Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

মালয়েশিয়ার সর্ববৃহৎ মসজিদ

মালয়েশিয়ার সর্ববৃহৎ মসজিদ
সুলতান সালাহ উদ্দিন আবদুল আজিজ মসজিদ, মালয়েশিয়া, ছবি: সংগৃহীত
মাওলানা মুনীরুল ইসলাম
অতিথি লেখক
ইসলাম


  • Font increase
  • Font Decrease

সুলতান সালাহ উদ্দিন আবদুল আজিজ মসজিদ। মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গরের শাহ আলম এলাকায় এর অবস্থান। আয়তনের দিক থেকে এটি মালয়েশিয়ার সর্ববৃহৎ ও ইন্দোনেশিয়ার ইস্কিকলাল মসজিদের পর দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম মসজিদ।

গাঢ় নীল এবং রূপালি গম্বুজের বিশেষ কারুকার্যে সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে মসজিদটি। এটা স্থানীয় অনেকে ( ব্লু মসজিদ) নীল মসজিদ হিসেবে অভিহিত করে থাকেন।

মসজিদের চার কোণে চারটি মিনার আছে। প্রতিটি মিনার সমতল ভূমি থেকে ৪৬০ ফুট উঁচু। লম্বা হিসেবে এই মিনারগুলো পৃথিবীর দ্বিতীয় (কাসাব্লাঙ্কার দ্বিতীয় হাসান মসজিদের পর) উচ্চতম মিনার।

মসজিদটি বিশ্বের প্রথম উচ্চতম গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ হিসেবে মর্যাদা পেয়েছিলো। ১৯৭৪ সালে সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সুলতান সালাহ উদ্দিন আবদুল আজিজ সেলাঙ্গরকে নতুন রাজধানী ঘোষণা করেন। ঠিক তার আট বছর পর ১৯৮২ সালে এই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। শেষ হয় ১৯৮৮ সালের ১১ মার্চ। তখনকার সময়ে পৃথিবীর সর্ব উচুঁ মিনার এবং গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ ছিল এটি।

মসজিদের মূল গেট পূর্বদিকে হলেও দক্ষিণ এবং উত্তরে আরও দু’টো গেট রয়েছে। অন্য তিন পাশজুড়ে আছে পানির ফোয়ারা এবং বাহারি ফুলের সমাহার। শ্চিম পাশে রয়েছে বিশাল কার পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা।

মসজিদটি তৈরিতে মূল্যবান পাথর, ইস্পাত, এ্যালমুনিয়াম, কাচের গুড়া, লেপা ইস্পাত, কাচ, সিরামিক টালি কংক্রিট ব্যাবহার করা হয়েছে। মসজিদের সঙ্গে রয়েছে কমপ্লেক্স, কার পার্কিং, খাবার হোটেল ও লেক ইত্যাদি।

মসজিদের স্থপতির নাম দাতো বাহারউদ্দিন আবু কাসিম। মসিজদটি রাজধানী কুয়ালালামপুর পাসার সিনি থেকে ট্রেন অথবা বাসে এক ঘন্টার পথ। পাসার সিনি থেকে প্রতি বিশ মিনিট পর পর বাস ছেড়ে যায় শাহ আলমের উদ্যশ্যে। শাহ আলম কমপ্লেক্সে নেমে শাহ আলম বড় মসজিদ বললেই যে কেউ দেখিয়ে দেবে মসজিদের রাস্তা।

আপনার মতামত লিখুন :

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি
হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে কাফা, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে ধূমপান নিষিদ্ধ। আর ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান মাকরুহ তথা চরম অবাঞ্ছিত কাজ। তারপরও মক্কায় দেখা যায় অনেকেই মসজিদে হারামের বাইরের চত্বরে ধূমপান করেন। রাস্তাঘাটেও ধূমপান করতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি ইহরাম পরিহিত অনেককে মিনা, মুজাদালিফা ও আরাফাতের ময়দানে ধূমপান করতে দেখা গেছে।

ধূমপানের এমন ব্যাপকতা থেকে হজযাত্রীদের নিরুতসাহ করতে সৌদি আরবের তামাক, ধূমপান ও মাদক প্রতিরোধ সংস্থা ‘কাফা’ (The Tobacco and Narcotics Combat Charity Society-Kafa) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

সংস্থাটি হজের আনুষ্ঠানিকতার জায়গাগুলোতে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করে। সেখান থেকে ধূমপায়ীদের মাঝে ধূমপান বিরোধী প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি কাউন্সেলিং করানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ধূমপান ছাড়তে হজযাত্রীদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ঔষধ দিয়ে থাকেন। ধূমপানের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করতে হাজিদের মাঝে পুস্তিকা, লিফলেট ও মিসওয়াক বিতরণ করা হয়। এভাবে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র থেকে এবার ১১ হাজার ৪৮০ ধূমপায়ীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

কাফার ক্লিনিকে সেবা নিতে এসে ধূমপানের বিপত্তি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবগত হয়ে অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন। চলতি হজ মৌসুমের ধূমপান ত্যাগীর সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফার সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা নিয়ে তার ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।

মক্কায় ধূমপানের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জন্য গঠিত কমিটির প্রধান আবু গাজালাহ স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দাতব্য মন্ত্রণালয়, হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাফা ধূমপান বিরোধী নানা কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। সেই সঙ্গে কাফা মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতসহ মক্কায় হজযাত্রীদের ধূমপান বিরোধী চিকিতসা দেয়।

চার বছর ধরে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অবশ্য অনেক ধূমপায়ী পবিত্র হজপালন শেষে নিজ থেকেই ধূমপান ছেড়ে দেন। তাদের হিসাব এখানে আসেনি।

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
মদিনা হাইওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র হজপালন শেষে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাজি বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় ১ জন হাজি ঘটনাস্থলে ইন্তেকাল ও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া হাজির নাম নুরুল ইসলাম (৭০)। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মদিনা থেকে একশ' মাইল আগে ওয়াদি ফারা নামক স্থান বাসের চাকা বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যায়। ওই বাসটিতে ৩৫ জন হাজি ছিলেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাসের যাত্রীরা স্কাই ট্রাভেলসের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজপালনের উদ্দেশ্যে আসেন।

আহতদের মদিনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন নারী ছাড়া বাকিদের অবস্থা উন্নতির দিকে। গুরুতর আহতদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আহতদের ৮ জন মদিনা কিং ফাহাদ হাসপাতালে, মিকাত হাসপাতালে ৪ জন, উহুদ হাসপাতালে ২ জন, সৌদি-জার্মান হাসপাতালে ২ জন ও ইয়াতামা হাসপাতালে ২ জন চিকিতসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হজপালনে সৌদি আরবে এসে শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ৮১ জন হাজি ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ জন, নারী ১০ জন। মারা যাওয়া হাজিদের ৭২ জন মক্কায়, ৮ জন মদিনায় ও ১ জন জেদ্দায় ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র