Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

ব্রিটেনে মসজিদ সুরক্ষায় অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের ঘোষণা

ব্রিটেনে মসজিদ সুরক্ষায় অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের ঘোষণা
ইস্ট লন্ডন জামে মসজিদের চিত্র, ছবি: সংগৃহীত
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

১৫ মার্চ নিউজিল্যান্ডের দুই মসজিদের সন্ত্রাসী হামলার পর মসজিদসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়ের সুরক্ষায় বরাদ্দ বাড়িয়েছে যুক্তরাজ্য। এ জন্য বুধবার (২০ মার্চ) ব্রিটিশ সরকার অতিরিক্ত ১৬ লাখ ইউরো বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছে।

এই ঘোষণার দিন রাতেই ব্রিটেনে একরাতে পাঁচটি মসজিদে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। যদিও হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। হামলায় মসজিদের জানালা, দরজা ভাঙচুর করেছে অস্ত্রধারী অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

বুধবার গভীর রাতের এসব হামলার ঘটনায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বার্মিংহামের মুসলিমদের মাঝে। তারা শুক্রবারের (২২ মার্চ) জুমার নামাজের সময় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দেশটির পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশটির কাউন্টার টেরোরিজম পুলিশ বলছে, রাতে মসজিদে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের এসব ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ মসজিদগুলো হলো- উইটন ইসলামিক সেন্টার, উইটন রোডের ব্রোডওয়ে মসজিদ, স্লেড রোড মসজিদ, আর্ডিংটন মসজিদ ও অ্যাস্টন রোড মসজিদ।

সরকারের ঘোষিত তহবিল থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে উপাসনালয়ের বাহ্যিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা বেষ্টনি ও সিসিটিভিসহ নিরাপত্তা সামগ্রীর ব্যবস্থা করা হয়। এই তহবিলের এক তৃতীয়াংশের বেশি বরাদ্দ পায় মসজিদ।

বৃটিশ সরকারের ঘোষিত অতিরিক্ত তহবিলের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের আরও বেশি মসজিদ সুবিধা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন বরাদ্দের আগে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর তিন বছরে প্রার্থনালয় সুরক্ষা তহবিলে ২৪ লাখ ইউরো বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে নিউ জিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দু’টি মসজিদে উগ্র ডানপন্থীর হামলার পর নতুন করে ১৬ লাখ ইউরো বরাদ্দের ঘোষণা দিল। এছাড়া নিরাপত্তা প্রশিক্ষণের জন্য আরও ৫০ লাখ ইউরো বরাদ্দের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র দফতর।

নতুন সুরক্ষা প্রশিক্ষণ তহবিল থেকে প্রার্থনালয়গুলো তিন বছর ধরে সুবিধা পাবে।

যুক্তরাজ্যজুড়ে ঘৃণাবাদী অপরাধ বৃদ্ধির জেরে প্রার্থনালয় সুরক্ষা তহবিল গঠন করা হয়। গত বছর ব্রিটিশ সরকারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ধর্মীয় ঘৃণাবাদের ৫২ শতাংশেরই শিকার হয়েছে মুসলমান সম্প্রদায়।

আপনার মতামত লিখুন :

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি

হজ শেষে ধূমপান ছাড়লেন ৩১৩ হাজি
হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে কাফা, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: সৌদি আরবে ধূমপান নিষিদ্ধ। আর ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান মাকরুহ তথা চরম অবাঞ্ছিত কাজ। তারপরও মক্কায় দেখা যায় অনেকেই মসজিদে হারামের বাইরের চত্বরে ধূমপান করেন। রাস্তাঘাটেও ধূমপান করতে দেখা যায় অনেককে। এমনকি ইহরাম পরিহিত অনেককে মিনা, মুজাদালিফা ও আরাফাতের ময়দানে ধূমপান করতে দেখা গেছে।

ধূমপানের এমন ব্যাপকতা থেকে হজযাত্রীদের নিরুতসাহ করতে সৌদি আরবের তামাক, ধূমপান ও মাদক প্রতিরোধ সংস্থা ‘কাফা’ (The Tobacco and Narcotics Combat Charity Society-Kafa) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হজ মৌসুমে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধূমপায়ীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

সংস্থাটি হজের আনুষ্ঠানিকতার জায়গাগুলোতে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করে। সেখান থেকে ধূমপায়ীদের মাঝে ধূমপান বিরোধী প্রচারপত্র বিলির পাশাপাশি কাউন্সেলিং করানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ধূমপান ছাড়তে হজযাত্রীদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ঔষধ দিয়ে থাকেন। ধূমপানের ক্ষতির বিষয়ে সচেতন করতে হাজিদের মাঝে পুস্তিকা, লিফলেট ও মিসওয়াক বিতরণ করা হয়। এভাবে ভ্রাম্যমাণ সেবাকেন্দ্র থেকে এবার ১১ হাজার ৪৮০ ধূমপায়ীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

কাফার ক্লিনিকে সেবা নিতে এসে ধূমপানের বিপত্তি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবগত হয়ে অনেকে ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন। চলতি হজ মৌসুমের ধূমপান ত্যাগীর সংখ্যা ৩১৩ জন। কাফার সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা নিয়ে তার ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন।

মক্কায় ধূমপানের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি জন্য গঠিত কমিটির প্রধান আবু গাজালাহ স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দাতব্য মন্ত্রণালয়, হজ ও ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ক এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাফা ধূমপান বিরোধী নানা কর্মসূচি প্রণয়ন করে থাকে। সেই সঙ্গে কাফা মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতসহ মক্কায় হজযাত্রীদের ধূমপান বিরোধী চিকিতসা দেয়।

চার বছর ধরে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

অবশ্য অনেক ধূমপায়ী পবিত্র হজপালন শেষে নিজ থেকেই ধূমপান ছেড়ে দেন। তাদের হিসাব এখানে আসেনি।

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু

মদিনা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু
মদিনা হাইওয়ে, ছবি: সংগৃহীত

মক্কা (সৌদি আরব) থেকে: পবিত্র হজপালন শেষে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাজি বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় ১ জন হাজি ঘটনাস্থলে ইন্তেকাল ও ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া হাজির নাম নুরুল ইসলাম (৭০)। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরে।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ১১টার দিকে মদিনা থেকে একশ' মাইল আগে ওয়াদি ফারা নামক স্থান বাসের চাকা বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বাসটি উল্টে যায়। ওই বাসটিতে ৩৫ জন হাজি ছিলেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। বাসের যাত্রীরা স্কাই ট্রাভেলসের মাধ্যমে সৌদি আরবে হজপালনের উদ্দেশ্যে আসেন।

আহতদের মদিনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজন নারী ছাড়া বাকিদের অবস্থা উন্নতির দিকে। গুরুতর আহতদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

আহতদের ৮ জন মদিনা কিং ফাহাদ হাসপাতালে, মিকাত হাসপাতালে ৪ জন, উহুদ হাসপাতালে ২ জন, সৌদি-জার্মান হাসপাতালে ২ জন ও ইয়াতামা হাসপাতালে ২ জন চিকিতসাধীন রয়েছেন।

এদিকে হজপালনে সৌদি আরবে এসে শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত পর্যন্ত ৮১ জন হাজি ইন্তেকাল করেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭১ জন, নারী ১০ জন। মারা যাওয়া হাজিদের ৭২ জন মক্কায়, ৮ জন মদিনায় ও ১ জন জেদ্দায় ইন্তেকাল করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র