Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

আমি জুভেন্টাসকে চ্যাম্পিয়ন করতে এসেছি

আমি জুভেন্টাসকে চ্যাম্পিয়ন করতে এসেছি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পর্তুগালের কিংবদন্তী ও রিয়েল মাদ্রিদের সাবেক খেলোয়াড় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বলেছেন,‘আমি জুভেন্টাসে এসেছি ক্লাবটিকে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয়ী করাতে’। রাশিয়া টুডের খবরে বলা হয়, রোনাল্ডো প্রায় ২০ বছর ধরে অধরা থাকা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিটা ইতালীর ক্লাবে আনার জন্য এসেছেন বলে সাংবাদিক সম্মেলনে একাধিকবার জানান।

গত সপ্তাহে ১০০ মিলিয়ন ইউরো বা ১১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে জুভেন্টাসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তির পর পর একাধিকবার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জানান, আমি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ট্রফি জেতাকে কোন ঘোর লাগা ভাবনা হিসেবে দেখিনা। ক্লাবের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এটা কোন ঘোর না, এটা তাদের স্বপ্ন। আমি জুভেন্টাসে এসেছি এই স্বপ্নকে সত্য করতে।

১৯৯৬ সালে সর্বশেষ সিরি এ লীগের জুভেন্টাস চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ট্রফি বিজয় করে ইতালী নিয়ে আসে। চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সর্বশেষ পাঁচটি ফাইনালে জুভেন্টাস পরাজিত হয়। ২০১৭ সালে রিয়েল মাদ্রিদ জুভেন্টাস ম্যাচে রোনালদো ২ গোল করে ইতালীর ক্লাবটিকে পরাজিত করে।

‘আমি সম্মানীত বোধ করেছি যে জুভেন্টাস আমার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে’ বলেন ৩৩ বছর বয়সী পাঁচবারের ব্যালন ডি অর জয়ী রোনালদো।

রোনালদো বলেন, এটা আমার জন্য পিছনে ফিরে যাওয়া ঘটনা নয়। জুভেন্টাস আমার জন্য সামনে যাওয়ার নতুন ধাপ। আমি জুভেন্টাসকে চ্যাম্পিয়ন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো স্প্যানিশ ক্লাব রিয়েল মাদ্রিদের হয়ে ৯ বছরে ৪৫১ টি গোল করেন এবং চারটি চ্যাম্পিয়ন্সক লীগ ট্রফি ও দুইট লা লীগা শিরোপা তার নেতৃত্বে রিয়েলের ঘরে আসে।

তাঁর একক নৈপুণ্যে ২০১৬ সালের ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করে পর্তুগাল।

২০১৮ বিশ্বকাপের মধ্যে তার রিয়েল মাদ্রিদ ছাড়ার গুঞ্জন ছড়ায়। গত সপ্তাহে জুভেন্টাস ও তার সমর্থকেরা অভ্যর্থনার মাধ্যমে রোনালদোকে গ্রহণ করে নেয়।

রোনালদো রিয়েল থেকে জুভেন্টাসে যাওয়ার কারণে রিয়েল মাদ্রিদ বিশ্বব্যাপী বিপুল সংখ্যক দর্শক হারাবে বলে ফুটবলপ্রেমীরা কানাঘুঁষা করছেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

মেক্সিকো সীমান্তে বাবা-মেয়ের ট্র্যাজেডি

মেক্সিকো সীমান্তে বাবা-মেয়ের ট্র্যাজেডি
মেক্সিকো সীমান্তে বাবা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছবি: সংগৃহীত

ছবিটি হৃদয়বিদারক। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো সীমান্ত পারাপারের ঝুঁকি ও নিদারুণ পরিণতিকে এই ছবিটি ইঙ্গিত দেয়। বুধবার (২৬ জুন) বাবা ও দুই বছরের কন্যা শিশুর মরদেহের ছবিটি উঠে আসে আন্তর্জাতিক মাধ্যমে।      

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার (২৪ জুন) মেক্সিকো সীমান্তে টেক্সাসের ব্রাউনসিভলি নদীর মাতামরস রো গ্রান্ড উপকূলে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়।

নদীর উপকূলে বাবা-মেয়েকে এভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়,
নদীর উপকূলে বাবা-মেয়েকে এভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়, ছবি: এপি

 

সূত্র জানায়, এল স্যালভাদোর থেকে ম্যক্সিকোর সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পথে বাবা ও শিশুকে নদীর উপকূলে এভাবে ডুবে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বাবার নাম অস্কার আলবার্ট মার্টিনেজ ও শিশুর নাম ভ্যালেরিয়া (২ বছর)।     

ছবিটি তুলেছেন এক মেক্সিকো সাংবাদিক। ছবিতে দেখা যায়, বাচ্চা মেয়েটি তার বাবার টি-শার্টের ভিতরে আটকে উল্টো হয়ে নদীর তীরে ভাসছে। 

এখানে মেক্সিকো কতৃপক্ষ লাশ উদ্ধার করে,
এখানে মেক্সিকো কতৃপক্ষ মরদেহ উদ্ধার করে, ছবি:এপি

 

একই সঙ্গে, ছবিটি তিন বছরের আয়লান কুর্দির কথা মনে করিয়ে দেয়। তুরস্কের সমুদ্র সৈকতে এভাবেই ডুবে ভেসে উঠেছিলো সিরিয়ান বালক আয়লান কুর্দি। একই ধারাবাহিকতায় বাবা ও তার মেয়ের মরদেহ ভেসে উঠলো।

  তিন বছরের আয়লান কুর্দি
  তিন বছরের আয়লান কুর্দি, ছবি: সংগৃহীত

 

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে এল স্যালভাদোর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত কয়েকমাসে সীমান্তে শরণার্থীদের মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

স্যালভেদোরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্দ্রা হিল বলেন, 'আমি হাত জোর করে আপনাদের দেশে থাকার অনুরোধ করছি। দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। ঝুঁকি নিবেন না কারণ জীবনের মূল্য অনেক বেশি। পুনর্বাসন সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকার মেক্সিকো কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলছে।'  

এল স্যালভাদোরের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী নায়িব বুকিলি পরিবারটিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান।

নিজের শুক্রাণু দিয়ে ফেঁসে গেলেন ফার্টিলিটি চিকিৎসক  

নিজের শুক্রাণু দিয়ে ফেঁসে গেলেন ফার্টিলিটি চিকিৎসক   
ছবি: সংগৃহীত

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কৃত্রিমভাবে গর্ভধারণ করতে আসা নারীদের গর্ভে ভুল শুক্রাণু সরবরাহ করে আসছিলেন বার্নার্ড নর্মান বারউইন (৮০) নামে এক ফার্টিলিটি চিকিৎসক। এর মধ্যে কয়েক বার নিজের শুক্রাণুও ব্যবহার করেন তিনি। 

তার এমন আতঙ্কজনক এবং নিন্দনীয় কাজের কথা প্রকাশ হওয়ায় ফেঁসে গেছেন তিনি। এরই মধ্যে বাতিল করা হয়েছে তার চিকিৎসকের লাইসেন্স।

ওন্টারিও’র চিকিৎসক ও সার্জন কলেজের শাস্তিদায়ক প্যানেল তাকে ১০ হাজার কানাডিয়ান ডলার জরিমানা করেছে। মেডিকেল রেগুলেটরির পক্ষ থেকে ওই চিকিৎসকের উদ্দেশে বলা হয়েছে, আপনি রোগীদের বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। আপনার এমন কাজে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তার পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যার প্রভাব তাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম বইতে হবে।

তবে এ শুনানিতে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তার আইনজীবীরা এতে অংশ নিলেও তার পক্ষে কোনো যুক্তি দেননি।

২০১৪ সালে তিন নারীর গর্ভে ভুল শুক্রাণু সঞ্চার করানোর অভিযোগে তিনি তার চিকিৎসকের লাইসেন্স ছেড়ে দেন। তদন্তে ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেরসহ বিভিন্ন জনের ভুল শুক্রাণু ব্যবহার করার বিষয়টি ধরা পড়ায় এখন তার লাইসেন্সই বাতিল করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি যাতে কাউকে কোনো চিকিৎসা দিতে না পারেন এবং প্রাকটিস করতে না পারেন সেজন্য সতর্ক করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। যাতে অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি অন্তত ৫০ থেকে ১০০ শিশুর জন্ম হয়েছে ভুল শুক্রাণুতে। এর মধ্যে ১১ বার তিনি নিজের শুক্রাণু ব্যবহার করেছেন।

কৃত্রিমভাবে গর্ভধারণের ফলে জন্ম নেওয়া একটি শিশুর জেনেটিক ব্যাকগ্রাউন্ড ও বংশের বিস্তারিত তথ্য (ফ্যামিলি ট্রি) সম্পর্কে জানতে গিয়ে ওই পরিবারের কাছে এ জঘন্য বিষয়টি ধরা পড়ে। এছাড়া এভাবে জন্ম নেওয়া আরেকটি শিশুর সেলিয়াক রোগ ধরা পড়ে। বংশগত এ রোগ তার বাবা-মা কারোই নেই। এ দু’টি ঘটনার পর এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসে চিকিৎসকের অপকর্মের চিত্র।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র