Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কাউকে পাশে পাইনি, টুইটারে রাহুলের ক্ষোভ

কাউকে পাশে পাইনি, টুইটারে রাহুলের ক্ষোভ
রাহুল গান্ধী, পুরনো ছবি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই টুইটারে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন রাহুল গান্ধী। শুক্রবার (৪ জুলাই) একটি খোলা চিঠি লিখে পদত্যাগের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন তিনি।

টুইট বার্তায় তিনি নিজেকে কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করেননি। নিজের পরিচয়ে তিনি লিখেছেন কংগ্রেস ও সংসদের সদস্য।

টুইটারের ওই খোলা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাহুল। নিজ দলের নেতাদের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ তার।

ইঙ্গিত দিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচনে আরএসএস -এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি অনেকটা একা হয়ে গিয়েছিলেন, কাউকে পাশে পাননি। তাই ভোটে হারের দায় দলের অনেক নেতারই এবং তাদেরও পদত্যাগ করা উচিৎ।

টুইট বার্তায় রাহুল গান্ধী লিখেছেন- ‘সভাপতি হিসেবে ভোটে হারের দায় আমার। দলের বৃদ্ধির জন্য দায়বদ্ধতা জরুরি। তাই আমি পদত্যাগ করেছি। দলকে নতুন করে তৈরি করা কঠিন সিদ্ধান্ত। এবং ভোটে হারের জন্য অনেককে দায়বদ্ধ করা উচিৎ। কিন্তু নিজের দায়িত্ব উপেক্ষা করে অন্যদের দায়ী করা ঠিক নয়। প্রধানমন্ত্রী, আরএসএসের বিরুদ্ধে কখনও আমি পুরো একা লড়েছি।’ 

এর আগে সংসদ অধিবেশন থেকে বের হলে সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরেন। তখন অনেকটা ক্ষোভ নিয়েই রাহুল বলেন, ‘আমি তো সভাপতি নেই। এক মাস আগেই কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির উচিৎ ছিল নতুন সভাপতি ঠিক করে নেওয়া। দেরি হয়ে যাচ্ছে। ওদের দ্রুত করা উচিৎ। আমি এ সব ঠিক করব না।’

এদিকে, দল থেকে ভাইয়ের পদত্যাগ করাকে সাহসেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

এক টুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন- ‘খুব অল্প লোকেরই এমন সাহস রয়েছে, যা তুমি দেখালে। তোমার সিদ্ধান্তের জন্য আমার গভীর শ্রদ্ধা রইল।’

সূত্র: আনন্দবাজার

আরও পড়ুন: পদত্যাগ করলেন রাহুল গান্ধী

আপনার মতামত লিখুন :

এক ফ্যান এক লাইটের বিদ্যুৎ বিল ১২৮ কোটি

এক ফ্যান এক লাইটের বিদ্যুৎ বিল ১২৮ কোটি
বিদ্যুৎ বিল

ভারতের উত্তর প্রদেশের হাপুর শহরের কাছে চামরি নামে একটি গ্রামের এক গৃহস্থের বাড়িতে ১২৮ কোটিরও বেশি রুপির বিদ্যুৎ বিল এসেছে। বাড়িটির বাসিন্দা এক দম্পতি, যাদের ঘরে কেবল লাইট আর ফ্যান চলে।

শামীম নামে ওই বাড়ির কর্তা বিল সংশোধনের জন্য বিদ্যুৎ অফিসে বার বার ধর্না দিয়েও এর কোন সুরাহা করতে পারেননি। বিল পরিশোধ না করায় তার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।

পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগের দাবি নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে শামীমকে কর্মকর্তারা বলেছেন, বিল পরিশোধ করলেই কেবল তার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করে দেওয়া হবে।

বাড়িটির ২ কিলোওয়াটের বিদ্যুৎ সংযোগের বিলের কাগজে ছাপা বিলের মোট পরিমাণ ১২৮ কোটি ৪৫ লাখ ৯৫ হাজার ৪৪৪ রুপি। এই উদ্ভট পরিমাণ সংশোধন করতে গিয়ে বিদ্যুৎ অফিসের টেবিলে টেবিলে ঘুরেছেন বলে জানিয়েছেন শামীম।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563676901455.jpg
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই’কে তিনি বলেন, কেউ আমাদের কথা শুনছে না। এই অর্থ আমরা কিভাবে পরিশোধ করব? অভিযোগ নিয়ে গেলে কর্মকর্তারা বলছেন, পুরো বিল পরিশোধ করতে হবে। তারা আমার বাড়ির লাইন ইতোমধ্যেই কেটে দিয়েছেন।

অভিযোগ করে শামীম আরও বলেন, প্রতি মাসে আমার বিদ্যুৎ বিল ৭শ’ থেকে ৮শ’ রুপির মধ্যেই থাকে। কিন্তু এবার আমাকে পুরো হাপুর শহরের বিদ্যুৎ বিল ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে!

ভুক্তভোগী শামীমের স্ত্রী খাইরুন্নিসা বলেন, আমরা কেবল লাইট আর ফ্যান চালাই। আমরা গরিব মানুষ, আমরা কিভাবে এত বিল দেব?

রামশরণ নামে প্রদেশের বিদ্যুৎ বিভাগের এক প্রকৌশলী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এটা বড় কোন ব্যাপার না, সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি। পরে সংশোধন করে দেওয়া হবে।
সূত্র: এনডিটিভি

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন
শীলা দীক্ষিত, ছবি: সংগৃহীত

দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার ৮১ বছর বয়স হয়েছিল।

শনিবার (২০ জুলাই) দিল্লির ফর্টিস এসকর্ট হার্ট ইনস্টিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

দেশটির গণমাধ্যম জানায়, শীলা দীক্ষিত বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মৃত্যুর খবর জানায় তার পরিবার।

এবারের অনুষ্ঠিতব্য লোকসভা নির্বাচনেও উত্তর-পূর্ব দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শীলা দীক্ষিত। তবে পরাজিত হন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেত্রী।

১৯৯৮, ২০০৩ এবং ২০০৮ সালে পরপর তিন বার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হন শীলা দীক্ষিত। বর্তমানে তিনি দিল্লি কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।

শীলা দীক্ষিতের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে কংগ্রেস পরিবারে। শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। 

এদিকে, শোকপ্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং। 

অন্যদিকে, এক টুইট বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র