Alexa

সুলতানি আমলে নির্মিত সুজা মসজিদ

সুলতানি আমলে নির্মিত সুজা মসজিদ

সুলতানি আমলে নির্মিত সুজা মসজিদ, ছবি: বার্তা২৪.কম

দিনাজপুরের হিলি-ঘোড়াঘাটের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত সুলতানি আমলে নির্মিত সুজা মসজিদ। এই মসজিদ সম্পর্কে জনশ্রুতি আছে, তা এক রাতে তৈরি করা হয়েছে।

সুলতানি আমলের বিরল স্থাপত্য ধারায় নির্মিত সুজা মসজিদটি প্রধানত দু’টি অংশে বিভক্ত। মূল নামাজ কক্ষ ও বারান্দা। নামাজ কক্ষে জায়গার পরিমাণ ৭.৮৪ মি+৭.৮৪ এবং বারান্দাটি ৪.৮৪+ মি, লম্বা ও ২.১২ মি চওড়া।

চুন সুরকির সাহায্যে ছোট আকৃতির ইট দ্বারা নির্মিত মসজিদের দেয়াল ১.৮০ মি প্রশস্ত। মূল নামাজ কক্ষের ছাদ বাঁকা আকৃতির গম্বুজ দ্বারা আবৃত। বারান্দায় রয়েছে এক সারিতে অনুরুপ ৩টি গম্বুজ। নামাজ কক্ষের চারকোণে ৪টি ও বারান্দায় ২টি পাথরের বুরুজ আছে।

মসজিদে প্রবেশের জন্য পূর্বদিকে ৩টি ও উত্তর-দক্ষিণে ১টি করে খিলানকৃত প্রবেশপথ রয়েছে। বারান্দার উত্তর পাশে ১টি করে প্রবেশপথ রয়েছে। এই মসজিদের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে হোসেন শাহী (১৬’শ খ্রি.) আমলের বেশ মিল পাওয়া যায়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/21/1558440240946.jpg

চোরগাছা গ্রামে সুজা মসজিদের অবস্থান। গ্রামের ৯৫ বছর বয়সী সমসের আলী বার্তা২৪.কমকে জানান, আমি আমার বাপ-দাদাদের নিকট এই মসজিদের ইতিহাস শুনে আসছি। সুজা মসজিদের বয়স প্রায় ৪০০ বছরেরও বেশি হবে।

তিনি আরও বলেন, এটি সুলতানি আমলের মসজিদ। দাদাদের মুখ থেকে শুনেছি মসজিদটি আল্লাহ তরফ হতে রাতারাতি নির্মাণ করা হয়েছে।

সুজা মসজিদের ইমাম মিজানুর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, এই মসজিদে আমি দীর্ঘদিন যাবত ইমামতি করছি। দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ ছুটে আসেন মসজিদটি দেখতে ও এখানে নামাজ পড়তে।

মসজিদ দেখতে আসা জামাত আলী বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমার বাড়ী অনেক দূরে। আমার ছেলে অসুস্থ, তার জন্য মান্নত করেছি এই মসজিদে। জামাত আলীর মতো অনেকের বিশ্বাস, এই মসজিদের নামাজ পড়ে আল্লাহর নিকট কিছু চাইলে, আল্লাহ তা পূরণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন :