Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

২০ মিনিট মৃত ছিলেন এই যুবক!

২০ মিনিট মৃত ছিলেন এই যুবক!
পুনরায় হৃদস্পন্দন চালু হওয়ার পর মায়ের সাথে আমেরিকান যুবক মাইকেল প্রুইট/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃতঘোষিত হওয়ার প্রায় ২০ মিনিট পর জেগে উঠেন এক যুবক। মিশিগানের লিভোনিয়ায় একটি প্রজেক্টে সৎ বাবাকে কাজে সাহায্য করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ২০ বছরের যুবক মাইকেল প্রুইট।

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা মাইকেল প্রুইট বলেন, ‘একটি মই সরাচ্ছিলাম এবং মইটি পিছনের দিকে হেলান দিয়ে রাখতে গেলেই সেটি বিদ্যুতায়িত হয়। এর পরে আমার আর কিছু মনে নেই। আমি চোখে অন্ধকার দেখছিলাম।’

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর প্রুইটের হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় প্রজেক্টের কর্ণধার জরুরি নম্বর ৯১১ এ ফোন করেন এবং প্রুইটের হৃদস্পন্দন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু তা কোনো কাজে আসেনি। পরে তাকে বিউমন্ট হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

প্রুইটের সৎ বাবা কেইথ জ্যাকবস বলেন, ‘হাসপাতালে পৌঁছার আগ পর্যন্ত প্রুইটের হৃদস্পন্দন পাওয়া যাচ্ছিল না। কমপক্ষে ২৫ মিনিট তার হৃদস্পন্দন বন্ধ ছিল।’

হাসপাতালে ডাক্তার প্রুইটের হৃদস্পন্দন ফিরিয়ে আনতে ডেফিব্রিল্যাটর দিয়ে শক দিতে থাকেন। প্রথম পর্যায়ে কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি। কিন্তু ডাক্তাররা হতাশ না হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যান।

ডা. অ্যাঞ্জেল চাডলার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘প্রুইটকে যখন হাসপাতালে আনা হয়, তখন তার হৃদস্পন্দন বন্ধ ছিল। আমি আমার সহযোগীদের সাহস যোগালাম যে, আমরা ছেলেটির হৃদস্পন্দন ফিরিয়ে আনব। পরে প্রুইটকেও বলেছি যে, তোমার ভাগ্য ভালো যে জীবন ফিরে পেয়েছ।’

ডাক্তাররা জানান, মানবদেহে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাঁচ মিনিট পর থেকেই মস্তিষ্কের কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে এবং আস্তে আস্তে স্থায়ীভাবে মস্তিষ্ক বিকল হয়ে যায়।

ডাক্তাররা যখন বার বার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু হৃদস্পন্দন ফিরিয়ে আনতে পারছিলেন না, প্রুইটের সৎ বাবা তখন আশাহত হয়ে পড়েছিলেন। এক পর্যায়ে ডাক্তারদের একটি শক্তিশালী শকের পরে প্রুইটের হৃৎপিণ্ড আবারো চলতে শুরু করে।

কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, প্রুইটের মস্তিষ্কের কোনো ক্ষতি হয়নি। এ ঘটনায় ডাক্তাররাও অভিভূত হয়ে যান।

প্রুইট বলেন, ‘আমি জেগে উঠলাম এবং সবকিছু আগের মতোই অনুভব করছিলাম। চিৎকার করে উঠলাম, কী হচ্ছে? আমি এখন কোথায়? কিন্তু খুবই আনন্দের বিষয় ছিল কারণ সামনেই আমার বান্ধবী ও আমার মা বসেছিলেন। তারা খুবই খুশি ছিলেন এবং কান্না করছিলেন। এসব দেখে আমি হতভম্ব হয়ে যায়।’

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র