Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

তুরস্কের সবচেয়ে বড় মসজিদে নামাজ শুরু

তুরস্কের সবচেয়ে বড় মসজিদে নামাজ শুরু
চামলিজা মসজিদ, ইস্তাম্বুল, তুরস্ক, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

তুরস্কের ইস্তাম্বুলের চামলিজা মসজিদ (Camlica Mosque) ফজরের নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) দিবাগত প্রায় ছয় বছর পর এই মসজিদে নামাজ আদায় করা হলো।

এই মসজিদটি তুরস্কের সবচেয়ে বড় ও সুন্দরতম মসজিদ হিসেবে ইতোমধ্যেই স্বীকৃতি পেয়েছে।

আগে থেকেই বলা ছিলো রজব মাসের শুরুর দিন ফজরের নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে মসজিদে নামাজ শুরু হবে। সে ঘোষণামতে লোকজন বৃহস্পতিবার ভিড় করনে মসজিদে নামাজ আদায়েরজন্য। এদিন সুবহে সাদিক শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মসজিদের কারুকার্যময় সুউচ্চ মিনার থেকে ধ্বনিত হয় ফজরের আজান। শুরু হয় একটি নতুন ভোরের, রচিত হয় নবতর এক ইতিহাস। ফজরের নামাজে হাজার হাজার মুসল্লির সঙ্গে নামাজ আদায় করেন তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিন আলি ইয়ালদারম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/08/1552054360667.jpg

পনেরো হাজার বর্গমিটারের এই মসজিদে একসঙ্গে ৬৩ হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারবে। মসজিদ কমপ্লেক্সে রয়েছে একটি সম্মেলন কক্ষ, একটি ইসলামি জাদুঘর এবং একটি গণগ্রন্থাগার।

মসজিদটিতে মোট ছয়টি মিনার রয়েছে। চারটি মিনারের উচ্চতা ১০৭.১ মিটার। অবশিষ্ট দু’টি মিনারের উচ্চতা নব্বই মিটার। চার মিনারের উচ্চতাকে গবেষক মহল বিশেষ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। বলা হচ্ছে এর দ্বারা মূলত ১০৭১ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত মানযিকার্টের যুদ্ধের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, যেখানে সেলজুক সুলতান আল্প আরসালান মাত্র বিশ হাজার সৈন্য নিয়ে বাইজান্টাইন সম্রাট রোমানূসকে শোচনীয় পরাজয়ের বিস্বাদ ও গ্লানিতে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন। অথচ তার সৈন্যসংখ্যা ছিল দুই লাখ।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/08/1552054382882.jpg

মসজিদের গম্বুজের উচ্চতা ৭২ মিটার এবং প্রস্থ ৩৪ মিটার। মসজিদের বহিরাংশে গড়ে তোলা হয়েছে ত্রিশ হাজার বর্গমিটার বিস্তৃত ফুলবাগিচা।

বলা হচ্ছে, এটা তুরস্কের দীর্ঘতম ফুলবাগান। পার্কের কিছু অংশ তুরস্কের এশীয় অংশে এবং অপর অংশে ইউরোপীয় অংশে। পার্কে চলতে চলতে দর্শনার্থীরা একইসঙ্গে মারমারা সাগরের মৃদুমন্দ হাওয়া উপভোগের সুযোগ পেয়ে যাবেন মুফতে।

উসমানি আমলের স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক স্থাপত্যকলার মিশেলে অলংকৃত এই মসজিদ রাষ্ট্রপতি এরদোগানের ভাষায় ‘তুরস্কের জনগণের নতুন আধ্যাত্মিক বর্ম’।

আপনার মতামত লিখুন :

কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেবে কওমি ফোরাম

কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেবে কওমি ফোরাম
কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেবে কওমি ফোরাম, ছবি: সংগৃহীত

কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ে গঠিত আল হাইআতুল উলইয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীনে অনুষ্ঠিত দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা দেবে কওমি ফোরাম।

২ আগস্ট, শুক্রবার বাদ জুমা জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ২০১৭, ১৮ ও ১৯ সালের পরীক্ষায় মুমতাজ (স্টারমার্ক) বিভাগে উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা উপলক্ষে মতবিনিময় সভারও আয়োজন করেছে সংগঠনটি । অনুষ্ঠানে বরেণ্য ওলামায়ে কেরাম, শিক্ষক ও ইসলামি চিন্তাবিদরা উপস্থিত থাকবেন।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে 01674609982, 01670269028 এই নম্বরে নাম তালিকাভুক্তির জন্য যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।

কওমি ফোরাম দেশের প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের নিয়ে একটি সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম গঠনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন- মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আউয়ুবি, মাওলানা হাসান জামিল, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান, মাওলানা গাজী ইয়াকুব, মুফতি এনায়েতুল্লাহ ও মুফতি মুর্তজা হাসান ফয়েজি মাসুম ।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী আলেমদের উপস্থিতিতে কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিসের সনদকে মাস্টার্স (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) এর সমমান স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরে ২০১৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ‘আল হাইআতুল উলইয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর অধীন ‘কওমি মাদরাসাগুলোর দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল)-এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি)-এর সমমান প্রদান বিল ২০১৮’ জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়। ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হয়। ৮ অক্টোবর এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ হয়।

আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ

আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ
আরও ৫ শতাংশ হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ দিলো ধর্ম মন্ত্রণালয়, ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে আরও ৫ শতাংশ হারে হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্ট কিংবা প্রতিস্থাপনের সুযোগ দিলো ধর্ম মন্ত্রণালয়।

সোমবার (২২ জুলাই) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আব্দুল্লাহ আরিফ মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে ৫ শতাংশ হারে হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের কথা জানানো হয়েছে।

হজযাত্রী রিপ্লেসমেন্টের জন্য ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে হজ অফিসের পরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে এবং তা অনলাইনে নিশ্চিত করতে হবে। এজেন্সির নিজস্ব প্যাডে লিখিত আবেদনে হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সুপারিশ থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিস্থাপনযোগ্য হজযাত্রীর গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুজনিত কারণে হজপালন করতে পারবেন না মর্মে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রী অথবা মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর লিখিত আবেদন এবং উপযুক্ত চিকিৎসকের সনদ দাখিল করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি দেখতে ক্লিক করুন

প্রতিস্থাপন প্রাপ্তির জন্য এজেন্সির পক্ষ থেকে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হচ্ছে না মর্মে তিনশ’ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে। হজযাত্রী প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো মিথ্যা তথ্য প্রমাণিত হলে জাতীয় হজ ও ওমরা নীতি-২০১৯ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হজ নীতিমালায় ৫ শতাংশ হারে প্রতিস্থাপনের কথা বলা হলেও মন্ত্রণালয় বিশেষ সার্কুলার জারি করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি বছর দুই দফায় ৫ শতাংশ করে ১০ শতাংশ হারে রিপ্লেসমেন্টের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এবার আরও ৫ শতাংশ হারে এই সুবিধা দেওয়া হলো।

হজযাত্রার জন্য প্রাক-নিবন্ধনের পর মৃত্যু ও অসুস্থতাসহ নানা কারণে যারা হজপালনে সৌদি আরব যেতে পারেন না, তাদের পরিবর্তে অন্যদের হজপালনের সুযোগকে রিপ্লেসমেন্ট বা প্রতিস্থাপন বলে। সৌদি দূতাবাস কর্তৃক হজ ভিসা দেওয়া বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফ্লাইট চালু সাপেক্ষে যাত্রীদের রিপ্লেসমেন্টের সুযোগ রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র