Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কার্তাপুর করিডর: পাকিস্তানকে বৈঠকে বসার প্রস্তাব ভারতের

কার্তাপুর করিডর: পাকিস্তানকে বৈঠকে বসার প্রস্তাব ভারতের
কার্তাপুর করিডর দিয়ে তীর্থযাত্রীদের চলাচলের সুধিবা চায় ভারত/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কার্তারপুর করিডর নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে পাকিস্তানকে প্রস্তাব পাঠিয়েছে ভারত। কার্তারপুর করিডর চালু করার উদ্দেশে আগামী ১১-১৪ জুলাই করিডরের আত্তারি-ওয়াগাহ (পাকিস্তান অংশ)-তে দ্বিতীয় রাউন্ডের এ বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে ভারত।

সূত্রের বরাত দিয়ে এমএসনিউজ জানায়, বৈঠকে এই করিডর দিয়ে তীর্থযাত্রীদের চলাচল এবং এর সীমানা ও অবকাঠামোগত কারিগরি সমস্যা সমাধানে একটি খসড়া চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

এই করিডরের সীমানা, ক্রসিং পয়েন্ট ও অবকাঠামো চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে এই পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের তিনটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২০১৮ সালের নভেম্বরে নেওয়া মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারত এই করিডরের জন্য একটি চার লেনের মহাসড়ক ও শেষ প্রান্তে যাত্রীদের জন্য একটি টার্মিনাল তৈরির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ভারত অংশের ৪৫ শতাংশেরও বেশি কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে।

আগামী নভেম্বরে গুরু নানক দেবের ৫৫০তম জন্মবার্ষিকীতে এই কার্তারপুর করিডর চালু করতে চায় ভারত। সেই লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ মহাসড়ক ও অক্টোবরের শেষ নাগাদ টার্মিনাল নির্মাণের কাজ করতে যাচ্ছে ভারত।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এই করিডর দিয়ে পবিত্র গুরুদুয়ারা কার্তারপুর সহিবে তীর্থযাত্রীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে চায়। বছরজুড়েই যাতে তীর্থযাত্রীরা আসা-যাওয়া করতে পারে সেই লক্ষ্য নিয়েই আলোচনায় বসতে যাচ্ছে।

এছাড়াও আগামী জুলাইতে গুরুদুয়ারা নানকানা সহিবে নগর কীর্তনে ভ্রমণে পাকিস্তানের অনুমতি চেয়েছে ভারত। এটি শিরোমণি গুরুদুয়ারা পার্বন্ধক ও দিল্লি শিখ গুরুদুয়ারা পার্বন্ধক কমিটি আয়োজন করে থাকে।

১৯৭৪ সালের দ্বিপাক্ষিক প্রটোকলের অধীনে এবার পাকিস্তানে ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের সংখ্যা বাড়াতে চায় ভারত। এই তীর্থযাত্রীরা পাকিস্তানের ধর্মীয় উপাসনালয়ে ভ্রমণ করেন। গুরু নানক দেবের জয়ন্তীতে এবার এই সংখ্যা ১০ হাজার করার আবদার করেছে ভারত।

কার্তারপুর পাকিস্তানের নারোয়াল জেলায় রাভি নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত। এটি ডেরা বাবা নানক থেকে চার কিলোমিটার দূরে।

গত বছরের ২৬ নভেম্বর কার্তারপুর করিডরের ভারতীয় অংশের (গুরুদাসপুর) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। দুই দিন পরে পাকিস্তান অংশে নারোয়ালে করিডরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র