Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মেক্সিকো সীমান্ত ট্র্যাজেডি: বাবার ভুলে মেয়ের মৃত্যু

মেক্সিকো সীমান্ত ট্র্যাজেডি: বাবার ভুলে মেয়ের মৃত্যু
মেক্সিকো সীমান্তে বাবা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু, ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মেক্সিকো সীমান্তে বাবা ও মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য তাদের নিজেদেরকেই দায়ী করেছেন মার্কিন সরকারের ইমিগ্রেশন অফিস।  

বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, হৃদয়বিদারক ছবিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতির প্রতীকী হয়ে উঠেছে বলে নির্বাহী ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা ক্যান কিউকেনেলি অবহিত করা হয়। 

তিনি জবাবে বলেন, আসলে বিষয়টি ঠিক বিপরীত। সীমান্তে এই সকল ট্রাজেডির জন্য দায়ী হলো ঐসব বাবারা, যারা ইমিগ্রেশনের নিয়ম না মেনে অবৈধভাবে নদী পার হয়।

 যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন
 যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নির্বাহী ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা ক্যান কিউকেনেলি, ছবি: সংগৃহীত

 

মৃত অস্কার আলবার্ট মার্টিনেজ এবং তার মেয়ে ভ্যালেরিয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাবার এই ভুলের জন্য শুধু তিনি মারা যাননি তার মেয়েও মর্মান্তিক ঘটনার স্বীকার হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, যতদিন পর্যন্ত না আমরা অভিবাসন নীতির সুষ্ঠু প্রয়োগ করতে পারব, ততদিন পর্যন্ত বাবারা বিপজ্জনকভাবে সীমান্ত পারাপারের ঝুঁকি নিতে থাকবে।

এদিকে, মৃতের পরিবার ভিন্নমত প্রকাশ করছে।  

 ভ্যালেরিয়ার দাদি
মৃত অস্কারের মা ও ভ্যালেরিয়ার দাদি, ছবি: সংগৃহীত

 

মৃত অস্কারের স্ত্রী এবং ভ্যালেরিয়ার মা বলেন, মেক্সিকোর মাতামোরাস অভিবাসন ক্যাম্পে আমরা ক্রমশ হতাশ হয়ে উঠছিলাম। ক্যাম্পে তাপমাত্রা ১১০ ডিগ্রীতে পৌঁছেছিল। আমরা মার্কিন বন্দরে আশ্রয় চেয়েছিলাম এবং প্রবেশের অনুমতি চেয়ে ব্যর্থ হয়েছিলাম। 

তিনি আরও বলেন, মে মাসের শেষের দিকে ২ হাজারেরও বেশি অভিবাসী মারাত্মক ক্ষুধা ও খাদ্য সংকটে ভুগছিল। প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৩ জনের আবেদন মঞ্জুর করা হয়, যেখানে দিনে কয়েক হাজার আবেদন পত্র জমা পড়ে। 

 ভ্যালেরিয়া ও তার বাবা অস্কার
মৃত ভ্যালেরিয়া ও তার বাবা অস্কার, ছবি:সংগৃহীত 

 

তিনি ওইদিন (২৬ জুন) রাতের ঘটনা বর্ণনা করতে যেয়ে বলেন, অস্কার আলবার্ট ভ্যালেরিয়াকে কাঁধে নিয়ে পানিতে নেমে পড়েন এবং খুব দ্রুত তিনি মুল ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। তারপরই তিনি তার মেয়েকে হারিয়ে ফেলেন। পরে তিনি তার মেয়েকে দেখা মাত্রই উদ্ধার করতে চলে যান। ঠিক তখনই একটা তীব্র স্রোত তাদেরকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।    

আরও পড়ুন, 

মেক্সিকো সীমান্তে বাবা-মেয়ের ট্র্যাজেডি

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র