Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

পশ্চিমবঙ্গে একজন ছাড়া সব বাম প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

পশ্চিমবঙ্গে একজন ছাড়া সব বাম প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঐতিহাসিক জয়ে ভেস্তে গেছে বিরোধীদের সব হিসাব-নিকাশ। দু’হাত উজাড় করে মোদী তথা বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট এনডিএকে ভোট দিয়েছেন ভারতবাসী।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। গত ১০ বছরে বিজেপির ৩৪ শতাংশ ভোট বেড়েছে পশ্চিমবঙ্গে।

পশ্চিমবঙ্গে ১৯৭৭ সাল থেকে ২০১১ পর্যন্ত টানা ৩৪ বছর শাসন করেছে সিপি(আই)এম-এর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট। গত মেয়াদে তারা দু’টি আসন পেলেও এবার খাতা শূন্য। বামফ্রন্ট থেকে এবার একটি আসনেও কেউই জেতেনি।

পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট শুধু হারেইনি, বরং যাদবপুর কেন্দ্রের সিপি(আই)এম-এর প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ছাড়া আর সবার জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। যাদবপুর কেন্দ্রে বিকাশরঞ্জন পেয়েছেন ২১.০৪ শতাংশ ভোট।

ভারতের এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামানতের ২৫ হাজার টাকা ফেরত পেতে ন্যূনতম ১৬.৬ শতাংশ ভোট প্রয়োজন হয়। কিন্তু বিকাশরঞ্জন ছাড়া কেউই এ ভোট পাননি। শুধু তাই নয়, রায়গঞ্জের প্রার্থী মহম্মদ সেলিম (১৪.২৫ শতাংশ), দমদমের প্রার্থী নেপালদেব ভট্টাচার্য (১৩.৯১ শতাংশ), কলকাতা দক্ষিণের প্রার্থী নন্দিনী মুখোপাধ্যায় (১১.৬৩ শতাংশ) ও মুর্শিদাবাদের প্রার্থী বদরুদ্দোজা খান (১১.৬৩ শতাংশ) ছাড়া কেউই দুই অঙ্কের ঘরেই পৌঁছাতে পারেননি। গত ছয় দশকে এটাই তাদের সর্বোচ্চ ফল বিপর্যয়। এক সময়ের বামদের দুর্গ এবার ভেঙ্গে পড়েছে।

সারাদেশে এবার বামফ্রন্ট মোট পাঁচটি আসন পেয়েছে। এর মধ্যে তামিলনাড়ুতে চারটি ও কেরালায় একটি আসন পেয়েছে। ১৯৫২ সালের পর এবারই পুরো ভারতে বামফ্রন্ট দু্ই অঙ্কেরও কম আসন পেয়েছে। ২০১৪ সালে তাদের সবচেয়ে ফল বিপর্যয়ের সময়ও ১২টি আসন পেয়েছিল। আর ২০০৯ সালে পেয়েছিল ৫৯টি আসন।

এবার গেরুয়া নামক সাইক্লোন ভারতের সব শিবির লণ্ডভণ্ড করে দিলেও বামদের এক রকম নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত ৬৩

আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত ৬৩
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৮০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

খবরে বলা হয়, শহরের পশ্চিমে পাশে শিয়া মুসলিমদের ঘন বসতিপূর্ণ একটি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566111715635.jpg

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার (১৭ আগস্ট) বিয়ের অনুষ্ঠানে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে এ আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাতে নুসরাত রাহিমি বলেন, হামলাকারী অতিথিদের মধ্যে লক্ষ্য করে বোমা হামলা করেন। তবে অনুষ্ঠানে পুরুষ এবং মহিলাদের আলাদা বসার ব্যবস্থা ছিল। পুরুষ কক্ষের দিকে লক্ষ্যে করে বোমা হামলা করা হয়। এর ফলে প্রায় সব পুরুষ নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি মহিলা ও শিশু আহতদের সংখ্যাও বাড়তে পারে। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566111770833.jpg 

 

এদিকে এ হামলার দায় অস্বীকার করেছে দেশটির তালেবান জঙ্গিগোষ্ঠী।

দেশটির জঙ্গিসংগঠক ইসলামিক স্টেট গ্রুপও এ হামলার দায় অস্বীকার করে বলেন, 'আমরা এমন কোনো বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।'

এদিকে শুক্রবার (১৫ আগস্ট) পাকিস্তানের কোয়েটা শহরের কাছে একটি মসজিদে পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে তালেবান নেতা হাইবাতুল্লাহ নিহত হন। তার একদিন পর আফগানিস্তানে এ হামলা করা হয়।

 

স্যান্ডউইচ দিতে দেরি, ওয়েটারকে গুলি করলেন ক্রেতা

স্যান্ডউইচ দিতে দেরি, ওয়েটারকে গুলি করলেন ক্রেতা
প্যারিসের উপকণ্ঠের একটি রেস্তোরাঁ/ ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের প্যারিস শহরের উপকণ্ঠে এক রেস্তোরাঁয় স্যান্ডউইচ পরিবেশন করতে দেরি করায় রেস্তোরাঁর এক কর্মীকে (ওয়েটার) গুলি করে হত্যা করেছেন এক গ্রাহক।

ঘটনার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা শনিবার (১৭ আগস্ট) বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, স্যান্ডউইচ দিতে দিতে দেরি করায় রেগে গিয়ে ঐ গ্রাহক রেস্তোরাঁর কর্মীকে গুলি করেন।

সূত্র জানায়, প্যারিসের পূর্বে শহরতলীর নয়েজি-লে-গ্রান্ডে শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত গ্রাহক ঐ ওয়েটারের কাঁধে গুলি করেন। গুলির ঘটনার পর রেস্তোরাঁর অন্য কর্মীরা পুলিশে খবর দেন।

এরই মধ্যে গুলিবিদ্ধ ওয়েটারকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তার সহকর্মীরা। কিছুক্ষণ পর ঐ রেস্তোরাঁয় মারা যান ঐ ওয়েটার।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অস্ত্রধারী ঐ ব্যক্তি ওয়েটারকে একটি স্যান্ডউইচ আনতে বলেছিলেন। কিন্তু ওয়েটার স্যান্ডউইচ পরিবেশন করতে দেরি করায় চরমভাবে ক্ষিপ্ত হন অস্ত্রধারী ব্যক্তি। এক পর্যায়ে ওয়েটারকে গুলি করে পালিয়ে যান তিনি।

স্থানীয় পুলিশ বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানায়, এই ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। যদিও শনিবার পর্যন্ত ঐ অস্ত্রধারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

গুলির ঘটনার পর আশেপাশের মানুষজন রেস্তোরাঁয় ভিড় জমান। সকলের চোখে-মুখে বিস্ময় ছিল যে, একটি স্যান্ডউইচের জন্য ওয়েটারকে কেউ গুলি করতে পারে? কেউ বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

প্রত্যক্ষদর্শী এক নারী জানান, রেস্তোরাঁটিতে সব সময় সুনশান নীরবতা বিরাজ করত। কোনো সমস্যা ছিল না। মাত্র কয়েক মাস আগে রেস্তোরাঁটি খুলেছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র