৯/১১ বার্ষিকীতে কাবুলে মার্কিন দূতাবাসে রকেট হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
৯/১১ বার্ষিকীতে কাবুল মার্কিন দূতাবাসে রকেট হামলা

৯/১১ বার্ষিকীতে কাবুল মার্কিন দূতাবাসে রকেট হামলা

  • Font increase
  • Font Decrease

ঐতিহাসিক ৯ সেপ্টেম্বর আজ। ২০০১ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে আত্মঘাতী বিমান হামলা চালানো হয়। ৯/১১ নামে সমাধিক পরিচিত।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় মধ্যরাতে ৯/১১ হামলার ১৮তম বার্ষিকীর প্রাক্কালে আফগানিস্তানের কাবুলে মার্কিন দূতাবাসের প্রাঙ্গণে একটি রকেট বিস্ফোরিত হয়েছে। তবে এই হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে দূতাবাসের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন। খবর এপির।

মধ্যরাতের কিছুটা পরে মধ্য কাবুলের আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী ও সাইরেনের শব্দ শুনতে পাওয়া যায়।

দূতাবাসের ভেতরে লাউড স্পিকারে ভেসে আসে, ‘দূতাবাস প্রাঙ্গণে রকেট বিস্ফোরিত হয়েছে।’

এই ঘটনায় আফগান কর্মকর্তারদের কোন তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া না গেলেও পাশেই অবস্থিত ন্যাটো মিশনের কর্মকর্তারা জানান, কোনো মানুষ এতে হতাহত হন নি।

গেল সপ্তাহে তালেবান-ইউ.এস সংলাপ বন্ধ হওয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর আফগান রাজধানীতে এটাই সবচেয়ে বড় হামলা।

উল্লেখ্য, তালেবানদের সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে আমেরিকার সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ বন্ধের একটি সম্ভাব্য উপায় খোঁজার দ্বারপ্রান্তে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু গত সপ্তাহে কাবুলে দুটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে ন্যাটো মিশনের দুই সদস্যসহ বেশকয়েকজন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হন। যার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প তালেবানদের সঙ্গে চলমান সংলাপকে ‘মৃত’ হিসেবে ঘোষণা দেন।

৯/১১ বার্ষিকী আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের জন্য স্পর্শকাতর দিন। কেননা ২০০১ সালের ওই হামলার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধানী সামরিক বাহিনী আফগানিস্তানে হামলা করে। টুইনটাওয়ার হামলার মূল হোতা ওসামা বিন লাদেনকে আটক করার জন্য সেই থেকে ১৮ বছর ধরে আফগানিস্তানে রয়েছেন মার্কিন সেনারা।

অবশ্য ২০১১ সালে আফগানিস্তানের পাশ্ববর্তী দেশ পাকিস্তান থেকে ওসামা বিন লাদেনকে আটক করে হত্যা করে মার্কিন নেভী সিলের কমান্ডোরা। এরপর থেকে আফগানিস্তানে মার্কিন সৈন্যের উপস্থিতি কমতে থাকলেও এখনো ১৪ হাজার সৈন্য সেখানে রয়ে গেছেন। যাদের পেছনে প্রতিবছর বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয় মার্কিন সরকারকে।

আপনার মতামত লিখুন :