Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লোকসভা নির্বাচনে ‘চিনি’ ফ্যাক্টর

লোকসভা নির্বাচনে ‘চিনি’ ফ্যাক্টর
হাতির পিঠে করে ফসল পরিবহন করছেন দুই কৃষক/ছবি: সংগৃহীত
খুররম জামান
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শুনতে অবাক লাগলেও এবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘চিনি’। তাই তো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন উত্তর ভারতে নির্বাচনী প্রচারণায় যান, বিশেষ করে উত্তর প্রদেশে, তখন তিনি চিনিকে অন্যতম প্রধান খাদ্য হিসেবে মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তবে ভারতের অনেক অঞ্চলেই আখ চাষিরা সুগার মিলগুলোর কাছ থেকে পাওনা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছেন।

আর এ রাজ্যগুলো শাসন করে মোদির দল বিজেপি। যখন আখ চাষিরা বিক্ষোভ করে রেলপথ, সড়কপথ অবরোধ করেন, তখন মোদিকে বলতে হয়, 'আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, আপনাদের পাই পাই করে পরিশোধ করা হবে'।

এ অবস্থায় ভারতের নির্বাচনে চিনি রাজনীতি বিশাল ভূমিকা রাখছে। এটা অনেকটা ভোট ব্যাংকের মত কাজ করে। উত্তর প্রদেশ ও মহারাষ্ট্র মিলে ভারতের মোট ৬০ শতাংশ চিনি উৎপাদন করে। আর লোকসভায় এ রাজ্য দু’টির মোট সংসদীয় আসন ১২৮।

ভারতে লোকসভা নির্বাচনে ৫৪৩টি আসনের মধ্যে প্রায় ১৫০টি আসনের ভোট চিনি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। তাই মহারাষ্ট্রের চিনি কমিশনার শেখর গায়কয়েড বলেন, ‘চিনি সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফসল'।

ভারতের চিনি কলগুলো ৫০ লাখ আখ চাষির ১০০ কোটি ডলারের সমমূল্য বকেয়া রুপি পরিশোধ করতে পারছে না। অনেক সময় এ দেনা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ঝুলে থাকে। এদিকে, চিনিকলগুলোতে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে এক কোটি ২০ লাখ টন অবিক্রিত আখ।

অন্যদিকে, ভারতের চেয়ে বিশ্ব বাজারে চিনির দাম কম। ভারতে রাজনীতির কারণে থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিলের চেয়ে আখ চাষিদের বেশি অর্থ দিতে হয়। আর এ অর্থ দিতে হয় জনগণের করের টাকায়। তাই ক্ষতি হলেও রাতারাতি চিনি উৎপাদন বন্ধ করাও যায় না।

চিনি ভারতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা। ভারতে প্রায় ৫২৫টি চিনি কলে মৌসুমের সময় তিন কোটি টন চিনি উৎপাদন হয়। ব্রাজিলের পর ভারতই সবচেয়ে বেশি চিনি উৎপাদন করে।

বড় বড় মিলগুলো একত্রিত হয়েও অনেক অঞ্চলে চিনি উৎপাদন করে। শুধু ৫০ লাখ চাষি নয়, এ খাতে কোটি মানুষ মিল ফ্যাক্টরি ও চিনি পণ্য বহনের সঙ্গে যুক্ত। ভারতে চিনির ভোক্তা রয়েছে প্রচুর। বিশেষ করে মিষ্টান্ন তৈরিতে অনেক চিনি প্রয়োজন হয়। কোমল পানীয় তৈরিতেও প্রচুর চিনি প্রয়োজন হয়। যদিও তা স্থুলতা সৃষ্টির জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন
শীলা দীক্ষিত, ছবি: সংগৃহীত

দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার ৮১ বছর বয়স হয়েছিল।

শনিবার (২০ জুলাই) দিল্লির ফর্টিস এসকর্ট হার্ট ইনস্টিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

দেশটির গণমাধ্যম জানায়, শীলা দীক্ষিত বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মৃত্যুর খবর জানায় তার পরিবার।

এবারের অনুষ্ঠিতব্য লোকসভা নির্বাচনেও উত্তর-পূর্ব দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শীলা দীক্ষিত। তবে পরাজিত হন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেত্রী।

১৯৯৮, ২০০৩ এবং ২০০৮ সালে পরপর তিন বার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হন শীলা দীক্ষিত। বর্তমানে তিনি দিল্লি কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।

শীলা দীক্ষিতের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে কংগ্রেস পরিবারে। শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। 

এদিকে, শোকপ্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং। 

অন্যদিকে, এক টুইট বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।

যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপদাহ, আক্রান্ত হচ্ছে কানাডাও

যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপদাহ, আক্রান্ত হচ্ছে কানাডাও
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে তীব্র তাপদাহ ছড়িয়ে পড়েছে। আহাওয়াবিদরা বলছেন, কিছু কিছু জায়গায় তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাবে। কানাডার কিছু অংশ এই তাপদাহে আক্রান্ত হতে পারে। 

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, তীব্র তাপদাহে যুক্তরাষ্ট্র ও আশে পাশের দেশের ২০০ মিলিয়ন মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, বস্টনের পূর্ব উপকূলে। চলতি মাসে, যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় আর্কটিক সার্কেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তাপদাহ কলোরাডো এবং কানসাস থেকে প্রসারিত হয়ে দেশজুড়ে আরো তীব্র আকার ধারণ করবে।

ইতোমধ্যে পূর্ব উপকূলের বেশিরভাগ এলাকায় তাপমাত্রা বেড়েছে। দেশটির আবহাওয়া অফিস (এনডব্লিউএসএস) তাপদাহে আক্রান্ত এলাকাগুলোর মানচিত্র প্রকাশ করেছে। তারা বলছেন, "সপ্তাহজুড়েই তাপদাহ থাকবে, তাই সবাইকে সতর্ক ও সাবধানে থাকতে হবে।"

নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও তীব্র তাপদাহের কারণে স্থানীয় জরুরি অবস্থা জারি করেন। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, গরমের তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। এটি খুবই গুরুতর বিষয়। শুক্রবার তাপমাত্রা বেড়েছে, শনিবার আরও বাড়বে, রোববার তা তীব্র আকার ধারণ করবে।

এই অবস্থায় নিউইয়র্কবাসীকে গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি মোকাবিলার আহ্বান জানিয়ে বিল ডি ব্লাসিও বলেন, ঠান্ডা স্থানে থাকুন এবং বাইরে গরম জায়গায় যাবেন না। নিউইয়র্কে ৫০০ "শীতল কেন্দ্র" খেলা হয়েছে। অন্যান্য শহরেও এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে তীব্র তাপদাহে কানাডার কুইবেক, অন্টারিও এবং নোভা স্কটিয়া প্রদেশে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার টরোন্টোতে দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অফিস।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তাপমাত্রার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র