Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোট আজ

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোট আজ
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

থেরেসা মে'র জায়গায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ দলের তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ হবে। কনজারভেটিভ দলের এমপিরা দ্বিতীয় দফায় বিজয়ী চারজন প্রার্থীর মধ্যে থেকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য দুইজন প্রার্থীকে মনোনীত করবেন।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ দলের তৃতীয় দফার ভোট শুরু হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

নির্বাচিত দুইজন প্রার্থীর মধ্যে থেকে চতুর্থ দফা ভোট গ্রহণ শেষে একজনকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নির্বাচিত করা হবে।

এদিকে বাকি তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে বরিস জনসন ১৪৩ ভোটে এগিয়ে আছেন। জনসনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট।

এছাড়া তৃতীয় পর্বের নির্বাচনের মূল প্রার্থীর তালিকায় পরিবেশ মন্ত্রী মাইকেল গোভ ও স্বরাষ্ট্র সচিব সাজিদ জাভিদ আছেন।

ব্রেক্সিট ইস্যুতে গত ২৪ মে পদত্যাগের ঘোষণা দেন থেরেসা মে। একই সঙ্গে তিনি এই পদত্যাগের কারণ হিসেবে ব্রেক্সিট ইস্যুতে নিজের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেন। ২৯ মার্চ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ছিল যুক্তরাজ্যের। এই চুক্তি অনুমোদনে ব্যর্থ হলে তিনি এই পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন
শীলা দীক্ষিত, ছবি: সংগৃহীত

দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার ৮১ বছর বয়স হয়েছিল।

শনিবার (২০ জুলাই) দিল্লির ফর্টিস এসকর্ট হার্ট ইনস্টিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

দেশটির গণমাধ্যম জানায়, শীলা দীক্ষিত বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মৃত্যুর খবর জানায় তার পরিবার।

এবারের অনুষ্ঠিতব্য লোকসভা নির্বাচনেও উত্তর-পূর্ব দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শীলা দীক্ষিত। তবে পরাজিত হন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেত্রী।

১৯৯৮, ২০০৩ এবং ২০০৮ সালে পরপর তিন বার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হন শীলা দীক্ষিত। বর্তমানে তিনি দিল্লি কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।

শীলা দীক্ষিতের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে কংগ্রেস পরিবারে। শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। 

এদিকে, শোকপ্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং। 

অন্যদিকে, এক টুইট বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।

যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপদাহ, আক্রান্ত হচ্ছে কানাডাও

যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপদাহ, আক্রান্ত হচ্ছে কানাডাও
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে তীব্র তাপদাহ ছড়িয়ে পড়েছে। আহাওয়াবিদরা বলছেন, কিছু কিছু জায়গায় তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাবে। কানাডার কিছু অংশ এই তাপদাহে আক্রান্ত হতে পারে। 

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, তীব্র তাপদাহে যুক্তরাষ্ট্র ও আশে পাশের দেশের ২০০ মিলিয়ন মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, বস্টনের পূর্ব উপকূলে। চলতি মাসে, যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় আর্কটিক সার্কেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তাপদাহ কলোরাডো এবং কানসাস থেকে প্রসারিত হয়ে দেশজুড়ে আরো তীব্র আকার ধারণ করবে।

ইতোমধ্যে পূর্ব উপকূলের বেশিরভাগ এলাকায় তাপমাত্রা বেড়েছে। দেশটির আবহাওয়া অফিস (এনডব্লিউএসএস) তাপদাহে আক্রান্ত এলাকাগুলোর মানচিত্র প্রকাশ করেছে। তারা বলছেন, "সপ্তাহজুড়েই তাপদাহ থাকবে, তাই সবাইকে সতর্ক ও সাবধানে থাকতে হবে।"

নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও তীব্র তাপদাহের কারণে স্থানীয় জরুরি অবস্থা জারি করেন। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, গরমের তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। এটি খুবই গুরুতর বিষয়। শুক্রবার তাপমাত্রা বেড়েছে, শনিবার আরও বাড়বে, রোববার তা তীব্র আকার ধারণ করবে।

এই অবস্থায় নিউইয়র্কবাসীকে গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি মোকাবিলার আহ্বান জানিয়ে বিল ডি ব্লাসিও বলেন, ঠান্ডা স্থানে থাকুন এবং বাইরে গরম জায়গায় যাবেন না। নিউইয়র্কে ৫০০ "শীতল কেন্দ্র" খেলা হয়েছে। অন্যান্য শহরেও এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে তীব্র তাপদাহে কানাডার কুইবেক, অন্টারিও এবং নোভা স্কটিয়া প্রদেশে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার টরোন্টোতে দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অফিস।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তাপমাত্রার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র