Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাংলাদেশের ক্বারিকে সম্মাননা জানালেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ক্বারিকে সম্মাননা জানালেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের ক্বারিকে সম্মাননা জানালেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী, ছবি: টেলিভিশন থেকে নেওয়া
ইসলাম ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

৫ লাখ ১৫ হাজার বর্গকিলোমিটারের দেশ থাইল্যান্ড। দেশটির লোক সংখ্যা সাড়ে সাত কোটির বেশি। ৯০ শতাংশের বেশি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীর দেশ থাইল্যান্ডে ইসলাম, খ্রিস্টান, হিন্দু ও শিখ ধর্মের লোকেরা স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম পালন করতে পারেন।

মোট জনসংখ্যার মাত্র ২ শতাংশ মুসলিম। মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠান থাই মুসলমানদের কাছে একটি বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। সেন্ট্রাল ইসলামিক কমিটি অব থাইল্যান্ড মুসলমানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ। যা রাজা কর্তৃক স্বীকৃত এবং ইসলামি শিক্ষা, হজ, মসজিদ ব্যবস্থাপনা ও শরিয়া কোর্টসহ বিভিন্ন বিষয়ে রাজাকে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

সেই থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী এবার বিশেষ সম্মাননা জানালেন বাংলাদেশের অন্যতম ক্বারি শায়খ আহমাদ বিন ইউসুফকে।

শুক্রবার (৫ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ‘আন্তর্জাতিক মিলাদুন্নবী সা. সম্মেলন-২০১৯’ এ বাংলাদেশের ক্বারি শায়খ আহমাদ বিন ইউসুফ আল আজহারিকে এই বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনারেল প্রাউথ চান-ওচা।

সম্মেলনে ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামসহ মোট ১২ দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, থাইল্যান্ডের আলেম-উলামা, মন্ত্রি পরিষদের সদস্য, বিমানবাহিনী ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন।

ওই অনুষ্ঠানে মিসরের প্রসিদ্ধ কারি শায়খ ডক্টর আহমাদ আহমাদ নাঈনাকেও সম্মাননা প্রদান করেছেন থাই প্রধানমন্ত্রী।

ডক্টর আহমাদ আহমাদ নাঈনা আরব লীগ কর্তৃক পরিচালিত বিশ্বের আন্তর্জাতিকভাবে প্রসিদ্ধ ক্বারিদের সংগঠন ‘ইত্তেহাদুল আরাবি ওয়াদ-দোয়ালী লি-কুররা-ইল-কুরআনিল কারিম’ (ইত্তেহাদুল কুররা আল-আলামিয়া)-এর সভাপতি এবং আন্তর্জাতিক কোরআন তেলাওয়াত সংস্থা (ইক্বরা)’- এর কেন্দ্রীয় মহাসচিব।

শায়খ ক্বারি আহমাদ বিন ইউসুফ আল আজহারি বিশ্বের ৪৫টির মতো দেশ সফর করেছেন। এসব দেশের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কোরআন তেলাওয়াত এবং বিশ্বের বড় বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় একমাত্র বাংলাদেশি বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাংলাদেশে বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত ও ক্বেরাতের পথপ্রদর্শক, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের প্রধান ক্বারি মাওলানা ক্বারি মুহাম্মাদ ইউসুফের বড় সন্তান শায়খ আহমাদ বিন ইউসুফ আল আজহারি।

শায়খ আহমাদ ইউসুফ ২০০১ সালে দাওরায়ে হাদিস পাশ করেন। পরে মিসরের আল আজহারের মাহাদুল ক্বিরাত থেকে দীর্ঘ ৮ বছর পড়াশুনা করে ১০ ক্বিরাতের ওপর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সর্বোচ্চ সনদ অর্জন করেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ফ্লাইট মিস করা ৬৭ হজযাত্রী মক্কার পথে

ফ্লাইট মিস করা ৬৭ হজযাত্রী মক্কার পথে
ফ্লাইট মিস করা ৬৭ হজযাত্রী এখন মক্কার পথে, ছবি: সংগৃহীত

ভিসা জটিলতার কারণে নির্ধারিত ফ্লাইট মিস করা যাত্রীদের মধ্যে সর্বশেষ ৬৭ জন হজযাত্রী সাধারণ ফ্লাইটে মক্কায় যাচ্ছেন।

রোববার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় এই হজযাত্রীরা অন্য সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গী হয়ে মক্কায় যাচ্ছেন। বিমানের বিজি ১৩৫ নং ফ্লাইটে বিমানের ৪২০ জন যাত্রীর সঙ্গে এই ফ্লাইটে হজযাত্রী রয়েছেন মাত্র ১০০ জন।

মিনার এয়ার ট্রাভেলসের ৬৭ জন হজযাত্রী ভিসা জটিলতায় ১৬ জুলাই বিমানের নির্ধারিত ফ্লাইট মিস করেন। শুধু মিনার এয়ার ট্রাভেলস নয়, এর সঙ্গে আরও তিনটি ট্রাভেলসের মোট দেড়শ’ হজযাত্রী ফ্লাইট মিস করেছিলেন। তবে অন্যান্য ট্রাভেলসের হজযাত্রীরা ভিন্ন ভিন্ন ফ্লাইটে মক্কায় চলে গেছেন। কিন্তু মিনার ট্রাভেলসের হজযাত্রীরা বিচ্ছিন্নভাবে যেতে রাজি হননি। তাই তাদের সবাইকে অন্য একটি সাধারণ ফ্লাইটে মক্কায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই ফ্লাইটটি (বিজি ১৩৫) রোববার সন্ধা সাড়ে ছয়টায় ঢাকা ছেড়ে গেছে।

উল্লেখ্য গত ১৪ ও ১৫ জুলাই সৌদি দূতাবাসের অনলাইন সার্ভারের জটিলতায় সঠিক সময়ে ভিসা হাতে না পেয়ে বিমানের দু’টি ফ্লাইট মিস করেছেন এই হজযাত্রীরা। দু’দিন পরে গত মঙ্গলবার ভিসা হাতে পাওয়ার পর বিমানের অন্য ফ্লাইটেও কোনো শিডিউল পাচ্ছিলেন না তারা। ফলে কবে বা কোন ফ্লাইটে এই ১৫১ জন হজযাত্রী মক্কায় যেতে পারবেন সেটিও অনেকটা অনিশ্চয়তার মধ্যেই ছিল।

রোববার আশকোনাস্থ হজক্যাম্পে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেশ কয়েকটি হজ এজেন্সির মোট ১৫১ জন হজযাত্রী বিলম্বে ভিসা পাওয়ার কারণে তারা বিমানের ফ্লাইট মিস করেছিলেন। নির্ধারিত ফ্লাইটে তারা হজে যেতে পারেননি। এর মধ্যে মিনার এয়ার ট্রাভেলসের (হজ লাইসেন্স নং ১০৩০) তাদের ৬৭ জন হজযাত্রীর ভিসা দূতাবাসের সার্ভারের সমস্যার কারণে সঠিক সময়ে অর্থাৎ নির্ধারিত ফ্লাইটের আগে হাতে পাননি। এই ৬৭ জন হজযাত্রীর যাত্রার নির্ধারিত ফ্লাইট ছিল ১৬ জুলাই মঙ্গলবার (বিজি ৩০৩৩) ফ্লাইটে।

ফ্লাইট মিস করা হজযাত্রীরা বিমান হজ অফিসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ভিন্ন ভিন্ন ফ্লাইটে মক্কায় চলে গেছেন। একমাত্র মিনার এয়ার ট্র্রাভেলস ছাড়া অন্যান্য কোনো ট্রাভেলসের ফ্লাইট মিস করা হজযাত্রী মক্কায় যাওয়ার বাকি নেই। মিনার ট্রাভেলসের যাত্রীরা বিচ্ছিন্নভাবে হজে যেতে রাজি না হওয়ায় এখন তাদের এই ৬৭ জনসহ মোট ১০০ জন হজযাত্রীকে বিমানের সাধারণ ফ্লাইটেই মক্কায় যেতে হচ্ছে।

রোববার দুপুরে আশকোনাস্থ হজ ক্যাম্পের পরিচালক (হজ অফিসার) মো: সাইফুল ইসলাম নয়া দিগন্তকে জানান, আমরা ফ্লাইট মিস করা হজযাত্রীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্য ফ্লাইটে মক্কায় পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। মিনার ট্রাভেলস ছাড়া আর কোন ফ্লাইট মিস করা যাত্রী ঢাকায় নেই। তারা সকলেই মক্কায় পৌছে গেছেন। রোববার সন্ধায় বিমানের একটি ফ্লাইটে মিনার ট্রাভেলস এর ৬৭ জন হজযাত্রীও মক্কায় যাচেছন।

 

৬২ হাজার ৭৪৫ হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন

৬২ হাজার ৭৪৫ হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন
জেদ্দা বিমান বন্দরে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করছেন হজযাত্রীরা, ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র হজপালনে ৬২ হাজার ৭৪৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন ৪ হাজার ৬০৪ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৮ হাজার ১৪১ জন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৮৮টি ও সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৮৫টিসহ মোট ১৭৩টি ফ্লাইটে তারা সৌদি আরব পৌঁছান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টায় মক্কা থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রকাশিত হজ বুলেটিন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এ বছর হজ অনুষ্ঠিত হবে ১০ আগস্ট। ধর্ম মন্ত্রণালয় অনুমোদিত হজ এজেন্সির সংখ্যা ৫৯৮টি।

গত ৪ জুলাই থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হয়। শেষ ফ্লাইট আগামী ৫ আগস্ট। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ১৭ আগস্ট এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ১৫ সেপ্টেম্বর।

বুলেটিনে আরও জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সৌদি আরব ব্যবস্থাপনামহ ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ জন হজযাত্রীর ভিসা ইস্যু করেছে।

অনলাইনে হেলথ সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৬০ জন হজযাত্রীর।

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মধ্যে সৌদি আরবে ১২ জন ইন্তেকাল করেছেন। তন্মধ্যে ১০ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা। তাদের ৯ জন মক্কায়, মদিনায় ২ জন ও জেদ্দায় ১ জন ইন্তেকাল করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র