Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মিয়ানমারে অবিবাহিত ৪ জনের ৩ জনই যৌন শিক্ষায় অজ্ঞ

মিয়ানমারে অবিবাহিত ৪ জনের ৩ জনই যৌন শিক্ষায় অজ্ঞ
ছবি: সংগৃহীত
খুররম জামান
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারে চারজন অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে তিনজনের কোনো যৌন শিক্ষা নেই। চারজনের মধ্যে মাত্র একজন যৌন শিক্ষা পেয়েছেন তাদের বন্ধুবান্ধব বা ইন্টারনেট থেকে।

মিয়ানমারের মিডিয়া সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। একটি অলাভজনক দাতব্য সংস্থা দেশটির ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী এক হাজার অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কের কাছ থেকে এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে।

চিনা ও কায়াহ রাজ্য ছাড়া মিয়ানমারজুড়ে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত এ জরিপ চালানো হয়।

এদিকে গত ২২ জুন থেকে মিয়ানমারের চিনা ও রাখাইন রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ দমনের নামে সব ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির সরকার।

ইন্টারনেট থেকে যতটুকু যৌন শিক্ষা পেত, তাও বন্ধ করার ফলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থাগুলো।

এ জরিপেই উঠে এসেছে, প্রাপ্তবয়স্করা যৌন শিক্ষা পেতে বাবা-মায়ের চেয়ে ইন্টারনেটে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

দাতব্য সংস্থা ডি কে টি’র চিকিৎসা প্রশিক্ষণ বিভাগের প্রধান ড. ফায়া থিহা জানান, জরিপে দেখা গেছে, জরিপে অংশগ্রহণকারী বেশিরভাগই আত্মীয় ও বন্ধুদের কাছ থেকে অনানুষ্ঠানিক যৌন শিক্ষা পেয়েছেন, কিন্তু স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তেমন যৌন শিক্ষা পাননি। আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ভুল হলে, ভবিষ্যতে সঙ্কটে পড়তে পারেন তারা। সঠিক তথ্যসহ যৌন শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

জরিপ অনুযায়ী, ৯৬ শতাংশ উত্তরদাতা আনুষ্ঠানিক যৌন শিক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। ৮৯ শতাংশ সম্মত হয়েছেন যে এ সম্পর্কে পাবলিক স্কুলে পড়ানো উচিত। ২৫ শতাংশ উত্তরদাতা, যারা আনুষ্ঠানিক যৌন শিক্ষা পেয়েছেন, তাদের বেশিরভাগই শহুরে এলাকায় থাকেন। ৬৭ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, তারা বন্ধু, প্রতিবেশী এবং সহপাঠীদের মাধ্যমে গোপনে যৌন শিক্ষা পেয়েছেন।

বাবা-মায়ের চেয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এ সম্পর্কে বেশি জানতে পেরেছেন তারা। ৬০ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন যে গর্ভনিরোধক ব্যবহার নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রধানত নারীর।

এ গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, লিঙ্গ ভেদে যৌন মিলনে নারী-পুরুষ ভিন্ন মনোভাব পোষণ করেন। বিয়ের আগে যৌন মিলনে অধিকাংশ নারী অসম্মতি ও নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। শতকরা ৯৭ ভাগ বিশ্বাস করেন যে মেয়েদের বিয়ের আগ পর্যন্ত কুমারী থাকা উচিত। আবার এসব নারীর ৭৬ শতাংশ মনে করেন, ছেলেদেরও এমন থাকা উচিত। ৫৯ শতাংশ বলেছেন, আমরা যদি ছেলেদের সঙ্গে যৌন মিলন না করি, তাহলে তারা আমাদের সম্মানই করবেন না। ৬৯ শতাংশ বলেছেন, যৌন মিলনে আগে ভালোবাসার সম্পর্ক জরুরি। ৫০ শতাংশ মেয়ে বলেছেন, ছেলেরা যৌন মিলনে অনেক সময় তাদের বাধ্য করেন।

উল্লেখ্য, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এইচআইভি পজেটিভ পাওয়া গেছে। ফলে বাংলাদেশে এইডসের ঝুঁকি বাড়ছে৷ তাই এইচআইভি ছড়ানো ঠেকাতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার৷ রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে থাকার সময় কোনো যৌন শিক্ষা না পাওয়ার কারণে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে ধারণা করা হয়ে থাকে।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন সাত লাখের মতো রোহিঙ্গা৷ নতুন আর পুরনো মিলে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে এখন প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গার বসবাস৷

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র