Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

১০ বছর বয়সে করা অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড চায় সৌদি!

১০ বছর বয়সে করা অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড চায় সৌদি!
মুর্তাজা কুরেইরিস, ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজতন্ত্রের নিপীড়ন-নির্যাতন ও গণতন্ত্রের দাবিতে ২০১১ সালে উত্তাল সৌদি। তারই ধারাবাহিকতায় একদল কিশোর রাস্তায় নেমেছিল। সঙ্গে ছিল সাইকেল। সেই দলে ছিল ১০ বছর বয়সী মুর্তাজা কুরেইরিস। বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেল নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিল তারা। তবে অল্প বয়সী ছেলেদের এমন প্রতিবাদ যে ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সৌদি সরকার সেটা টের পাওয়া গেল ৩ বছর পর!

সেই প্রতিবাদের ৩ বছর পর গ্রেফতার হয় মুর্তাজা। পরিবারের সঙ্গে বাহরাইনে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে সৌদি আরবের ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী ‘রাজবন্দী’ হিসেবে কারাগারে রাখা হয় তাকে।

মুর্তাজার বিরুদ্ধে পুর্বাঞ্চলীয়ও শহর আওয়ামিয়ার এক পুলিশ স্টেশনে পেট্রোল বোমা হামলার অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগে বলা হয়, মুর্তাজা তার বড় ভাই আলি কুরেইরিসের মোটরবাইকের পেছনে বসে এই হামলা চালায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/08/1559964972383.JPG

তবে, ২০১২ সালে সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের হাতে নিহত হন আলি কুরেইরিস।

এদিকে, মুর্তাজা কুরেইরিস তার ভাইয়ের দাফন প্রক্রিয়াকে দেশের শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে পরিণত করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে বলেও সিএনএন এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।

সব মিলিয়ে সৌদি সরকার চাচ্ছে মুর্তাজার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে। সিএনএন বলছে, বিচারের আগেই তাকে ৪ বছর কারাভোগ করিয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক করা হয়। তবে সিএনএন তাদের অনুসন্ধানী এক রিপোর্টে উল্লেখ করেছে সৌদি সরকার এখন তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য চেষ্টা করছে।

উলেক্ষ্য, মুর্তাজার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে সেই অপরাধ সংগঠিত হওয়ার সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর!

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র