ষাঁড়ের ভবিষ্যদ্বাণী: কম্বোডিয়ায় ধান উৎপাদন বাড়বে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কম্বোডিয়ান এক জোড়া  ষাঁড় দেশটির শস্য উৎপাদনের ভবিষ্যদ্বানী দিচ্ছে/ ছবি: সংগৃহীত

কম্বোডিয়ান এক জোড়া ষাঁড় দেশটির শস্য উৎপাদনের ভবিষ্যদ্বানী দিচ্ছে/ ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কম্বোডিয়ার রাজকীয় ষাঁড় ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে, দেশটিতে এবার প্রধান শস্য ধানের প্রচুর উৎপাদন হবে। দেশটির এক প্রাচীন চাষ অনুষ্ঠানে রাজকীয় এক জোড়া ষাঁড় এ ভবিষ্যদ্বাণী করে।

স্থানীয় শস্য উৎপাদনকারীদের রক্ষায় গত জানুয়ারিতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কম্বোডিয়া ও মিয়ানমার থেকে ধান আমদানির উপর কর আরোপ করে। ফলে দেশটিতে ধান উৎপাদন কমে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। তারপর থেকে কম্বোডিয়া চীনে প্রচুর পরিমাণে ধান রফতানি করছে।

কম্বোডিয়ার রাজা নরোদম সিহামনির উপস্থিতিতে বার্ষিক শাস্ত্রীয় অনুষ্ঠানে জমি চাষের পরে একজোড়া ষাঁড়ের সামনে ধান ও অন্যান্য শস্য রাখা হয়।
নানান রঙিন সাজে সজ্জিত ষাঁড়গুলোর সামনে রাখা ধান ও শিমের ৮৫ শতাংশ খায়, যা প্রচুর উৎপাদনের ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করেন দেশটির জ্যোতিষীরা।

প্রতিবছর রাজ্য জ্যোতিষীরা ষাঁড়ের শস্য পছন্দ ও খাওয়ার পরিমাণের উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যদ্বাণী ঠিক করেন।

ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত করং কেন নামের এক যাজক বলেন, ‘প্রার্থনা করি যেন মৌসুমে নিয়মিত বৃষ্টি হয় এবং আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকে।’

তিনি প্রার্থনা করেন, ‘কোনো দুর্যোগ কম্বোডিয়ানদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে, কারণ এই শস্যই তাদের সম্বল।’

কম্বোডিয়ার এ ষাঁড়ের ভবিষ্যদ্বাণীর মতো একই রকম আয়োজন হয় পার্শ্ববর্তী দেশ থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারেও। সেখানেও ষাঁড়ের সামনে বিভিন্ন ধরনের শস্য খেতে দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন :