১০ বছর বয়সে করা অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড চায় সৌদি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
মুর্তাজা কুরেইরিস, ছবি: সংগৃহীত

মুর্তাজা কুরেইরিস, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজতন্ত্রের নিপীড়ন-নির্যাতন ও গণতন্ত্রের দাবিতে ২০১১ সালে উত্তাল সৌদি। তারই ধারাবাহিকতায় একদল কিশোর রাস্তায় নেমেছিল। সঙ্গে ছিল সাইকেল। সেই দলে ছিল ১০ বছর বয়সী মুর্তাজা কুরেইরিস। বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেল নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিল তারা। তবে অল্প বয়সী ছেলেদের এমন প্রতিবাদ যে ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সৌদি সরকার সেটা টের পাওয়া গেল ৩ বছর পর!

সেই প্রতিবাদের ৩ বছর পর গ্রেফতার হয় মুর্তাজা। পরিবারের সঙ্গে বাহরাইনে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে সৌদি আরবের ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী ‘রাজবন্দী’ হিসেবে কারাগারে রাখা হয় তাকে।

মুর্তাজার বিরুদ্ধে পুর্বাঞ্চলীয়ও শহর আওয়ামিয়ার এক পুলিশ স্টেশনে পেট্রোল বোমা হামলার অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগে বলা হয়, মুর্তাজা তার বড় ভাই আলি কুরেইরিসের মোটরবাইকের পেছনে বসে এই হামলা চালায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/08/1559964972383.JPG

তবে, ২০১২ সালে সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের হাতে নিহত হন আলি কুরেইরিস।

এদিকে, মুর্তাজা কুরেইরিস তার ভাইয়ের দাফন প্রক্রিয়াকে দেশের শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে পরিণত করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে বলেও সিএনএন এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।

সব মিলিয়ে সৌদি সরকার চাচ্ছে মুর্তাজার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে। সিএনএন বলছে, বিচারের আগেই তাকে ৪ বছর কারাভোগ করিয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক করা হয়। তবে সিএনএন তাদের অনুসন্ধানী এক রিপোর্টে উল্লেখ করেছে সৌদি সরকার এখন তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য চেষ্টা করছে।

উলেক্ষ্য, মুর্তাজার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে সেই অপরাধ সংগঠিত হওয়ার সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর!

আপনার মতামত লিখুন :