Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চেন্নাইয়ে পানির তীব্র সংকট

চেন্নাইয়ে পানির তীব্র সংকট
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের চেন্নাই শহরে তীব্র গরমের মধ্যে ভয়াবহ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে শহরের ৪টি সংরক্ষণাগারের পানি শেষ হয়ে গেছে।

চেন্নাই শহরে প্রতিদিন ৮০০ মিলিয়ন লিটার পানি প্রয়োজন। কিন্তু সেখানে মাত্র ৫২৫ মিলিয়ন লিটার পানি সরবরাহ করে চেন্নাই মেট্রো ওয়াটার।

শহরের দুই সন্তানের এক মা পুনিথা সরকারি ট্যাংক থেকে প্রতি দুইদিন পরপর পানি সংগ্রহ করেন। তবে তিনি মাত্র ৭ পাত্র পানি পান। তার পরিবারে সদস্য সংখ্যা ৪ জন।

তিনি বলেন, ‘পানি সংকটের কারণে আমাদের সন্তানরা স্কুল এবং কলেজে যেতে পারছে না। আমরা বেলারুয়ার স্কয়ার ট্যাংক থেকে পানি সংগ্রহ করি। রাত ১টা বা ২টায় গিয়ে ওই পানি নিয়ে আসতে হয়। এই কাজটা ছেলেরা করতে পারে। যা মেয়েদের পক্ষে সম্ভব না।’

মূলত ওই শহরে পান করার জন্য পর্যাপ্ত পানিও নেই। এছাড়া রান্না করা, গোসল, কাপড় ধোওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে অসুস্থ হওয়ার একটা ঝুঁকি রয়েছে।

পুনিথার প্রতিবেশি ভিজায়া বলেন, ‘আমাদের এখানে পর্যাপ্ত পানি নেই। তাই আমরা গোসল করতে পারি না।’

স্থানীয় টেইনাম্পেটের একটি জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট পানির জন্য খাবার সরবরাহ করা বন্ধ করে দিয়েছে। ওই রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক জানান, তারা পানির তীব্র সংকটের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিকে এখন চেন্নাইয়ের বেশিরভাগ অধিবাসীরা বেসরকারি পানির ট্যাংকগুলির উপর নির্ভর করছে। তবে তারা অনেক দাম দিয়ে পানি কিনেও সময়মতো পাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন :

এক ফ্যান এক লাইটের বিদ্যুৎ বিল ১২৮ কোটি

এক ফ্যান এক লাইটের বিদ্যুৎ বিল ১২৮ কোটি
বিদ্যুৎ বিল

ভারতের উত্তর প্রদেশের হাপুর শহরের কাছে চামরি নামে একটি গ্রামের এক গৃহস্থের বাড়িতে ১২৮ কোটিরও বেশি রুপির বিদ্যুৎ বিল এসেছে। বাড়িটির বাসিন্দা এক দম্পতি, যাদের ঘরে কেবল লাইট আর ফ্যান চলে।

শামীম নামে ওই বাড়ির কর্তা বিল সংশোধনের জন্য বিদ্যুৎ অফিসে বার বার ধর্না দিয়েও এর কোন সুরাহা করতে পারেননি। বিল পরিশোধ না করায় তার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।

পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগের দাবি নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে শামীমকে কর্মকর্তারা বলেছেন, বিল পরিশোধ করলেই কেবল তার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করে দেওয়া হবে।

বাড়িটির ২ কিলোওয়াটের বিদ্যুৎ সংযোগের বিলের কাগজে ছাপা বিলের মোট পরিমাণ ১২৮ কোটি ৪৫ লাখ ৯৫ হাজার ৪৪৪ রুপি। এই উদ্ভট পরিমাণ সংশোধন করতে গিয়ে বিদ্যুৎ অফিসের টেবিলে টেবিলে ঘুরেছেন বলে জানিয়েছেন শামীম।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563676901455.jpg
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই’কে তিনি বলেন, কেউ আমাদের কথা শুনছে না। এই অর্থ আমরা কিভাবে পরিশোধ করব? অভিযোগ নিয়ে গেলে কর্মকর্তারা বলছেন, পুরো বিল পরিশোধ করতে হবে। তারা আমার বাড়ির লাইন ইতোমধ্যেই কেটে দিয়েছেন।

অভিযোগ করে শামীম আরও বলেন, প্রতি মাসে আমার বিদ্যুৎ বিল ৭শ’ থেকে ৮শ’ রুপির মধ্যেই থাকে। কিন্তু এবার আমাকে পুরো হাপুর শহরের বিদ্যুৎ বিল ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে!

ভুক্তভোগী শামীমের স্ত্রী খাইরুন্নিসা বলেন, আমরা কেবল লাইট আর ফ্যান চালাই। আমরা গরিব মানুষ, আমরা কিভাবে এত বিল দেব?

রামশরণ নামে প্রদেশের বিদ্যুৎ বিভাগের এক প্রকৌশলী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এটা বড় কোন ব্যাপার না, সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি। পরে সংশোধন করে দেওয়া হবে।
সূত্র: এনডিটিভি

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন
শীলা দীক্ষিত, ছবি: সংগৃহীত

দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার ৮১ বছর বয়স হয়েছিল।

শনিবার (২০ জুলাই) দিল্লির ফর্টিস এসকর্ট হার্ট ইনস্টিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

দেশটির গণমাধ্যম জানায়, শীলা দীক্ষিত বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মৃত্যুর খবর জানায় তার পরিবার।

এবারের অনুষ্ঠিতব্য লোকসভা নির্বাচনেও উত্তর-পূর্ব দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শীলা দীক্ষিত। তবে পরাজিত হন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেত্রী।

১৯৯৮, ২০০৩ এবং ২০০৮ সালে পরপর তিন বার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হন শীলা দীক্ষিত। বর্তমানে তিনি দিল্লি কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।

শীলা দীক্ষিতের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে কংগ্রেস পরিবারে। শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। 

এদিকে, শোকপ্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং। 

অন্যদিকে, এক টুইট বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র