ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের জন্য তৈরি হচ্ছে 'বন্দিশালা'

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ডিটেনশন সেন্টার অর্থাৎ বন্দিশালা তৈরি করার জন্য জমি চেয়ে নবি মুম্বাই প্ল্যানিং অথরিটিকে চিঠি লিখেছে মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দফতর।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে।

সম্প্রতি আসামে এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জি প্রকাশ করা হয়। নাগরিকপঞ্জিতে বাদ পড়েছেন ভারতে বসবাসরত ১৯ লাখ মানুষ।

ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবসতি সম্পন্ন রাজ্যে এ ডিটেনশন সেন্টার করার সম্ভাবনা রয়েছে। মহারাষ্ট্রের শহর ও শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, নেরুল এলাকায় দুই থেকে তিন একর চেয়ে জমি আবেদন করা হয়েছে। এই এলাকাটি জনবসতিপূর্ণ ও বাণিজ্যিক এলাকা। বন্দিশালা করার জন্য প্রস্তাবিত এ এলাকাটি মুম্বাই শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে। 

কয়েকমাস পরেই মহারাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিধানসভা নির্বাচন, ফলে মুম্বাইয়ে অবৈধ বাংলাদেশিদের বসবাস এবং কাজ করার অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় শিবসেনারা।

গত সপ্তাহে এক সংবাদসংস্থাকে শিবসেনা নেতা অরবিন্দ সাওয়ান্ত বলেছেন, প্রকৃত নাগরিকদের সমস্যার সমাধানে আসামে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি তৈরির প্রয়োজন ছিল। সেই কারণে আমরা এনআরসির পদক্ষেপকে সমর্থন জানাই। আমরা এখান থেকে বাংলাদেশিদের তাড়াতে মুম্বাইয়েও একই পদক্ষেপ চাই।

এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, ভারত কি ধর্মশালা নাকি! 

এদিকে চলতি বছরের শুরুর দিকে, রাজস্থানে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে অমিত শাহ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের 'উইপোকা' বলে মন্তব্য করেন।

২০১৮ বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন, দুটিতেই নাগরিকত্বের প্রমাণ ছিল বিজেপির ইস্তেহারের অন্যতম ইস্যু।

জুলাইয়ে রাজ্যসভায় অমিত শাহ বলেন, 'দেশের মাটির প্রতিটি ইঞ্চিতে' থাকা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করবে সরকার।

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) আসামে উত্তর-পূর্ব কাউন্সিল বৈঠকেও তিনি বলেন, একজনও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে ভারতে থাকতে দেওয়া হবে না।

আসামে জেলের ভিতরেই আপাতত ডিটেনশন সেন্টার (বন্দিশালা) তৈরি করা হচ্ছে। গোয়ালপাড়া জেলায় ৩ হাজার লোক থাকার মতো ১০টি ডিনেটশন সেন্টার তৈরি করছে রাজ্য সরকার। এ বন্দিশালার জন্য খরচ হচ্ছে ৪৬ কোটি টাকা।

আপনার মতামত লিখুন :