Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত এক পা এগোলে আমরা দুই পা এগিয়ে যাব

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত এক পা এগোলে আমরা দুই পা এগিয়ে যাব
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ১২০টি আসন নিয়ে এগিয়ে রয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ। আর তাই দেশটির সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বৃহস্পতিবার বিকেলে জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ইমরান খান সকল ধরনের পদক্ষেপ নিবেন বলে জানিয়েছেন।

এ সমস্যা সমাধানে রক্তক্ষয়ী পদক্ষেপের থেকে আলোচনার পথই বেছে নিতে চান ইমরান খান। এমনটাই জানিয়েছেন জনগণকে। আর তাই কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে ভারত এক পা এগিয়ে আসলে পাকিস্তান দুই পা এগিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন দেশটির সম্ভাব্য এই প্রধানমন্ত্রী।

বোমা হামলার পরও ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের জন্য তিনি বেলুচিস্তানের নাগরিকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি যেসব সেনা সদস্য ও আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য যারা নির্বাচনে নিরাপত্তা বজায় রেখেছন তাদেরও ধন্যবাদ দিয়েছেন ইমরান খান।

ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী বাসভবনে বসবাস না করে সেই ভবনকে প্রদর্শনশালা বা এমন কোনো কাজে ব্যবহার করতে চান যাতে জনগণ উপকৃত হোন।

অন্যদিকে দেশটির অন্যান্য রাজনৈতিক দল যখন নির্বাচনকে পাতানো বলছেন তাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যারা নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আমরা তাদের সঙ্গে থাকব। আপনাদের যদি নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে সে বিষয়ে তদন্ত হবে। আমরাই সেই তদন্ত করার ব্যবস্থা করে দিবো। আমার মতে পাকিস্তানের ইতিহাসে এই নির্বাচনই সবচেয়ে সুষ্ঠু ছিলো। তারপরও আমরা আপনাদের পাশে থাকবো।

আগামীতে দেশের সকল পলিসি পাকিস্তানের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের দিকে নজর রেখেই তৈরি করা হবে বলে জনগণকে আশ্বাস দিয়েছেন ইমরান খান। তরুণ প্রজন্মের জন্য নুতন নতুন কর্মসংস্থান করার দিকে ইমরান খানের সরকার বিশেষ নজর দিবে বলেও ভাষণে উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য বিনিয়োগে যাতে আকৃষ্ট হোন প্রবাসীরা সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের আয় বাড়াতে সরকারি ভবন বানিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হবে। পাকিস্তানের প্রবাসী ধনী ব্যক্তিদের দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করে তুলতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

ভারতের একটি গ্রামে ১৮’র নিচে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ

ভারতের একটি গ্রামে ১৮’র নিচে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ
প্রতীকী ছবি

মোবাইল ফোন ছাড়া এক সেকেন্ডও চলতে পারে না বর্তমান যুগের তরুণ–তরুণীরা। কিন্তু ভারতের গুজরাট রাজ্যের মেহসানার জেলার লিচগ্রামে ১৮ বছর না হলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গুজরাটের মেহসানা জেলার গ্রামপ্রধানের কড়া নির্দেশ, ১৮ বছর না হলে এ গ্রামের কোনো তরুণ অথবা তরুণী মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে না।

গ্রামপ্রধানের এই নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন সেই অঞ্চলের বাসিন্দারা। গ্রামপ্রধান মনে করেন, শারীরিক নানা সমস্যার মূলে রয়েছে এই মোবাইল ফোন। গ্রামপ্রধান অঞ্জনাবেন প্যাটেলের যুক্তি, মোবাইল ফোন অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে তরুণ-তরুণীদের মনে বিরক্তি, হতাশা তৈরি হচ্ছে। যা তাদের বাস্তব জীবন থেকে আলাদা করে দিচ্ছে।

তাই এই সমস্যার সমাধানে গ্রামে ১৮ বছরের নিচে মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গ্রামের এক বৈঠকে গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গ্রামপ্রধান অঞ্জনাবেন প্যাটেল।

বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা কেউ করেননি। এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর অর্থাৎ তিন মাস আগেও সমস্যায় পড়েছিল তরুণ–তরুণীরা। কিন্তু এখন তা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এমনকি এই গ্রামের অনেক পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তিও মোবাইল ফোন ব্যবহার ছেড়ে দিয়েছেন। এরপরই বুধবার খরবটি প্রকাশ্যে আসে। এমন সিদ্ধান্তে গ্রামপ্রধানকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন ভারতের অন্যান্য রাজ্য।

‘প্রত্যর্পণ বিল’ বাতিলের বিষয়ে বিশ্ব নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা

‘প্রত্যর্পণ বিল’ বাতিলের বিষয়ে বিশ্ব নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা
হংকংয়ে ‘প্রত্যর্পণ বিল’ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের অবস্থান, ছবি: সংগৃহীত

হংকংয়ে ‘প্রত্যর্পণ বিল’ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীরা জি ২০ সম্মলেনকে সামনে রেখে বিশ্ব নেতাদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন। 

বুধবার (২৬ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, ২৮ ও ২৯ জুন জাপানের ওসাকা শহরে অনুষ্ঠিত হবে জি ২০ সম্মেলন। সম্মেলনে অংশ নেওয়া ২০টি দেশের নেতাদের কাছে বিক্ষোভকারীরা সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। 

‘লিবারেট হংকং’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশটির স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় কালো পোশাকে প্রতিবাদ মিছিল বের করেন বিক্ষোভকারীরা।  

 লিবারেট হংকং
'লিবারেট হংকং' স্লোগানে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা, ছবি: সংগৃহীত

 

দুই সপ্তাহ ধরে শত শত বিক্ষোভকারী শহরের কেন্দ্র স্থলে বিতর্কিত ‘প্রত্যর্পণ বিল’ বাতিলের জন্য সমাবেশ করে আসছে। বুধবার মিছিল শেষে এক সমাবেশে হংকংয়ের অস্থিতিশীল অবস্থা ও রাজনৈতিক মুক্তির লড়াইয়ে বিশ্ব নেতাদের কাছে সাহায্য চান তারা।

গণ বিক্ষোভের মুখে গত ১৫ জুন হংকংয়রে প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যাম প্রত্যর্পণ বিল স্থগতিতের ঘোষণা দেন। তবে বিক্ষোভকারীরা প্রত্যর্পণ বিল পুরোপুরি বাতিলের দাবিতে রাস্তায় নামেন।

 হংকং বিক্ষোভ
বুধবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায়  বিক্ষোভকারীরা কালো পোশাকে অবস্থান নেন, ছবি: সংগৃহীত

 

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সচিব মাইক পম্পে বলেন, আমি আশা করি ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রধানমন্ত্রী শি জিংম্পিংয়ের সাথে প্রত্যর্পণ বিল নিয়ে আলোচনা করবেন।  

জি ২০ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, বেইজিং প্রত্যর্পণ বিল সংক্রান্ত কোনো বিষয় অনুমোদন করবে না। এ বিষয়ে কোনো আলোচনায় অংশ নিবে না। 

ফলে জি ২০ সম্মেলনে প্রত্যর্পণ বলের সুরাহার বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট। 

আরও পড়ুন, 

হংকংয়ে বিক্ষোভ: ক্যারি ল্যামের পদত্যাগ দাবি 

চীনের প্রত্যর্পণ বিলের প্রতিবাদে নতুন ‘আমব্রেলা মুভমেন্ট’

প্রত্যর্পণ বিল স্থগিত করল হংকং সরকার

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র