Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

মসজিদের নামে নিউইয়র্কে সড়কের নামকরণ

মসজিদের নামে নিউইয়র্কে সড়কের নামকরণ
জেএমসি ওয়ের নামফলক উন্মোচন অনুষ্ঠান, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের (জেএমসি) নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে, ‘জেএমসি ওয়ে।’ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলার ঘটনায় শোকাহত দিনে আমেরিকার নিউইয়র্কে এভাবে মসজিদের নামে সড়কের নামকরণ করার ঘটনাকে শান্তিপ্রিয় মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন। এ ঘটনা ‘কথিত’ ইসলামফোবিয়ার ঘটনা কমাতে সাহায্য করবে মনে মনে করছেন নিউইয়র্কের মুসলমানরা।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সময় জুমার নামাজের পর জেএমসি ওয়ের নামফলক উন্মোচন করা হয়।

প্রবাসীদের হাতে গড়ে ওঠা জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সামনের ১৬৮ স্ট্রিটের একাংশের নাম এখন জেএমসি ওয়ে। বিষয়টি মুসলমানদের জন্য একটি বিশাল স্বীকৃতিও বটে।

সিটি কাউন্সিলম্যান ররি ল্যান্সম্যানের নেতৃত্বে জ্যামাইকার ১৬৮ স্ট্রিটের হাইল্যান্ড অ্যাভিনিউ থেকে গথিক ড্রাইভ পর্যন্ত জেএমসি ওয়ের নামফলক উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের প্রভাবশালী একাধিক সদস্য, নগরীর পুলিশপ্রধান ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতি অতিথিরা বেশ জোড় গলায় মুসলমানদের আশ্বস্ত করেন, তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তারা আমেরিকায় নিরাপদে আছেন ও নিরাপদেই থাকবেন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত জেএমসি সিটির অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের অধীনে মসজিদ ছাড়াও ইসলামি শিক্ষা-সংস্কৃতির চর্চা ও জনকল্যাণমূলক নানা কাজ করা হয়। জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশিদের বৃহৎ সমাজ। জেএমসি মুসলিম কমিউনিটিসহ বাংলাদেশি কমিউনিটির কল্যাণে বিশেষ ভূমিকা রাখার কারণে সিটি প্রশাসন জেএমসির নামে সামনের রাস্তাটির নামকরণের সিদ্ধান্ত নেয়।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেএমসির সেক্রেটারি মনজুর আহমেদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে জেএমসি পরিচালনা কমিটির সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাসহ বিপুলসংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি
হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে কাফা, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে ধূমপান নিষিদ্ধ। আর ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান মাকরুহ তথা চরম অবাঞ্ছিত কাজ। তারপরও মক্কায় দেখা যায় অনেকেই মসজিদে হারামের বাইরের চত্বরে ধূমপান করেন। রাস্তাঘাটেও ধূমপান করতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি ইহরাম পরিহিত অনেককে মিনা, মুজাদালিফা ও আরাফাতের ময়দানে ধূমপান করতে দেখা গেছে।

ধূমপানের এমন ব্যাপকতা থেকে হজযাত্রীদের নিরুতসাহ করতে সৌদি আরবের তামাক, ধূমপান ও মাদক প্রতিরোধ সংস্থা ‘কাফা’ (The Tobacco and Narcotics Combat Charity Society-Kafa) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

সংস্থাটি হজের আনুষ্ঠানিকতার জায়গাগুলোতে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করে। সেখান থেকে ধূমপায়ীদের মাঝে ধূমপান বিরোধী প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি কাউন্সেলিং করানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ধূমপান ছাড়তে হজযাত্রীদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ঔষধ দিয়ে থাকেন। ধূমপানের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করতে হাজিদের মাঝে পুস্তিকা, লিফলেট ও মিসওয়াক বিতরণ করা হয়। এভাবে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র থেকে এবার ১১ হাজার ৪৮০ ধূমপায়ীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

কাফার ক্লিনিকে সেবা নিতে এসে ধূমপানের বিপত্তি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবগত হয়ে অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন। চলতি হজ মৌসুমের ধূমপান ত্যাগীর সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফার সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা নিয়ে তার ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।

মক্কায় ধূমপানের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জন্য গঠিত কমিটির প্রধান আবু গাজালাহ স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দাতব্য মন্ত্রণালয়, হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাফা ধূমপান বিরোধী নানা কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। সেই সঙ্গে কাফা মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতসহ মক্কায় হজযাত্রীদের ধূমপান বিরোধী চিকিতসা দেয়।

চার বছর ধরে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অবশ্য অনেক ধূমপায়ী পবিত্র হজপালন শেষে নিজ থেকেই ধূমপান ছেড়ে দেন। তাদের হিসাব এখানে আসেনি।

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
মদিনা হাইওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র হজপালন শেষে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাজি বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় ১ জন হাজি ঘটনাস্থলে ইন্তেকাল ও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া হাজির নাম নুরুল ইসলাম (৭০)। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মদিনা থেকে একশ' মাইল আগে ওয়াদি ফারা নামক স্থান বাসের চাকা বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যায়। ওই বাসটিতে ৩৫ জন হাজি ছিলেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাসের যাত্রীরা স্কাই ট্রাভেলসের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজপালনের উদ্দেশ্যে আসেন।

আহতদের মদিনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন নারী ছাড়া বাকিদের অবস্থা উন্নতির দিকে। গুরুতর আহতদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আহতদের ৮ জন মদিনা কিং ফাহাদ হাসপাতালে, মিকাত হাসপাতালে ৪ জন, উহুদ হাসপাতালে ২ জন, সৌদি-জার্মান হাসপাতালে ২ জন ও ইয়াতামা হাসপাতালে ২ জন চিকিতসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হজপালনে সৌদি আরবে এসে শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ৮১ জন হাজি ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ জন, নারী ১০ জন। মারা যাওয়া হাজিদের ৭২ জন মক্কায়, ৮ জন মদিনায় ও ১ জন জেদ্দায় ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র