Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ইস্তাম্বুলে মেয়র নির্বাচনে এরদোয়ান প্রার্থীর পরাজয়

ইস্তাম্বুলে মেয়র নির্বাচনে এরদোয়ান প্রার্থীর পরাজয়
রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ইস্তাম্বুলে দ্বিতীয় বারের মতো অনুষ্ঠিত হওয়া মেয়র নির্বাচনে অনেক বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে ক্ষমতাসীন রিসেপ তায়িপ এরদোয়ানের জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (একে) প্রার্থী।

রোববার (২৩ জুন) নির্বাচনে বিরোধী দল কামাল আতাতুর্কের রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) প্রার্থী ইকরাম ইমামোগলু বেশ বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

সোমবার (২৪ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, বেসরকারি ফলাফলে ইস্তাম্বুলের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ইকরাম ইমামোগলু।  

সূত্র জানায়, ৯৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ ভোট গণনা শেষে বিরোধীদলের প্রার্থী ইকরাম ইমামোগলু পেয়েছেন ৫৪ দশমিক ০৩ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে  ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী বিনালি ইয়েলদ্রিম পেয়েছেন ৪৫ দশমিক ০৯ শতাংশ ভোট। ইকরাম ইমামোগলু তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৭ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮১ ভোট বেশী পেয়েছেন।

তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী এরদোয়ান নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে এক বার্তায় ইকরাম ইমামোগলুকে অভিনন্দন জানান।

এদিকে, ‘যে ইস্তাম্বুলে জয়ী হবেন, সে তুর্কি জয়ী হবেন’ নির্বাচনের আগে করা এমন মন্তব্যে ফেঁসে গেছেন এরদোয়ান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/24/1561371584686.jpg

গত ৩১ মার্চ ইস্তাম্বুলের মেয়র নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ উঠিয়ে, ক্ষমতাসীন একে পার্টি নির্বাচন বয়কট করে। ঠিক তার দুই মাস পরে পুনরায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আরও বেশি ভোটে ইকরাম ইমামোগলু পুনরায় জয় লাভ করেন। গত মার্চের নির্বাচনে ব্যবধান ছিল মাত্র ১৩ হাজার ভোট।

নির্বাচনের ফলাফলের পর ইকরাম ইমামোগলু বলেন, এই নির্বাচন প্রমাণ করে গণতন্ত্র এখনও বেঁচে আছে।

স্থানীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, এরদোয়ানের পরবর্তী নির্বাচনের জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা। 

একইসঙ্গে এই নির্বাচনের মাধ্যমে ইস্তাম্বুলে দীর্ঘ ২৫ বছরের একে পার্টির শাসনের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। 

ক্ষমতাশীল একে পার্টি ২০০৩ সাল থেকে তুরস্ক শাসন করে আসছে। এমনকি আধুনিক তুরস্কের জনক মোস্তফা কামাল আতার্তুক পরবর্তী ক্ষমতাসীন নেতা হিসেবে এরদোয়ানকে বিবেচনা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন
শীলা দীক্ষিত, ছবি: সংগৃহীত

দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার ৮১ বছর বয়স হয়েছিল।

শনিবার (২০ জুলাই) দিল্লির ফর্টিস এসকর্ট হার্ট ইনস্টিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

দেশটির গণমাধ্যম জানায়, শীলা দীক্ষিত বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মৃত্যুর খবর জানায় তার পরিবার।

এবারের অনুষ্ঠিতব্য লোকসভা নির্বাচনেও উত্তর-পূর্ব দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শীলা দীক্ষিত। তবে পরাজিত হন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেত্রী।

১৯৯৮, ২০০৩ এবং ২০০৮ সালে পরপর তিন বার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হন শীলা দীক্ষিত। বর্তমানে তিনি দিল্লি কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।

শীলা দীক্ষিতের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে কংগ্রেস পরিবারে। শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। 

এদিকে, শোকপ্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং। 

অন্যদিকে, এক টুইট বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।

যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপদাহ, আক্রান্ত হচ্ছে কানাডাও

যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপদাহ, আক্রান্ত হচ্ছে কানাডাও
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে তীব্র তাপদাহ ছড়িয়ে পড়েছে। আহাওয়াবিদরা বলছেন, কিছু কিছু জায়গায় তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাবে। কানাডার কিছু অংশ এই তাপদাহে আক্রান্ত হতে পারে। 

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, তীব্র তাপদাহে যুক্তরাষ্ট্র ও আশে পাশের দেশের ২০০ মিলিয়ন মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, বস্টনের পূর্ব উপকূলে। চলতি মাসে, যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় আর্কটিক সার্কেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তাপদাহ কলোরাডো এবং কানসাস থেকে প্রসারিত হয়ে দেশজুড়ে আরো তীব্র আকার ধারণ করবে।

ইতোমধ্যে পূর্ব উপকূলের বেশিরভাগ এলাকায় তাপমাত্রা বেড়েছে। দেশটির আবহাওয়া অফিস (এনডব্লিউএসএস) তাপদাহে আক্রান্ত এলাকাগুলোর মানচিত্র প্রকাশ করেছে। তারা বলছেন, "সপ্তাহজুড়েই তাপদাহ থাকবে, তাই সবাইকে সতর্ক ও সাবধানে থাকতে হবে।"

নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও তীব্র তাপদাহের কারণে স্থানীয় জরুরি অবস্থা জারি করেন। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, গরমের তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। এটি খুবই গুরুতর বিষয়। শুক্রবার তাপমাত্রা বেড়েছে, শনিবার আরও বাড়বে, রোববার তা তীব্র আকার ধারণ করবে।

এই অবস্থায় নিউইয়র্কবাসীকে গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি মোকাবিলার আহ্বান জানিয়ে বিল ডি ব্লাসিও বলেন, ঠান্ডা স্থানে থাকুন এবং বাইরে গরম জায়গায় যাবেন না। নিউইয়র্কে ৫০০ "শীতল কেন্দ্র" খেলা হয়েছে। অন্যান্য শহরেও এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে তীব্র তাপদাহে কানাডার কুইবেক, অন্টারিও এবং নোভা স্কটিয়া প্রদেশে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার টরোন্টোতে দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অফিস।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তাপমাত্রার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র