Alexa

ভারতেও নিষিদ্ধ হলো ‘জেএমবি’

ভারতেও নিষিদ্ধ হলো ‘জেএমবি’

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ’কে অবশেষে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল ভারত সরকার। গত ২৩ মে ভারত সরকার প্রকাশিত গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে আনলফুল অ্যাক্টিভিটিস প্রিভেন্ট অ্যাক্ট ১৯৬৭-এর প্রথম সিডিউলে জেএমবি ও তার শাখাগুলোকে ‘জঙ্গি সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করে।

১৯৯৮ সালে জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশের (জেএমজেবি) জন্ম হয়। ২০০৪ সালে সংগঠনটির নাম বদলে রাখা হয় ‘জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ’। জঙ্গি কর্মকাণ্ডের জন্য ২০০৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে একযোগে সিরিজ বোমা হামলা চালিয়ে নিজেদের উপস্থিতি ও শক্তি জানান দেয় জেএমবি। ওইদিন তারা বাংলাদেশের ৬৩ জেলার চারশ’ স্থানে পাঁচশ’ বোমার বিষ্ফোরণ ঘটায়।

ভারতেও একইভাবে সক্রিয় জঙ্গি কার্যক্রম চালায় জেএমবি। ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের খাগড়াগড় বিষ্ফোরণ, ২০১৮ সালের ১৯ জানুয়ারি বুদ্ধগয়া বিষ্ফোরণসহ অনেক জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে জেএমবি জড়িত থাকার প্রমাণ পায় ভারত।

লস্কর ও তৈয়বা, জইশ ই মুজাহিদিন, আল কায়দা ও এলটিটিই’র মতো জেএমবিও যুক্ত হলো নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের তালিকায়। ২৩ মে প্রকাশিত এমএইচএ-র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জেএমবি ও তাদের শাখা সংগঠন জেএমবি হিন্দুস্তান ও জেএমবি ইন্ডিয়া সন্ত্রাসবাদের পরিকল্পনা, পরিচালনা ও মৌলবাদ প্রচারের সঙ্গে যুক্ত। তারা ভারতে জঙ্গিহানা ঘটাতে তরুণদের নিয়োগ করছে।

তারা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য তহবিল তৈরি, বিষ্ফোরক, রাসায়নিক সংগ্রহ ও উন্নত বিষ্ফোরক তৈরি করছে।

২০১৪ সালের ২ অক্টোবর বর্ধমান বোমা বিষ্ফোরণ এবং ২০১৮ সালের ১৯ জানুয়ারি বুদ্ধগয়া বিষ্ফোরণের সঙ্গে জেএমবি ক্যাডারদের যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আসাম পুলিশ পাঁচটি মামলায় জেএমবির যুক্ত থাকার প্রমাণ পেয়েছে। এসব মামলায় ৫৬জন অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার বিশ্বাস করে যে, জেএমবি ও তাদের শাখা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত। তারা ভারতে বহু সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছে।

আপনার মতামত লিখুন :