Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গান গাইতে পারে যে সামুদ্রিক প্রাণী

গান গাইতে পারে যে সামুদ্রিক প্রাণী
সিলস প্রাণী/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

গবেষণায় দেখা গেছে, ধূসর বর্ণের সামুদ্রিক সিলস প্রাণী, যারা সমুদ্রের পানিতে বাস করে, ছায়াছবির গান ও মানুষের মুখের ভাষা নকল করতে পারে। এই সিলস দেখতে অনেকটা ভারতীয় উপমহাদেশের ভোঁদরের মতো।

স্কটল্যান্ডের সেন্ট আন্দ্রেস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা তিনটি ধূসর সিলস প্রাণীকে ‘টুইংকল টুইংকল লিটল স্টার’ এর মতো সুরের সাথে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ সময় সামুদ্রিক এই স্তন্যপায়ী প্রাণীগুলো মানুষের কথাবার্তাও নকল করতে দেখা যায়।

গবেষক দলের প্রধান আমান্ডা স্টান্ডসবারি জানান, সিলদের এই শব্দ অনুকরণ দেখে তিনি উৎফুল্ল হয়ে উঠেন।

তিনি বলেন, ‘প্রাণীগুলোর শব্দ অনুকরণ একেবারেই হুবহু নয়, কিন্তু নমুনাস্বরূপ এই সুন্দর শব্দ সত্যিই মনোমুগ্ধকর।’

স্ট্যান্ডসবারির আশাব্যাঞ্জক এই মন্তব্যের পরও পুরো গবেষক দল বলছে, এর মানে এই নয় যে, খুব দ্রুতই আমরা সিলস প্রাণীর সাথে কথোপকথন করতে পারব।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/21/1561086685198.jpg

সেন্ট আন্দ্রেস বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ভিনসেন্ট জ্যানিক বলছেন, ভাষা অনুকরণ করা একটি অংশ আর সেই ভাষা বুঝা অন্য জিনিস।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক গবেষণায় পেয়েছি সিলস মানুষের ভাষা নকল করতে পারে। তবে এই প্রাণীগুলো কি এই ভাষা বুঝতে পারে কিনা সেটা পরবর্তীতে দেখা যাবে।’

আমাদের এখন অনুসন্ধান করতে আদৌ এই সিলসগুলো কোনো কিছুর নাম বলতে পারে কিনা, যেটা তাদের কথা বলার জন্য প্রাথমিকভাবে প্রয়োজন।’

জ্যানিক বলেন, ‘শব্দ তৈরির জন্য মানুষ যে স্নায়ু ও শারীরিক গঠন ব্যবহার করে, সিলসও সেই সেই একই অঙ্গ ব্যবহার করে। সিলসগুলোর এই শব্দ উৎপাদনের বিষয়টি গবেষণা করতে হবে যাতে করে তাদের কথাবার্তা শেখানো যায়।’

সূত্র: স্কাই নিউজ

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র