Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পাকিস্তানের জন্য আইএমএফ’র ৬০০ কোটি ডলারের ঋণ

পাকিস্তানের জন্য আইএমএফ’র ৬০০ কোটি ডলারের ঋণ
পাকিস্তানের ফুটপাতে একটি সবজির দোকান/ ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের অর্থনীতি চাঙা করতে ৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা) ঋণ অনুমোদন করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। তিন বছরের জন্য এ ঋণ দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানকে। অনুমোদনের পরপরই ১০০ কোটি ডলার ছাড় করতে পারবে পাকিস্তান।

এক বিবৃতিতে আইএমএফ জানিয়েছে, সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য এই ঋণ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুর্বলতা কমানো ও টেকসই ও সুষম প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এই ঋণের উদ্দেশ্য।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার খবরে বলা হয়, ৩৯ মাসের মধ্যে নির্দিষ্ট সময় পর পর আইএমএফ পাকিস্তানের সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করবে এবং বাকি অর্থ ছাড় করার অনুমোদন দেবে।

গত জুন মাসে পাকিস্তান সরকার আইএমএফের এ ঋণ অনুমোদন করে এবং পরিকল্পনা ঘোষণা করে যে সরকারি খরচ কর্তন করা হবে, সামরিক ব্যয় কমানো হবে। বার্ষিক ঘাটতি মেটাতে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো হবে।

পাকিস্তানি রুপির অবমূল্যায়ন, মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি ও দৈনন্দিন খরচ বৃদ্ধির কারণে দেশটিতে অসন্তুষ্টি বাড়ছে। এই অবস্থায় সরকারের কর আদায়ের চ্যালেঞ্জ হুমকির মুখে পড়েছে।

আইএমএফ প্রধান ডেভিড লিপ্টন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘দুর্বল ও অসম প্রবৃদ্ধি বড় আকারের রাজস্ব ও অর্থনৈতিক প্রয়োজনের কারণে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছে।’

এই ঋণের উদ্দেশ্য হচ্ছে, পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের নীতি ও কাঠামোগত দুর্বলতা কাটানো, ক্ষুদ্র অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনা, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সমর্থন জোগানো ও শক্তিশালী টেকসই প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।

লিপ্টন বলেন, ‘পাকিস্তানে দারিদ্র্যের হার প্রায় ৩০ শতাংশ। দেশটির অতিদরিদ্র অংশের উন্নতির জন্য সম্পদের উৎস বাড়াতে হবে। এ জন্য সরকারি খরচ কমাতে হবে এবং অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা আনতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র