Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

পুলিশের পাহারায় যে বাদামের চাষ হয়

পুলিশের পাহারায় যে বাদামের চাষ হয়
ইতালির সিসিলি দ্বীপের পেস্তা বাদাম/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ইতালির দ্বীপ সিসিলিতে চাষাবাদ হয় বিশ্বের সবচেয়ে দামি সবুজ পেস্তা বাদাম। সিসিলির ব্রন্তে এই বাদাম চাষের জন্য বিখ্যাত। প্রতি দুই বছরে একবার এই বাদামের চাষ হয়।

কিন্তু অবাক হওয়ার বিষয় হলো দ্বীপটিতে পুলিশ পাহাড়ায় এই পেস্তা বাদামের চাষ করা হয়। দ্বীপটির সক্রিয় আগ্নেয়গিরি এটনার ঢালে চাষ হয় এই বিরল প্রজাতির বাদামের।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রন্তের পুলিশ কর্মকর্তা নিকোলাস মোরান্ডি বলছেন যে, তিনি ও তার সহকর্মীরা আগামী সেপ্টেম্বরের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কারণ এ সময়টায় পেস্তা বাদাম চাষের মুখ্য সময়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/19/1558236613589.jpg

নিকোলাস বিবিসিকে জানান, সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পুলিশ পাহারা দেয়। প্রয়োজনে তারা পুলিশের হেলিকপ্টারও পাহারার কাজে ব্যবহার করেন।

ব্রন্তে শহরের এটনা পর্বতের ঢালে প্রায় তিন হাজার হেক্টর জায়গা জুড়ে এই পেস্তা বাদামের চাষ হয়। যদিও ব্রন্তেতে জন্মানো পেস্তা বাদাম সারা বিশ্বে জন্মানো পেস্তা বাদামের মাত্র এক শতাংশ, তারপরও এটি সবচেয়ে দামি।

এটাকে অনেকে বলে সিসিলির সবুজ স্বর্ণ। এক কেজি পেস্তা বাদামের দাম ১৭ দশমিক চার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় এক হাজার ৪০০ টাকা। সিসিলির এই পেস্তা বাদামের দাম যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানে উৎপাদিত পেস্তা বাদামের দামের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ।

সিসিলির স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা এনরিক কিম্বালি জানান, ব্রন্তের নির্দিষ্ট এলাকায় ২৩০ জন স্বীকৃত কৃষক রয়েছেন, যারা পেস্তা বাদামের চাষ করেন। তাদের চাষকৃত এই বাদামের স্বাদ অনেক এবং সেগুলোর উজ্জ্বল সবুজ রং অনেক দিন থাকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/19/1558236637784.jpg

এই বাদামের লোভনীয় আকৃতি ও স্বাদের কারণে গাছ থেকেই তা চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি এবং এটা প্রায়ই ঘটে বলেও জানায় পুলিশ। চোরের চক্র রাতের আঁধারে গাড়ি নিয়ে এসে বাদাম চুরি করে নিয়ে যায়।

জানা যায়, ২০০৯ সাল থেকে ব্রন্তেতে পেস্তা বাদামের চুরির ঘটনা বাড়তে থাকে। ঐ বছরই শহরটির মেয়র বাদাম চাষে পুলিশের নিরাপত্তা চায়। তারপর ২০১১ সাল থেকে ইতালির কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনী এলাকাটিতে হেলিকপ্টার দিয়ে পাহারা দেওয়া শুরু হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

মেক্সিকো সীমান্তে বাবা-মেয়ের ট্র্যাজেডি

মেক্সিকো সীমান্তে বাবা-মেয়ের ট্র্যাজেডি
মেক্সিকো সীমান্তে বাবা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছবি: সংগৃহীত

ছবিটি হৃদয়বিদারক। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো সীমান্ত পারাপারের ঝুঁকি ও নিদারুণ পরিণতিকে এই ছবিটি ইঙ্গিত দেয়। বুধবার (২৬ জুন) বাবা ও দুই বছরের কন্যা শিশুর মরদেহের ছবিটি উঠে আসে আন্তর্জাতিক মাধ্যমে।      

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার (২৪ জুন) মেক্সিকো সীমান্তে টেক্সাসের ব্রাউনসিভলি নদীর মাতামরস রো গ্রান্ড উপকূলে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়।

নদীর উপকূলে বাবা-মেয়েকে এভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়,
নদীর উপকূলে বাবা-মেয়েকে এভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়, ছবি: এপি

 

সূত্র জানায়, এল স্যালভাদোর থেকে ম্যক্সিকোর সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পথে বাবা ও শিশুকে নদীর উপকূলে এভাবে ডুবে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বাবার নাম অস্কার আলবার্ট মার্টিনেজ ও শিশুর নাম ভ্যালেরিয়া (২ বছর)।     

ছবিটি তুলেছেন এক মেক্সিকো সাংবাদিক। ছবিতে দেখা যায়, বাচ্চা মেয়েটি তার বাবার টি-শার্টের ভিতরে আটকে উল্টো হয়ে নদীর তীরে ভাসছে। 

এখানে মেক্সিকো কতৃপক্ষ লাশ উদ্ধার করে,
এখানে মেক্সিকো কতৃপক্ষ মরদেহ উদ্ধার করে, ছবি:এপি

 

একই সঙ্গে, ছবিটি তিন বছরের আয়লান কুর্দির কথা মনে করিয়ে দেয়। তুরস্কের সমুদ্র সৈকতে এভাবেই ডুবে ভেসে উঠেছিলো সিরিয়ান বালক আয়লান কুর্দি। একই ধারাবাহিকতায় বাবা ও তার মেয়ের মরদেহ ভেসে উঠলো।

  তিন বছরের আয়লান কুর্দি
  তিন বছরের আয়লান কুর্দি, ছবি: সংগৃহীত

 

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে এল স্যালভাদোর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত কয়েকমাসে সীমান্তে শরণার্থীদের মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

স্যালভেদোরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্দ্রা হিল বলেন, 'আমি হাত জোর করে আপনাদের দেশে থাকার অনুরোধ করছি। দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। ঝুঁকি নিবেন না কারণ জীবনের মূল্য অনেক বেশি। পুনর্বাসন সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকার মেক্সিকো কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলছে।'  

এল স্যালভাদোরের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী নায়িব বুকিলি পরিবারটিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান।

নিজের শুক্রাণু দিয়ে ফেঁসে গেলেন ফার্টিলিটি চিকিৎসক  

নিজের শুক্রাণু দিয়ে ফেঁসে গেলেন ফার্টিলিটি চিকিৎসক   
ছবি: সংগৃহীত

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কৃত্রিমভাবে গর্ভধারণ করতে আসা নারীদের গর্ভে ভুল শুক্রাণু সরবরাহ করে আসছিলেন বার্নার্ড নর্মান বারউইন (৮০) নামে এক ফার্টিলিটি চিকিৎসক। এর মধ্যে কয়েক বার নিজের শুক্রাণুও ব্যবহার করেন তিনি। 

তার এমন আতঙ্কজনক এবং নিন্দনীয় কাজের কথা প্রকাশ হওয়ায় ফেঁসে গেছেন তিনি। এরই মধ্যে বাতিল করা হয়েছে তার চিকিৎসকের লাইসেন্স।

ওন্টারিও’র চিকিৎসক ও সার্জন কলেজের শাস্তিদায়ক প্যানেল তাকে ১০ হাজার কানাডিয়ান ডলার জরিমানা করেছে। মেডিকেল রেগুলেটরির পক্ষ থেকে ওই চিকিৎসকের উদ্দেশে বলা হয়েছে, আপনি রোগীদের বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। আপনার এমন কাজে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তার পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যার প্রভাব তাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম বইতে হবে।

তবে এ শুনানিতে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তার আইনজীবীরা এতে অংশ নিলেও তার পক্ষে কোনো যুক্তি দেননি।

২০১৪ সালে তিন নারীর গর্ভে ভুল শুক্রাণু সঞ্চার করানোর অভিযোগে তিনি তার চিকিৎসকের লাইসেন্স ছেড়ে দেন। তদন্তে ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেরসহ বিভিন্ন জনের ভুল শুক্রাণু ব্যবহার করার বিষয়টি ধরা পড়ায় এখন তার লাইসেন্সই বাতিল করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি যাতে কাউকে কোনো চিকিৎসা দিতে না পারেন এবং প্রাকটিস করতে না পারেন সেজন্য সতর্ক করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। যাতে অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি অন্তত ৫০ থেকে ১০০ শিশুর জন্ম হয়েছে ভুল শুক্রাণুতে। এর মধ্যে ১১ বার তিনি নিজের শুক্রাণু ব্যবহার করেছেন।

কৃত্রিমভাবে গর্ভধারণের ফলে জন্ম নেওয়া একটি শিশুর জেনেটিক ব্যাকগ্রাউন্ড ও বংশের বিস্তারিত তথ্য (ফ্যামিলি ট্রি) সম্পর্কে জানতে গিয়ে ওই পরিবারের কাছে এ জঘন্য বিষয়টি ধরা পড়ে। এছাড়া এভাবে জন্ম নেওয়া আরেকটি শিশুর সেলিয়াক রোগ ধরা পড়ে। বংশগত এ রোগ তার বাবা-মা কারোই নেই। এ দু’টি ঘটনার পর এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসে চিকিৎসকের অপকর্মের চিত্র।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র