Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

পুরো মসজিদ স্থানান্তর!

পুরো মসজিদ স্থানান্তর!
বিশেষ গাড়িতে করে মসজিদ স্থানান্তর করা হচ্ছে, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ওয়াকফকৃত জায়গায় কোনো মসজিদ নির্মাণ করা হলে তা কিয়ামত পর্যন্ত মসজিদের হুকুমে হয়ে যায়। ওই জায়গা থেকে মসজিদ অন্যত্র সরানো জায়েজ নেই। তবে সংকুলান না হওয়া বা অন্যকোনো কারণে অন্যত্র নতুন মসজিদ নির্মাণ করার প্রয়োজন হলে পূর্বের মসজিদকে মর্যাদাসহ সংরক্ষণ করতে হবে। ওই জায়গা যেন কোনোভাবেই অপবিত্র না হয় সেটা খেয়াল রাখতে হবে।

এসব বিষয় সামনে রেখে, সম্প্রতি তুরস্কের একটি ঐতিহাসিক মসজিদকে এক জায়গা থেকে পুরোটা তুলে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মসজিদটি স্থানান্তরের কাজে ৩০ জন বিশেষজ্ঞ, বেশ কয়েকজন প্রকৌশলী, প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক ও শতাধিক শ্রমিক কাজ করেছেন। পরিকল্পনা থেকে শুরু করে স্থানান্ত প্রক্রিয়া শেষ করতে ১ মাস সময় লেগেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/04/1546617509954.jpg

প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ওই পুরনো মসজিদের বয়স ৬১০ বছর। স্থানান্তরিত মসজিদটির ওজন ছিল প্রায় ২৫০০ টন। এত ভারী মসজিদ অন্যত্র তুলে স্থানান্তর করা বেশ কষ্টসাধ্য বিষয়। তবুও কাজটি করা হয়েছে। এ কাজে ৩০০ চাকাবিশিষ্ট একটি রোবট গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছে। ওই গাড়ির সাহায্যে পুরোনো এই মসজিদের স্থানবদল সম্পন্ন হয়েছে।

ঐতিহাসিক ওই মসজিদের নাম আইয়ূবি মসজিদ। এটি তুরস্কের প্রাচীন শহর হাসানকেফে অবস্থিত। তুরস্কের ঠিক ওই অঞ্চলে দেশটির বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে। তাই ওই জায়গা থেকে মসজিদটি তুলে বসানো হয়েছে হাসানকেফের নতুন কালচার পার্কে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/04/1546617537976.jpg

ওই এলাকায় এই ঐতিহাসিক মসজিদ ছাড়া একটি গীর্জা ও পুরোনো প্রায় ৬ হাজার গুহা রয়েছে।

১৫ শতাব্দীর এই মসজিদ স্থানান্তর করার জন্য প্রথমে সেটিকে তিন টুকরো করা হয়। তিনটি অংশই নতুন স্থানে পৌঁছানো হয়েছে। সেখানে টুকরোগুলো একত্রিত করে মসজিদের রূপ দেওয়ার কাজ চলছে। নির্মাতাদের আশা, ১ মাসের মধ্যে স্থানান্তরিত মসজিদ নামাজের জন্য উপযোগী হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি
হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে কাফা, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে ধূমপান নিষিদ্ধ। আর ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান মাকরুহ তথা চরম অবাঞ্ছিত কাজ। তারপরও মক্কায় দেখা যায় অনেকেই মসজিদে হারামের বাইরের চত্বরে ধূমপান করেন। রাস্তাঘাটেও ধূমপান করতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি ইহরাম পরিহিত অনেককে মিনা, মুজাদালিফা ও আরাফাতের ময়দানে ধূমপান করতে দেখা গেছে।

ধূমপানের এমন ব্যাপকতা থেকে হজযাত্রীদের নিরুতসাহ করতে সৌদি আরবের তামাক, ধূমপান ও মাদক প্রতিরোধ সংস্থা ‘কাফা’ (The Tobacco and Narcotics Combat Charity Society-Kafa) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

সংস্থাটি হজের আনুষ্ঠানিকতার জায়গাগুলোতে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করে। সেখান থেকে ধূমপায়ীদের মাঝে ধূমপান বিরোধী প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি কাউন্সেলিং করানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ধূমপান ছাড়তে হজযাত্রীদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ঔষধ দিয়ে থাকেন। ধূমপানের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করতে হাজিদের মাঝে পুস্তিকা, লিফলেট ও মিসওয়াক বিতরণ করা হয়। এভাবে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র থেকে এবার ১১ হাজার ৪৮০ ধূমপায়ীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

কাফার ক্লিনিকে সেবা নিতে এসে ধূমপানের বিপত্তি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবগত হয়ে অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন। চলতি হজ মৌসুমের ধূমপান ত্যাগীর সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফার সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা নিয়ে তার ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।

মক্কায় ধূমপানের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জন্য গঠিত কমিটির প্রধান আবু গাজালাহ স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দাতব্য মন্ত্রণালয়, হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাফা ধূমপান বিরোধী নানা কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। সেই সঙ্গে কাফা মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতসহ মক্কায় হজযাত্রীদের ধূমপান বিরোধী চিকিতসা দেয়।

চার বছর ধরে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অবশ্য অনেক ধূমপায়ী পবিত্র হজপালন শেষে নিজ থেকেই ধূমপান ছেড়ে দেন। তাদের হিসাব এখানে আসেনি।

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
মদিনা হাইওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র হজপালন শেষে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাজি বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় ১ জন হাজি ঘটনাস্থলে ইন্তেকাল ও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া হাজির নাম নুরুল ইসলাম (৭০)। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মদিনা থেকে একশ' মাইল আগে ওয়াদি ফারা নামক স্থান বাসের চাকা বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যায়। ওই বাসটিতে ৩৫ জন হাজি ছিলেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাসের যাত্রীরা স্কাই ট্রাভেলসের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজপালনের উদ্দেশ্যে আসেন।

আহতদের মদিনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন নারী ছাড়া বাকিদের অবস্থা উন্নতির দিকে। গুরুতর আহতদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আহতদের ৮ জন মদিনা কিং ফাহাদ হাসপাতালে, মিকাত হাসপাতালে ৪ জন, উহুদ হাসপাতালে ২ জন, সৌদি-জার্মান হাসপাতালে ২ জন ও ইয়াতামা হাসপাতালে ২ জন চিকিতসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হজপালনে সৌদি আরবে এসে শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ৮১ জন হাজি ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ জন, নারী ১০ জন। মারা যাওয়া হাজিদের ৭২ জন মক্কায়, ৮ জন মদিনায় ও ১ জন জেদ্দায় ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র