Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

গরু ধর্ষণের অভিযোগে ভারতে যুবক আটক

গরু ধর্ষণের অভিযোগে ভারতে যুবক আটক
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যার ফাইজাবাদ এলাকার কারতালিয়া বাবা আশ্রমের গোশালায় কয়েকটি গরুকে ধর্ষণের অভিযোগে বুধবার (২২ মে) এক যুবককে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। তার নাম রাজ কুমার।

আশ্রমের সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে কয়েকটা গরুকে যৌন নির্যাতন করতে দেখতে পায় আশ্রম কর্তৃপক্ষ ও স্বেচ্ছাসেবকরা। পরে তারা অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে আটক করতে সতর্ক হয়ে উঠে। অবশেষে ওই ব্যক্তি আবারও ধর্ষণ করতে গোশালায় এলে তাকে হাতেনাতে আটক করে স্বেচ্ছাসেবকরা। তাকে প্রচণ্ড মারধর করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558584937872.jpg

এরপর আশ্রমের পুরোহিত রাম দাস বিষয়টি স্থানীয় পুলিশকে জানান, যদিও তারা শুরুতে এফআইআর নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। এরপর রাম দাস নিজেই অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যান। পুলিশ তখন অভিযোগ নথিবদ্ধ করেন।

রাজ কুমার নওয়াবগঞ্জ জেলার গোন্দা গ্রামের অধিবাসী। ঘটনার সময় মাদকাসক্ত ছিলেন বলে তিনি দাবি করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেষ্ঠ্য পুলিশ সুপার জোগেন্দ্র কুমাড় এএনআইকে বলেন, ‘এ ঘটনায় ভারতীয় দন্ডবিধির ৩৭৬ ও ৫১১ ধারা অনুসারে থানায় একটি মামলা হয়েছে। লোকটি এখন জেলে আছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সীমান্ত কর্মকর্তা

পদত্যাগ করছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সীমান্ত কর্মকর্তা
সিবিপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জন স্যান্ডারস, ছবি: সংগৃহীত

অভিবাসন সঙ্কটের কারণে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সীমান্ত কর্মকর্তা জন স্যান্ডার্স।

দেশটির কাস্টমস ও সীমান্ত সুরক্ষা (সিবিপি) কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে সিবিপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জন স্যান্ডারস ৫ জুলাই দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ এই সীমান্ত কর্মকর্তা সিবিপিকে ইমেইল করে ৫ জুলাই দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।

ইমেইলে তিনি লেখেন, আমি সফল কি না তা বিচারের ভার আপনাদের ওপর। কিন্তু সিবিপির অসাধারণ কর্মীদের কাছ থেকে পাওয়া সাহায্য ও সমর্থন আমার ক্যারিয়ারের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

দেশটির সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মিস্টার স্যান্ডারের পরিবর্তে মার্ক মর্গানকে ইমিগ্রেশন এবং কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিইউ) ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে, স্থানান্তরের একদিন পর একশ’রও বেশি অভিবাসী শিশুকে টেক্সাস সীমান্ত স্টেশনে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সীমান্তের কর্মকর্তারা।

as
এখানে অন্তত ২৫০ শিশুকে ধরে রাখা হয়েছে, ছবি: সংগৃহীত

 

সম্প্রতি সীমান্তের সেন্টার ঘুরে এসে এক আইনজীবী বলেছেন, জনাকীর্ণ সেন্টারে থাকা শিশুরা গুরুতরভাবে অবহেলিত। এরপর সীমান্তের সেন্টার থেকে প্রায় ২৫০ শিশুকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

২০০৬ সালের পর থেকে এ বছরের মে মাসে অভিবাসীর সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সম্প্রতি এল পাসো নামে এক আইনজীবী টেক্সাসের ক্লিন্টে অবস্থিত ওই সেন্টার (যেখানে অভিবাসী শিশুদের রাখা হয়েছে) ঘুরে এসে বিবিসিকে বলেন, জনাকীর্ণ যে ঘরে শিশুদের আটকে রাখা হয়ে তার মাঝখানে রয়েছে খোলা টয়লেট। তার পাশেই শিশুরা খায় এবং ঘুমায়।

কেউ এসব শিশুর খেয়াল রাখে না। অনেক শিশু নিয়মিত গোসলও করে না বলে মন্তব্য করেছেন ওরেগনের উইলমেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওয়ারেন বিনফোর্ড।

তিনি বলেন, সেখানে জীবাণু সংক্রমণ ও ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাব রয়েছে। কোনও প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিই তাদের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে নেই। শিশুদের বিচ্ছিন্ন অবস্থায় তালাবদ্ধ করে রাখা হচ্ছে। অনেকে খুবই অসুস্থ। এখানকার শিশুরা মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে ঘুমায়।

ইলোরা মুখার্জি নামে আরেক আইনজীবী সেন্টারটি ঘুরে এসে বলেছেন, শিশুগুলো সীমান্ত অতিক্রম করার সময় যে পোশাকে ছিল, এখনও একই ময়লা পোশাকে দিন কাটাচ্ছে। যা অত্যন্ত হতাশাজনক এবং অমানবিক। আমেরিকায় এমন হওয়া উচিত না।

এরপর ঘিঞ্জি কমাতে সেখান থেকে একশ শিশুকে অন্যত্র পাঠানো হলেও পরদিনই তাদের আবার সেখানে ফেরত পাঠানো হয়। শিশুগুলো সেখানে সপ্তাহখানেক বন্দী ছিল।

তবে মার্কিন কাস্টমস এবং সীমান্ত সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ বলছে, আমরা সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও আমাদের হেফাজতে থাকা জনগণ, বিশেষ করে শিশুদের সর্বোত্তম সুবিধা দিয়ে থাকি। আমাদের শীর্ষ কর্মকর্তারা বার বার উল্লেখ করেছেন যে আমাদের স্বল্পমেয়াদী ধারণ ক্ষমতার মধ্যে দুর্বল জনগোষ্ঠীকে রাখা সম্ভব না। তাই এ সঙ্কট কাটাতে জরুরি ভিত্তিতে তহবিল প্রয়োজন।

অস্ট্রেলিয়ায় আগুন লেগে এক বাড়ির তিন শিশুর মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ায় আগুন লেগে এক বাড়ির তিন শিশুর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি বাড়িতে আগুন লেগে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মৃত ছেলেটির বয়স ১১ বছর। আর মেয়ে দু’টির বয়স পাঁচ বছর। তবে মৃত শিশুদের নাম পরিচয় জানানো হয়নি। দমকল বাহিনীর কর্মীরা এসে ছেলেটির মরদেহ উদ্ধার করে। আর মেয়ে দু’টিকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদের মৃত্যু হয়।

এ অগ্নিকাণ্ডে ওই বাড়ির এক নারী (৩১) ও আরেকটি মেয়েকে (৮) জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তারা দু’জনই ধোঁয়ায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এছাড়া ওই নারী কিছুটা দগ্ধও হয়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৩টার দিকে সিডনি থেকে ২০০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমের এলাকা সিঙ্গল্টনের ওই বাড়িতে দমকল বাহিনীকে ডাকা হয়।

নিউ সাউথ ওয়েলসের পুলিশ সুপার চ্যাড গিলি বলেন, আমাদের দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবেশীদের হোস পাইপ দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে দেখেন। পরে দমকল কর্মীরা প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় আগুন নেভায়।

অস্ট্রেলিয়ার নাইন নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশীরা বলছেন, ওই বাড়িতে চারটি শিশুসহ ছয়জনের বসবাস।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ওই বাড়ির সদস্যদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীদের ঘুম ভেঙে যায়। এটা ছিল ভয়ঙ্কর।

হান্টার ভ্যালিতে অবস্থিত সিঙ্গলটন একটি জনপ্রিয় ওয়াইন এবং পর্যটন এলাকা।

তবে আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ বলছে, বাড়িটি সম্পূণ নিরাপদ হলে কেন কীভাবে আগুন লাগলো তা অনুসন্ধান করবে পুলিশ এবং দমকল বাহিনী।

পুলিশ সুপার চ্যাড গিলি বলেন, ওই বাড়ি গরম রাখার পদ্ধতি ও ফায়ার প্লেস ব্যবস্থা কেমন ছিল তাও তদন্ত করে দেখা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র