Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

অন্যায় না করার শপথ নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

অন্যায় না করার শপথ নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, ছবি: বার্তা২৪.কম
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো ধরনের অন্যায়, অপরাধ ও দুর্নীতির সঙ্গে না জড়ানোর শপথ করিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আবদুল্লাহ।

বুধবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ শপথ নেন।

এ সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিজেও কোনো অন্যায় করব না, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে অন্যায় করতে দেবো না। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের সময় এই ওয়াদা করেই দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি।’ এর পর প্রতিমন্ত্রী ‘অন্যায় করব না, অন্যায় হতে দেবো না’ বলে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শপথ করান তিনি।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল সভাপতিত্ব করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শেখ মো. আবদুল্লাহকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার এবং বোর্ড অব গভর্নরসের অন্য ৩ সদস্য বজলুল হক হারুন, র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ও প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ রেজামুদ্দীন নদভিকে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিছুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নর আলহাজ মিসবাহুর রহমান চৌধুরী, সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নুরুল ইসলাম, পরিচালক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মজুমদার ও জালাল আহমদ প্রমুখ।

ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান বক্তব্যে বলেন, ‘বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা করা হয়েছে। তাই সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ধর্ম মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এ সময় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি
হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে কাফা, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে ধূমপান নিষিদ্ধ। আর ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান মাকরুহ তথা চরম অবাঞ্ছিত কাজ। তারপরও মক্কায় দেখা যায় অনেকেই মসজিদে হারামের বাইরের চত্বরে ধূমপান করেন। রাস্তাঘাটেও ধূমপান করতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি ইহরাম পরিহিত অনেককে মিনা, মুজাদালিফা ও আরাফাতের ময়দানে ধূমপান করতে দেখা গেছে।

ধূমপানের এমন ব্যাপকতা থেকে হজযাত্রীদের নিরুতসাহ করতে সৌদি আরবের তামাক, ধূমপান ও মাদক প্রতিরোধ সংস্থা ‘কাফা’ (The Tobacco and Narcotics Combat Charity Society-Kafa) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

সংস্থাটি হজের আনুষ্ঠানিকতার জায়গাগুলোতে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করে। সেখান থেকে ধূমপায়ীদের মাঝে ধূমপান বিরোধী প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি কাউন্সেলিং করানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ধূমপান ছাড়তে হজযাত্রীদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ঔষধ দিয়ে থাকেন। ধূমপানের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করতে হাজিদের মাঝে পুস্তিকা, লিফলেট ও মিসওয়াক বিতরণ করা হয়। এভাবে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র থেকে এবার ১১ হাজার ৪৮০ ধূমপায়ীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

কাফার ক্লিনিকে সেবা নিতে এসে ধূমপানের বিপত্তি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবগত হয়ে অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন। চলতি হজ মৌসুমের ধূমপান ত্যাগীর সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফার সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা নিয়ে তার ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।

মক্কায় ধূমপানের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জন্য গঠিত কমিটির প্রধান আবু গাজালাহ স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দাতব্য মন্ত্রণালয়, হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাফা ধূমপান বিরোধী নানা কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। সেই সঙ্গে কাফা মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতসহ মক্কায় হজযাত্রীদের ধূমপান বিরোধী চিকিতসা দেয়।

চার বছর ধরে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অবশ্য অনেক ধূমপায়ী পবিত্র হজপালন শেষে নিজ থেকেই ধূমপান ছেড়ে দেন। তাদের হিসাব এখানে আসেনি।

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
মদিনা হাইওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র হজপালন শেষে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাজি বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় ১ জন হাজি ঘটনাস্থলে ইন্তেকাল ও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া হাজির নাম নুরুল ইসলাম (৭০)। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মদিনা থেকে একশ' মাইল আগে ওয়াদি ফারা নামক স্থান বাসের চাকা বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যায়। ওই বাসটিতে ৩৫ জন হাজি ছিলেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাসের যাত্রীরা স্কাই ট্রাভেলসের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজপালনের উদ্দেশ্যে আসেন।

আহতদের মদিনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন নারী ছাড়া বাকিদের অবস্থা উন্নতির দিকে। গুরুতর আহতদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আহতদের ৮ জন মদিনা কিং ফাহাদ হাসপাতালে, মিকাত হাসপাতালে ৪ জন, উহুদ হাসপাতালে ২ জন, সৌদি-জার্মান হাসপাতালে ২ জন ও ইয়াতামা হাসপাতালে ২ জন চিকিতসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হজপালনে সৌদি আরবে এসে শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ৮১ জন হাজি ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ জন, নারী ১০ জন। মারা যাওয়া হাজিদের ৭২ জন মক্কায়, ৮ জন মদিনায় ও ১ জন জেদ্দায় ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র