিচারকদের জুরি বোর্ড। পরে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ২০১৭ সালের জুনে ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চীনা শিক্ষার্থী জাং জিনজিয়াংকে অপহরণ করে ক্রিস্টেনসেন। পরে জাং জিনজিয়াংকে বেসবলের ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে ক্রিস্টেনসেন এবং জাং জিনজিয়াংয়ের মাথা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলে। শরীরের আলাদা করা অংশ আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

শিকাগোর দক্ষিণ-পশ্চিমের পিউরিয়ায় অনুষ্ঠিত পাঁচ সপ্তাহব্যাপী বিচার কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জাং জিনজিয়াংয়ের বাবা-মা ও বাগদত্তা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563537807568.gif
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মার্কিন যুবক ক্রিস্টেনসেন/ ছবি: সংগৃহীত

 

চীনা কর্মকর্তাদের সামনেই এই বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। রায়ে ক্রিস্টেনসেনকে মৃতুদণ্ড না দেওয়ায় চীনজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠে।

ক্রিস্টেনসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট জজ জেমস শহিদ বলেন, ‘ক্রিস্টেনসেনের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড বর্ণনা করার মতো না।’ রায় অনুযায়ী ক্রিস্টেনসেনের কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বিচারক আরও বলেন যে, জাংয়ের শরীরের অবশিষ্ট অংশ কোথায় আছে তা হয়তো তার পরিবার আর নাও জানতে পারে।

রায় ঘোষণার সময় ক্রিস্টেনসেন কোনো কথা বলেনি। এদিকে জাংয়ের বাবা বঙ্গাও জাং গণমাধ্যমকে বলেন যে, জাংয়ের দেহাবশেষ ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত তার পরিবার শান্তি পাবে না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র