পুরো মসজিদ স্থানান্তর!

বিশেষ গাড়িতে করে মসজিদ স্থানান্তর করা হচ্ছে, ছবি: সংগৃহীত

ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম

ওয়াকফকৃত জায়গায় কোনো মসজিদ নির্মাণ করা হলে তা কিয়ামত পর্যন্ত মসজিদের হুকুমে হয়ে যায়। ওই জায়গা থেকে মসজিদ অন্যত্র সরানো জায়েজ নেই। তবে সংকুলান না হওয়া বা অন্যকোনো কারণে অন্যত্র নতুন মসজিদ নির্মাণ করার প্রয়োজন হলে পূর্বের মসজিদকে মর্যাদাসহ সংরক্ষণ করতে হবে। ওই জায়গা যেন কোনোভাবেই অপবিত্র না হয় সেটা খেয়াল রাখতে হবে।

এসব বিষয় সামনে রেখে, সম্প্রতি তুরস্কের একটি ঐতিহাসিক মসজিদকে এক জায়গা থেকে পুরোটা তুলে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মসজিদটি স্থানান্তরের কাজে ৩০ জন বিশেষজ্ঞ, বেশ কয়েকজন প্রকৌশলী, প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক ও শতাধিক শ্রমিক কাজ করেছেন। পরিকল্পনা থেকে শুরু করে স্থানান্ত প্রক্রিয়া শেষ করতে ১ মাস সময় লেগেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/04/1546617509954.jpg

প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ওই পুরনো মসজিদের বয়স ৬১০ বছর। স্থানান্তরিত মসজিদটির ওজন ছিল প্রায় ২৫০০ টন। এত ভারী মসজিদ অন্যত্র তুলে স্থানান্তর করা বেশ কষ্টসাধ্য বিষয়। তবুও কাজটি করা হয়েছে। এ কাজে ৩০০ চাকাবিশিষ্ট একটি রোবট গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছে। ওই গাড়ির সাহায্যে পুরোনো এই মসজিদের স্থানবদল সম্পন্ন হয়েছে।

ঐতিহাসিক ওই মসজিদের নাম আইয়ূবি মসজিদ। এটি তুরস্কের প্রাচীন শহর হাসানকেফে অবস্থিত। তুরস্কের ঠিক ওই অঞ্চলে দেশটির বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে। তাই ওই জায়গা থেকে মসজিদটি তুলে বসানো হয়েছে হাসানকেফের নতুন কালচার পার্কে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/04/1546617537976.jpg

ওই এলাকায় এই ঐতিহাসিক মসজিদ ছাড়া একটি গীর্জা ও পুরোনো প্রায় ৬ হাজার গুহা রয়েছে।

১৫ শতাব্দীর এই মসজিদ স্থানান্তর করার জন্য প্রথমে সেটিকে তিন টুকরো করা হয়। তিনটি অংশই নতুন স্থানে পৌঁছানো হয়েছে। সেখানে টুকরোগুলো একত্রিত করে মসজিদের রূপ দেওয়ার কাজ চলছে। নির্মাতাদের আশা, ১ মাসের মধ্যে স্থানান্তরিত মসজিদ নামাজের জন্য উপযোগী হবে।

ইসলাম এর আরও খবর