Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভারতেও নিষিদ্ধ হলো ‘জেএমবি’

ভারতেও নিষিদ্ধ হলো ‘জেএমবি’
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ’কে অবশেষে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল ভারত সরকার। গত ২৩ মে ভারত সরকার প্রকাশিত গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে আনলফুল অ্যাক্টিভিটিস প্রিভেন্ট অ্যাক্ট ১৯৬৭-এর প্রথম সিডিউলে জেএমবি ও তার শাখাগুলোকে ‘জঙ্গি সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করে।

১৯৯৮ সালে জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশের (জেএমজেবি) জন্ম হয়। ২০০৪ সালে সংগঠনটির নাম বদলে রাখা হয় ‘জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ’। জঙ্গি কর্মকাণ্ডের জন্য ২০০৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে একযোগে সিরিজ বোমা হামলা চালিয়ে নিজেদের উপস্থিতি ও শক্তি জানান দেয় জেএমবি। ওইদিন তারা বাংলাদেশের ৬৩ জেলার চারশ’ স্থানে পাঁচশ’ বোমার বিষ্ফোরণ ঘটায়।

ভারতেও একইভাবে সক্রিয় জঙ্গি কার্যক্রম চালায় জেএমবি। ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের খাগড়াগড় বিষ্ফোরণ, ২০১৮ সালের ১৯ জানুয়ারি বুদ্ধগয়া বিষ্ফোরণসহ অনেক জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে জেএমবি জড়িত থাকার প্রমাণ পায় ভারত।

লস্কর ও তৈয়বা, জইশ ই মুজাহিদিন, আল কায়দা ও এলটিটিই’র মতো জেএমবিও যুক্ত হলো নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের তালিকায়। ২৩ মে প্রকাশিত এমএইচএ-র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জেএমবি ও তাদের শাখা সংগঠন জেএমবি হিন্দুস্তান ও জেএমবি ইন্ডিয়া সন্ত্রাসবাদের পরিকল্পনা, পরিচালনা ও মৌলবাদ প্রচারের সঙ্গে যুক্ত। তারা ভারতে জঙ্গিহানা ঘটাতে তরুণদের নিয়োগ করছে।

তারা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য তহবিল তৈরি, বিষ্ফোরক, রাসায়নিক সংগ্রহ ও উন্নত বিষ্ফোরক তৈরি করছে।

২০১৪ সালের ২ অক্টোবর বর্ধমান বোমা বিষ্ফোরণ এবং ২০১৮ সালের ১৯ জানুয়ারি বুদ্ধগয়া বিষ্ফোরণের সঙ্গে জেএমবি ক্যাডারদের যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আসাম পুলিশ পাঁচটি মামলায় জেএমবির যুক্ত থাকার প্রমাণ পেয়েছে। এসব মামলায় ৫৬জন অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার বিশ্বাস করে যে, জেএমবি ও তাদের শাখা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত। তারা ভারতে বহু সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছে।

আপনার মতামত লিখুন :

আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত ৬৩

আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় নিহত ৬৩
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৮০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

খবরে বলা হয়, শহরের পশ্চিমে পাশে শিয়া মুসলিমদের ঘন বসতিপূর্ণ একটি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566111715635.jpg

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার (১৭ আগস্ট) বিয়ের অনুষ্ঠানে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে এ আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাতে নুসরাত রাহিমি বলেন, হামলাকারী অতিথিদের মধ্যে লক্ষ্য করে বোমা হামলা করেন। তবে অনুষ্ঠানে পুরুষ এবং মহিলাদের আলাদা বসার ব্যবস্থা ছিল। পুরুষ কক্ষের দিকে লক্ষ্যে করে বোমা হামলা করা হয়। এর ফলে প্রায় সব পুরুষ নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি মহিলা ও শিশু আহতদের সংখ্যাও বাড়তে পারে। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566111770833.jpg 

 

এদিকে এ হামলার দায় অস্বীকার করেছে দেশটির তালেবান জঙ্গিগোষ্ঠী।

দেশটির জঙ্গিসংগঠক ইসলামিক স্টেট গ্রুপও এ হামলার দায় অস্বীকার করে বলেন, 'আমরা এমন কোনো বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।'

এদিকে শুক্রবার (১৫ আগস্ট) পাকিস্তানের কোয়েটা শহরের কাছে একটি মসজিদে পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে তালেবান নেতা হাইবাতুল্লাহ নিহত হন। তার একদিন পর আফগানিস্তানে এ হামলা করা হয়।

 

স্যান্ডউইচ দিতে দেরি, ওয়েটারকে গুলি করলেন ক্রেতা

স্যান্ডউইচ দিতে দেরি, ওয়েটারকে গুলি করলেন ক্রেতা
প্যারিসের উপকণ্ঠের একটি রেস্তোরাঁ/ ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের প্যারিস শহরের উপকণ্ঠে এক রেস্তোরাঁয় স্যান্ডউইচ পরিবেশন করতে দেরি করায় রেস্তোরাঁর এক কর্মীকে (ওয়েটার) গুলি করে হত্যা করেছেন এক গ্রাহক।

ঘটনার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা শনিবার (১৭ আগস্ট) বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, স্যান্ডউইচ দিতে দিতে দেরি করায় রেগে গিয়ে ঐ গ্রাহক রেস্তোরাঁর কর্মীকে গুলি করেন।

সূত্র জানায়, প্যারিসের পূর্বে শহরতলীর নয়েজি-লে-গ্রান্ডে শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত গ্রাহক ঐ ওয়েটারের কাঁধে গুলি করেন। গুলির ঘটনার পর রেস্তোরাঁর অন্য কর্মীরা পুলিশে খবর দেন।

এরই মধ্যে গুলিবিদ্ধ ওয়েটারকে বাঁচানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তার সহকর্মীরা। কিছুক্ষণ পর ঐ রেস্তোরাঁয় মারা যান ঐ ওয়েটার।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অস্ত্রধারী ঐ ব্যক্তি ওয়েটারকে একটি স্যান্ডউইচ আনতে বলেছিলেন। কিন্তু ওয়েটার স্যান্ডউইচ পরিবেশন করতে দেরি করায় চরমভাবে ক্ষিপ্ত হন অস্ত্রধারী ব্যক্তি। এক পর্যায়ে ওয়েটারকে গুলি করে পালিয়ে যান তিনি।

স্থানীয় পুলিশ বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানায়, এই ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। যদিও শনিবার পর্যন্ত ঐ অস্ত্রধারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

গুলির ঘটনার পর আশেপাশের মানুষজন রেস্তোরাঁয় ভিড় জমান। সকলের চোখে-মুখে বিস্ময় ছিল যে, একটি স্যান্ডউইচের জন্য ওয়েটারকে কেউ গুলি করতে পারে? কেউ বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

প্রত্যক্ষদর্শী এক নারী জানান, রেস্তোরাঁটিতে সব সময় সুনশান নীরবতা বিরাজ করত। কোনো সমস্যা ছিল না। মাত্র কয়েক মাস আগে রেস্তোরাঁটি খুলেছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র