Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মৃতঘোষিত সাবেক সুদানিয়ান প্রতিরক্ষামন্ত্রী গোপন কারাগারে!

মৃতঘোষিত সাবেক সুদানিয়ান প্রতিরক্ষামন্ত্রী গোপন কারাগারে!
সুদানের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইব্রাহিম ছামসাদিনের মন্ত্রী থাকাকালীন ও বর্তমান অবস্থা/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আফ্রিকান দেশ সুদানের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী কর্নেল ইব্রাহিম ছামসাদিনের একটি হৃদয়বিদারক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সেখানে উল্লেখ করা হচ্ছে, স্বৈরশাসনের প্রতিবাদ করায় প্রায় ২৪ বছর আগে জেলে পাঠানো ইব্রাহিম ছামসাদিনকে সুদানের রাজধানী খার্তুমের একটি মাটির নিচের গোপন কারাগারে খুঁজে পাওয়া গেছে।

ছবিটিতে দেখা যায়, রোগা-মলিন চেহারায় অপুষ্টিতে ভোগা একজন বৃদ্ধ খালি শরীরে বালির উপর বসে আছেন। তার পরনে একটি জীর্ণশীর্ণ লুঙ্গি। অসহায় দৃষ্টিতে তিনি তাকিয়ে আছেন ক্যামেরার দিকে।

ছবিটিতে দেখা যায়, অন্ধকারে আলো ফেলে ছবি তোলা হয়েছে। সাবেক এই মন্ত্রীকে আটকে রাখা স্থানটি একটি গুহা। সেই সাথে ইব্রাহিম ছামসাদিনের ঘুমন্ত অবস্থার ছবিও প্রকাশ পায়। সেখানে দেখা যায়, এক টুকরো কাঠের উপর মাথা রেখে বালির উপর শুয়ে আছেন সুদানের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/05/1557034703294.gif
সুদানের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী কর্নেল ইব্রাহিম ছামসাদিন/ ছবি: সংগৃহীত

 

জানা যায়, সুদানের স্বৈরশাসক ওমর আল-বশির তার অবৈধ শাসনের প্রতিবাদ করায় ১৯৯৫ সালে দেশটির তৎকালীন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইব্রাহিম ছামসাদিনকে জেলে পাঠান।

শুধু তাই নয়, ২০০৮ সালে সুদান সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষণা করে যে, সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইব্রাহিম ছামসাদিন বিমান দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

আফ্রিকাভিত্তিক একাধিক সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুসারে, সম্প্রতি সুদানের রাজধানী খার্তুমের একটি মসজিদের আন্ডারগ্রাউন্ডে একটি গোপন কারাগারের খোঁজ পাওয়া যায়। সেখানে ইব্রাহিম ছামসাদিনকে খুঁজে পাওয়া যায়।

ইব্রাহিম ছামসাদিনের বর্তমান অবস্থার সাথে সাথে তার মন্ত্রী থাকাকালীন একটি ছবিও প্রকাশ করে আফ্রিকান গণমাধ্যমগুলো।

উল্লেখ্য, দেশটির সাবেক স্বৈরশাসক ওমর আল-বশির নিজেও বর্তমানে জেলখানায় আছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র