কার্তাপুর করিডর: পাকিস্তানকে বৈঠকে বসার প্রস্তাব ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কার্তাপুর করিডর দিয়ে তীর্থযাত্রীদের চলাচলের সুধিবা চায় ভারত/ ছবি: সংগৃহীত

কার্তাপুর করিডর দিয়ে তীর্থযাত্রীদের চলাচলের সুধিবা চায় ভারত/ ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কার্তারপুর করিডর নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পাকিস্তানকে প্রস্তাব পাঠিয়েছে ভারত। কার্তারপুর করিডর চালু করার উদ্দেশে আগামী ১১-১৪ জুলাই করিডরের আত্তারি-ওয়াগাহ (পাকিস্তান অংশ)-তে দ্বিতীয় রাউন্ডের এ বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে ভারত।

সূত্রের বরাত দিয়ে এমএসনিউজ জানায়, বৈঠকে এই করিডর দিয়ে তীর্থযাত্রীদের চলাচল এবং এর সীমানা ও অবকাঠামোগত কারিগরি সমস্যা সমাধানে একটি খসড়া চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

এই করিডরের সীমানা, ক্রসিং পয়েন্ট ও অবকাঠামো চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে এই পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের তিনটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২০১৮ সালের নভেম্বরে নেওয়া মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারত এই করিডরের জন্য একটি চার লেনের মহাসড়ক ও শেষ প্রান্তে যাত্রীদের জন্য একটি টার্মিনাল তৈরির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ভারত অংশের ৪৫ শতাংশেরও বেশি কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে।

আগামী নভেম্বরে গুরু নানক দেবের ৫৫০তম জন্মবার্ষিকীতে এই কার্তারপুর করিডর চালু করতে চায় ভারত। সেই লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ মহাসড়ক ও অক্টোবরের শেষ নাগাদ টার্মিনাল নির্মাণের কাজ করতে যাচ্ছে ভারত।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এই করিডর দিয়ে পবিত্র গুরুদুয়ারা কার্তারপুর সহিবে তীর্থযাত্রীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে চায়। বছরজুড়েই যাতে তীর্থযাত্রীরা আসা-যাওয়া করতে পারে সেই লক্ষ্য নিয়েই আলোচনায় বসতে যাচ্ছে।

এছাড়াও আগামী জুলাইতে গুরুদুয়ারা নানকানা সহিবে নগর কীর্তনে ভ্রমণে পাকিস্তানের অনুমতি চেয়েছে ভারত। এটি শিরোমণি গুরুদুয়ারা পার্বন্ধক ও দিল্লি শিখ গুরুদুয়ারা পার্বন্ধক কমিটি আয়োজন করে থাকে।

১৯৭৪ সালের দ্বিপাক্ষিক প্রটোকলের অধীনে এবার পাকিস্তানে ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের সংখ্যা বাড়াতে চায় ভারত। এই তীর্থযাত্রীরা পাকিস্তানের ধর্মীয় উপাসনালয়ে ভ্রমণ করেন। গুরু নানক দেবের জয়ন্তীতে এবার এই সংখ্যা ১০ হাজার করার আবদার করেছে ভারত।

কার্তারপুর পাকিস্তানের নারোয়াল জেলায় রাভি নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত। এটি ডেরা বাবা নানক থেকে চার কিলোমিটার দূরে।

গত বছরের ২৬ নভেম্বর কার্তারপুর করিডরের ভারতীয় অংশের (গুরুদাসপুর) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। দুই দিন পরে পাকিস্তান অংশে নারোয়ালে করিডরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

আপনার মতামত লিখুন :