ইবোলা প্রতিকারযোগ্য ওষুধ আবিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
২০১৮ সালে কঙ্গোতে প্রায় দুই হাজার মানুষ ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়/ ছবি: সংগৃহীত

২০১৮ সালে কঙ্গোতে প্রায় দুই হাজার মানুষ ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়/ ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণের শঙ্কায় থাকা মানুষদের জন্য সুখবর দিয়েছেন একদল গবেষক। সামনের কিছুদিনের মধ্যেই ইবোলা প্রতিকারযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য রোগে পরিণত হবে বলে জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে গবেষণারত একদল বিজ্ঞানী।

ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া কঙ্গোর ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্তদের মাঝে চার ধরনের ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ঘটান গবেষকরা। এর মধ্যে দুই ধরনের ওষুধের মোটামুটি কার্যকরিতা পাওয়া যায়, যা ইবোলা প্রতিরোধে সক্ষম।

কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন থেকে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে গবেষকদের উদ্ভাবিত ওষুধ ব্যবহার করা হবে।

ইবোলা আক্রান্তদের মাঝে ওষুধ পরীক্ষায় পৃষ্ঠপোষকতা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এলার্জি এন্ড ইনফেকশাস ডিজিস। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নতুন উদ্ভাবিত এই ওষুধ ইবোলা নিরাময়ের জন্য খুব ভালো খবর।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/13/1565673079129.gif

গবেষকদের উদ্ভাবিত ইবোলার ওষুধগুলোর নাম- রেন-ইবি৩ (REGN-EB3) ও এমএবি১১৪ (mAb114)। গবেষকরা জানান, এই ওষুধ দুটি অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে ইবোলা ভাইরাসকে আক্রমণ করে এবং মানবদেহে ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এলার্জি এন্ড ইনফেকশাস ডিজিস-এর পরিচালক ড. অ্যান্থনি ফসি বলেন, ‘ইবোলা আক্রান্ত রোগীদের বাঁচানোর জন্য এই ওষুধগুলোই প্রথম, যেগুলো গবেষণাগারে আশানুরূপ ভালো ফল দিয়েছে।’

গত বছর গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে প্রায় দুই হাজারের মতো মানুষ ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হওয়াদের শরীরে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি ব্যবহার করে রেন-ইবি৩ ও এমএবি১১৪ তৈরি করা হয়েছে।

পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ অন্য দুই প্রকার ওষুধ হলো জেডমেপ (ZMapp) ও রেমদেসিভির (Remdesivir)। এ ওষুধ দুটির কার্যকারিতা তুলনামূলক কম ছিল।

আপনার মতামত লিখুন :