Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

সালামওয়েব: মুসলিমদের জন্য নতুন নেট ব্রাউজার

সালামওয়েব: মুসলিমদের জন্য নতুন নেট ব্রাউজার
সালামওয়েব: মুসলিমদের জন্য নতুন নেট ব্রাউজার, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়ার প্রযুক্তিবিদদের নেওয়া নতুন এক উদ্যোগ নিয়ে নেট দুনিয়ায় ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। নতুন এই প্রযুক্তির উদ্যোক্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইন্টারনেটে গোপনীয়তা সম্পর্কে বর্তমানে গড়ে উঠা উদ্বিগ্নতা, অনলাইনের অপব্যবহারের ইত্যাদির কারণেই মুসলিমদের জন্য এমন একটি ইন্টারনেট ব্রাউজারের প্রয়োজন- যা ইসলামিক মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটাবে এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেবে।

এমনই একটি নেট ব্রাউজার সালামওয়েব। সালামওয়েব টেকনোলজির পরিচালক হাসনি জারিনা মোহাম্মদ খান বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সালামওয়েব নামের নতুন এই মোবাইল ফোন ইন্টারনেট ব্রাউজার মুসলিম ব্যবহারকারীদেরকে ইসলামি অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম। এই ব্রাউজারে একইসঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান, খবর পড়াসহ অন্য সব বিষয় যুক্ত হয়েছে।

নতুন এই ব্রাউজারের লক্ষ্য হচ্ছে, বিশ্বের ১.৮ বিলিয়ন মুসলিম ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর অন্তত ১০ শতাংশকে এর আওতায় আনা। তবে তারা নতুন এই ব্রাউজার তৈরি করার ক্ষেত্রে বিশ্বের বড় বড় ইন্টারনেট কোম্পানি যেমন- গুগল, ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠানের সমালোচনার মুখে পড়েছে।

হাসনি জারিনা বলেন, আমরা জানি যে, ইন্টারনেটে খারাপ এবং ভালো উভয় দিকই রয়েছে। সুতরাং সালামওয়েব আপনার জন্য সেই জানালা তৈরি করেছে যাতে করে আপনি শুধুমাত্র ভালো দিকসমূহ দেখতে পান।’

সালামওয়েব নামের ব্রাউজারটিকে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে করে এটি ওয়েবসাইটসমূহের মধ্য থেকে ক্ষতিকর সাইটসমূহকে বাছাই করতে পারে এবং একইসঙ্গে ব্যবহারকারীকে পর্নো এবং জুয়া সম্পর্কিত সাইটগুলো সম্পর্কে সতর্ক বার্তা দিতে পারে।

সালামওয়েবের মাধ্যমে ব্যবহারকারী কাবা শরিফ সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা পাবেন এবং নামাজের সময় সম্পর্কে জানতে পারবেন।

সালামওয়েব নামের ব্রাউজারটি ইতোমধ্যেই মালয়েশিয়ার ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট আমানি শরিয়া সুপারভাইজরি বোর্ড’ দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে। এতে ওপেন সোর্স ক্রোমিয়াম ব্যবহার করে বা গুগল ক্রোম ব্রাউজারের ওপর ভিত্তি করে এটি তৈরি করা হয়েছে।

হাসনি জারিনা আরও বলেন, ‘আমরা একটি বৈশ্বিক মূল্যবোধকে সামনে নিয়ে এসেছি। যদিও এটি মুসলিমদের জন্য তৈরি করা কিন্তু এটি যে কেউ ব্যাবহার করতে পারে। ইন্টারনেট অনেক সময় ক্ষতিকর স্থান হয়ে উঠে। আমাদের একটি বিকল্প থাকা আবশ্যক।’

-বিজনেস টাইমস অবলম্বনে

আপনার মতামত লিখুন :

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি
হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে কাফা, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে ধূমপান নিষিদ্ধ। আর ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান মাকরুহ তথা চরম অবাঞ্ছিত কাজ। তারপরও মক্কায় দেখা যায় অনেকেই মসজিদে হারামের বাইরের চত্বরে ধূমপান করেন। রাস্তাঘাটেও ধূমপান করতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি ইহরাম পরিহিত অনেককে মিনা, মুজাদালিফা ও আরাফাতের ময়দানে ধূমপান করতে দেখা গেছে।

ধূমপানের এমন ব্যাপকতা থেকে হজযাত্রীদের নিরুতসাহ করতে সৌদি আরবের তামাক, ধূমপান ও মাদক প্রতিরোধ সংস্থা ‘কাফা’ (The Tobacco and Narcotics Combat Charity Society-Kafa) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

সংস্থাটি হজের আনুষ্ঠানিকতার জায়গাগুলোতে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করে। সেখান থেকে ধূমপায়ীদের মাঝে ধূমপান বিরোধী প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি কাউন্সেলিং করানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ধূমপান ছাড়তে হজযাত্রীদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ঔষধ দিয়ে থাকেন। ধূমপানের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করতে হাজিদের মাঝে পুস্তিকা, লিফলেট ও মিসওয়াক বিতরণ করা হয়। এভাবে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র থেকে এবার ১১ হাজার ৪৮০ ধূমপায়ীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

কাফার ক্লিনিকে সেবা নিতে এসে ধূমপানের বিপত্তি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবগত হয়ে অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন। চলতি হজ মৌসুমের ধূমপান ত্যাগীর সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফার সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা নিয়ে তার ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।

মক্কায় ধূমপানের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জন্য গঠিত কমিটির প্রধান আবু গাজালাহ স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দাতব্য মন্ত্রণালয়, হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাফা ধূমপান বিরোধী নানা কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। সেই সঙ্গে কাফা মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতসহ মক্কায় হজযাত্রীদের ধূমপান বিরোধী চিকিতসা দেয়।

চার বছর ধরে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অবশ্য অনেক ধূমপায়ী পবিত্র হজপালন শেষে নিজ থেকেই ধূমপান ছেড়ে দেন। তাদের হিসাব এখানে আসেনি।

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
মদিনা হাইওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র হজপালন শেষে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাজি বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় ১ জন হাজি ঘটনাস্থলে ইন্তেকাল ও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া হাজির নাম নুরুল ইসলাম (৭০)। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মদিনা থেকে একশ' মাইল আগে ওয়াদি ফারা নামক স্থান বাসের চাকা বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যায়। ওই বাসটিতে ৩৫ জন হাজি ছিলেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাসের যাত্রীরা স্কাই ট্রাভেলসের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজপালনের উদ্দেশ্যে আসেন।

আহতদের মদিনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন নারী ছাড়া বাকিদের অবস্থা উন্নতির দিকে। গুরুতর আহতদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আহতদের ৮ জন মদিনা কিং ফাহাদ হাসপাতালে, মিকাত হাসপাতালে ৪ জন, উহুদ হাসপাতালে ২ জন, সৌদি-জার্মান হাসপাতালে ২ জন ও ইয়াতামা হাসপাতালে ২ জন চিকিতসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হজপালনে সৌদি আরবে এসে শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ৮১ জন হাজি ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ জন, নারী ১০ জন। মারা যাওয়া হাজিদের ৭২ জন মক্কায়, ৮ জন মদিনায় ও ১ জন জেদ্দায় ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র